বিলাসবহুল ফ্ল্যাটে বাংলাদেশিদের জিম্মি করে অর্থ আদায়, আটক ১০

মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরের দুটি বিলাসবহুল আবাসিক ভবনে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ১০ বাংলাদেশি নাগরিককে আটক করেছে দেশটির অভিবাসন বিভাগ। আটক ব্যক্তিদের মধ্যে দুজন ওই বাড়িগুলোর তত্ত্বাবধায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। মালয়েশিয়ার অভিবাসন বিভাগের মহাপরিচালক দাতুক জাকারিয়া শাবান এক বিবৃতিতে জানান, বুধবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টা থেকে শুরু হওয়া বিশেষ অভিযানে অবৈধ অভিবাসীদের অস্থায়ী ট্রানজিট সেন্টার হিসেবে ব্যবহৃত দুটি বাড়িতে অভিযান চালানো হয়। তিনি বলেন, আটক ব্যক্তিদের মধ্যে একজনের কাছে নির্মাণ খাতের অস্থায়ী কর্মসংস্থান ভিজিট পাস (টেম্পরারি ওয়ার্ক ভিজিট পাস) পাওয়া গেছে। এছাড়া দুই নারী আগে অভিবাসন বিভাগের কালো তালিকাভুক্ত (ব্ল্যাকলিস্ট) ছিলেন। তারা অননুমোদিত উপায়ে আবারও মালয়েশিয়ায় প্রবেশ করেছেন বলে তদন্তে উঠে এসেছে। বাকি ব্যক্তিদের কাছে বৈধ পাস বা ভ্রমণসংক্রান্ত কোনো কাগজপত্র পাওয়া যায়নি। অভিবাসন বিভাগের তথ্যমতে, কয়েক মাস ধরে বিলাসবহুল ওই বাড়িগুলো অবৈধভাবে মালয়েশিয়ায় প্রবেশ করা বিদেশিদের অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছিল। পরে সেখান থেকে তাদের নির্ধারিত গ

বিলাসবহুল ফ্ল্যাটে বাংলাদেশিদের জিম্মি করে অর্থ আদায়, আটক ১০

মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরের দুটি বিলাসবহুল আবাসিক ভবনে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ১০ বাংলাদেশি নাগরিককে আটক করেছে দেশটির অভিবাসন বিভাগ।

আটক ব্যক্তিদের মধ্যে দুজন ওই বাড়িগুলোর তত্ত্বাবধায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

jagonews24

মালয়েশিয়ার অভিবাসন বিভাগের মহাপরিচালক দাতুক জাকারিয়া শাবান এক বিবৃতিতে জানান, বুধবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টা থেকে শুরু হওয়া বিশেষ অভিযানে অবৈধ অভিবাসীদের অস্থায়ী ট্রানজিট সেন্টার হিসেবে ব্যবহৃত দুটি বাড়িতে অভিযান চালানো হয়।

তিনি বলেন, আটক ব্যক্তিদের মধ্যে একজনের কাছে নির্মাণ খাতের অস্থায়ী কর্মসংস্থান ভিজিট পাস (টেম্পরারি ওয়ার্ক ভিজিট পাস) পাওয়া গেছে। এছাড়া দুই নারী আগে অভিবাসন বিভাগের কালো তালিকাভুক্ত (ব্ল্যাকলিস্ট) ছিলেন। তারা অননুমোদিত উপায়ে আবারও মালয়েশিয়ায় প্রবেশ করেছেন বলে তদন্তে উঠে এসেছে। বাকি ব্যক্তিদের কাছে বৈধ পাস বা ভ্রমণসংক্রান্ত কোনো কাগজপত্র পাওয়া যায়নি।

jagonews24

অভিবাসন বিভাগের তথ্যমতে, কয়েক মাস ধরে বিলাসবহুল ওই বাড়িগুলো অবৈধভাবে মালয়েশিয়ায় প্রবেশ করা বিদেশিদের অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছিল। পরে সেখান থেকে তাদের নির্ধারিত গন্তব্যে পাঠানো হতো।

কর্তৃপক্ষ আরও জানায়, বিদেশি তত্ত্বাবধায়কেরা এসব ট্রানজিট সেন্টার পরিচালনা করতেন এবং প্রত্যেক অভিবাসীর কাছ থেকে ৭০০ থেকে ১ হাজার ৫০০ রিঙ্গিত পর্যন্ত অর্থ আদায় করা হতো। পুরো অর্থ পরিশোধের আগ পর্যন্ত তাদের ওই বাড়িতেই রাখা হতো।

jagonews24

ঘটনার সঙ্গে জড়িত চক্র এবং অবৈধ অভিবাসন নেটওয়ার্কের বিষয়ে আরও তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছে মালয়েশিয়ার অভিবাসন বিভাগ।

এমআরএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow