বিলাসী ঝরনায় ছুটছেন পর্যটকেরা, রাতে ক্যাম্পিং
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে পাহাড়ি প্রাকৃতিক ঝরনাগুলোর মধ্যে অন্যতম বাঁশবাড়িয়া বিলাসী ঝরনা। প্রতিদিন এখানে ছুটে যাচ্ছে পর্যটকেরা। আবার অনেকে রাতে দলবেঁধে ক্যাম্পিং করছেন সেখানে। আগে তেমন পরিচিত না হলেও বিগত কয়েক বছর ধরে এই ঝরনায় যাচ্ছেন ভ্রমণপিপাসুরা। অনেকে প্রথমে বাঁশবাড়িয়া সমুদ্রসৈকত দেখে একই এলাকায় অবস্থিত পাহাড়ের ঝরনা দেখতে ছুটে যাচ্ছেন। জানা গেছে, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে বাঁশবাড়িয়া বাজার থেকে পায়ে হেঁটে মাত্র ৩০-৪০ মিনিটের পথ পাড়ি দিয়ে এই ঝরনায় পৌঁছানো যায়। যা এ অঞ্চলে অবস্থিত অন্যান্য ঝরনার চেয়ে দূরত্ব অনেক কম। যাওয়ার পথও অনেকটা সহজ। পাহাড়ি পথ ধরে হেঁটে যাওয়ার রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতা ও পাহাড়ি সৌন্দর্য দেখে যে কেউ মুগ্ধ হবে। ছরার শীতল পানি ছেদ করে হেঁটে যাওয়ার সময় পায়ে অন্যরকম অনুভূতি কাজ করে। ঝরনায় ঘুরতে আসা শহীদুল মামুন বলেন, ‘অনেক সুন্দর বিলাসী ঝরনা। খুব সামনে থেকে আমরা ঝরনাকে উপভোগ করার জন্য তাবু ক্যাম্পিং করে একদিন রাতযাপন করেছি। চট্টগ্রাম উত্তর রেঞ্জের এটি অনেকটা লুকায়িত একটা ঝরনা। ঝরনার সামনে কূপ থাকার কারণে ন্যাচারাল সুইমিংপুল দেখা যায়। রাতেও ঝরনার মনোমুগ্ধকর পরিবেশ আমাদের বিমো
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে পাহাড়ি প্রাকৃতিক ঝরনাগুলোর মধ্যে অন্যতম বাঁশবাড়িয়া বিলাসী ঝরনা। প্রতিদিন এখানে ছুটে যাচ্ছে পর্যটকেরা। আবার অনেকে রাতে দলবেঁধে ক্যাম্পিং করছেন সেখানে। আগে তেমন পরিচিত না হলেও বিগত কয়েক বছর ধরে এই ঝরনায় যাচ্ছেন ভ্রমণপিপাসুরা। অনেকে প্রথমে বাঁশবাড়িয়া সমুদ্রসৈকত দেখে একই এলাকায় অবস্থিত পাহাড়ের ঝরনা দেখতে ছুটে যাচ্ছেন।
জানা গেছে, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে বাঁশবাড়িয়া বাজার থেকে পায়ে হেঁটে মাত্র ৩০-৪০ মিনিটের পথ পাড়ি দিয়ে এই ঝরনায় পৌঁছানো যায়। যা এ অঞ্চলে অবস্থিত অন্যান্য ঝরনার চেয়ে দূরত্ব অনেক কম। যাওয়ার পথও অনেকটা সহজ। পাহাড়ি পথ ধরে হেঁটে যাওয়ার রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতা ও পাহাড়ি সৌন্দর্য দেখে যে কেউ মুগ্ধ হবে। ছরার শীতল পানি ছেদ করে হেঁটে যাওয়ার সময় পায়ে অন্যরকম অনুভূতি কাজ করে।
ঝরনায় ঘুরতে আসা শহীদুল মামুন বলেন, ‘অনেক সুন্দর বিলাসী ঝরনা। খুব সামনে থেকে আমরা ঝরনাকে উপভোগ করার জন্য তাবু ক্যাম্পিং করে একদিন রাতযাপন করেছি। চট্টগ্রাম উত্তর রেঞ্জের এটি অনেকটা লুকায়িত একটা ঝরনা। ঝরনার সামনে কূপ থাকার কারণে ন্যাচারাল সুইমিংপুল দেখা যায়। রাতেও ঝরনার মনোমুগ্ধকর পরিবেশ আমাদের বিমোহিত করেছে। ঝিঁঝি পোকার আওয়াজ, ঝরনার পানির শব্দ মিলে রোমাঞ্চকর সময় কাটিয়েছি।’
জানা গেছে, অন্য সময়ের তুলনায় বর্ষা মৌসুমে পানি বেশি থাকে ঝরনায়। এখানে আগত দর্শনার্থীদের জন্য কোনো টিকিটের ব্যবস্থা নেই। বিনা মূল্যে সবাই সহজে ঝরনায় যেতে পারছেন। ইচ্ছে করলে গাড়ি নিয়ে কিংবা পায়ে হেঁটে গাছ-গাছালির সুশীতল ছায়ায় শুরু করুন পাহাড়ের আঁকা-বাঁকা পথযাত্রা।
তবে সাবধান, ছড়ায় ছোট-বড় পাথর আছে। অনেক পাথর পিচ্ছিল, সতর্কভাবে না হাঁটলে পড়ে যে কোনো দুর্ঘটনার ঝুঁকি আছে। তাই দেখেশুনে চলতে হবে। ছড়ার কোনো কোনো স্থানে হাঁটু কিংবা তার চেয়ে বেশি পানি আছে। সাথে থাকা, মোবাইল, মানিব্যাগ ও প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র আগে থেকে ব্যাগে ভরে রাখলে ভালো হয়।’
স্থানীয় বাসিন্দা মনছুর আহম্মদ বলেন, ‘এখানে আগে তেমন লোকজন আসতো না। বিগত কয়েক বছর ধরে প্রতিদিন অনেক মানুষ আসে। সারাদিন আড্ডা দেয়, ঝরনার পানিতে গোসল করে। অনেকে তাঁবু টাঙিয়ে রাতযাপন করে। বারবিকিউয়ের আয়োজন করে।’
যেভাবে যাবেন
দেশের যে কোনো স্থান থেকে গাড়িযোগে সীতাকুণ্ড উপজেলার বাঁশবাড়িয়া বাজারে নামতে হবে। এরপর বাজারের পূর্বদিকে একটি রাস্তা আছে। সেই রাস্তা দিয়ে গেলে দেড় কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে মিলবে বিলাসী ঝরনা। গাড়ি যাবে রেল লাইন পর্যন্ত। এরপর হেঁটে যেতে হবে।
থাকা-খাওয়া
বাঁশবাড়িয়া বাজারে খুব বেশি ভালো খাবারের হোটেল নেই। ভালো খাবারের জন্য যেতে হবে সীতাকুণ্ড সদর কিংবা চট্টগ্রাম শহরে। থাকার জন্য সীতাকুণ্ড পৌর সদর ও চট্টগ্রাম শহরের একেখাঁন এবং অলঙ্কার মোড়ে অনেক আবাসিক হোটেল আছে।
এসইউ
What's Your Reaction?