বিশ্বকাপের আগে আঙুল ভাঙল আর্জেন্টাইন গোলরক্ষক মার্তিনেজের
বড় চোট সত্ত্বেও ইউরোপা লিগের ফাইনালে খেলেছেন অ্যাস্টন ভিলার আর্জেন্টাইন গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্তিনেজ। ম্যাচের ঠিক আগে ওয়ার্মআপের সময় তার হাতের আঙুল ভেঙে যায়, কিন্তু তা উপেক্ষা করে মাঠে নেমে দলকে ৩০ বছরের অপেক্ষার ট্রফি এনে দেন। ইস্তানবুলে বুধবার রাতে এসসি ফ্রাইবুর্গকে ৩-০ গোলে হারিয়ে ইউরোপা লিগ জিতেছে অ্যাস্টন ভিলা। পুরো ম্যাচে মার্তিনেজের দুর্দান্ত পারফরম্যান্স এবং গুরুত্বপূর্ণ সেভগুলো দলের ক্লিনশিট ধরে রাখতে সহায়তা করেছে। ম্যাচ শেষে জানা যায়, ফাইনালের আগেই ভাঙা আঙুল নিয়েই খেলেছেন তিনি। ইএসপিএনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মার্তিনেজ বলেন, “আজ আমরা যা অর্জন করেছি, সেটা অসাধারণ। ওয়ার্মআপে আঙুল ভেঙে যায়। বল ধরতে গেলে আঙুলটি অন্যদিকে সরে যাচ্ছিল। কিন্তু আমি এটাকে খারাপ কিছু হিসেবে দেখিনি। ফুটবলে এমন পরিস্থিতি ঘিরেই খেলা হয়।” ওয়ার্মআপের সময় চিকিৎসকদের সহায়তায় কিছুক্ষণ মাঠের বাইরে ছিলেন মার্তিনেজ। পরে আঙুলে ব্যান্ডেজ বেঁধে কিকঅফের সময় গোলপোস্টের নিচে দাঁড়ান। ফাইনালে শুরু থেকেই অ্যাস্টন ভিলা আধিপত্য দেখায়। ইউরি টিলেমান্স, এমিলিয়ানো বুয়েন্দিয়া এবং মরগান রজার্সের গোলে এক ঘণ্টার মধ্যেই ৩-০ ব্যবধানে এগিয়
বড় চোট সত্ত্বেও ইউরোপা লিগের ফাইনালে খেলেছেন অ্যাস্টন ভিলার আর্জেন্টাইন গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্তিনেজ। ম্যাচের ঠিক আগে ওয়ার্মআপের সময় তার হাতের আঙুল ভেঙে যায়, কিন্তু তা উপেক্ষা করে মাঠে নেমে দলকে ৩০ বছরের অপেক্ষার ট্রফি এনে দেন।
ইস্তানবুলে বুধবার রাতে এসসি ফ্রাইবুর্গকে ৩-০ গোলে হারিয়ে ইউরোপা লিগ জিতেছে অ্যাস্টন ভিলা। পুরো ম্যাচে মার্তিনেজের দুর্দান্ত পারফরম্যান্স এবং গুরুত্বপূর্ণ সেভগুলো দলের ক্লিনশিট ধরে রাখতে সহায়তা করেছে। ম্যাচ শেষে জানা যায়, ফাইনালের আগেই ভাঙা আঙুল নিয়েই খেলেছেন তিনি।
ইএসপিএনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মার্তিনেজ বলেন, “আজ আমরা যা অর্জন করেছি, সেটা অসাধারণ। ওয়ার্মআপে আঙুল ভেঙে যায়। বল ধরতে গেলে আঙুলটি অন্যদিকে সরে যাচ্ছিল। কিন্তু আমি এটাকে খারাপ কিছু হিসেবে দেখিনি। ফুটবলে এমন পরিস্থিতি ঘিরেই খেলা হয়।”
ওয়ার্মআপের সময় চিকিৎসকদের সহায়তায় কিছুক্ষণ মাঠের বাইরে ছিলেন মার্তিনেজ। পরে আঙুলে ব্যান্ডেজ বেঁধে কিকঅফের সময় গোলপোস্টের নিচে দাঁড়ান।
ফাইনালে শুরু থেকেই অ্যাস্টন ভিলা আধিপত্য দেখায়। ইউরি টিলেমান্স, এমিলিয়ানো বুয়েন্দিয়া এবং মরগান রজার্সের গোলে এক ঘণ্টার মধ্যেই ৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় দল। মার্তিনেজের উপস্থিতিতে ফ্রাইবুর্গের কোনো কমব্যাকের সুযোগ হয়নি। ভাঙা আঙুল সত্ত্বেও বিশ্বকাপজয়ী এই গোলরক্ষক হাসিমুখেই বিষয়টি উপেক্ষা করেছেন।
এমন চোটে আগামী জুনে শুরু হতে যাওয়া বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার হয়ে এমির খেলা নিয়ে শঙ্কায় আছেন ভক্তরা।
তবে সে শঙ্কার কথা উড়িয়ে মার্তিনেজ বলেন, ‘ইউরোপা জিতে আমি ভীষণ খুশি। এখন সময় সতীর্থদের সঙ্গে উদযাপন করার। এই দল অনেক দিন এমন আনন্দ পায়নি। এরপর পুরো মনোযোগ থাকবে বিশ্বকাপে।’
What's Your Reaction?