বিশ্বকাপের উন্মাদনায় বদলে গেল রেলস্টেশনের নাম

চার বছর পর পর বিশ্বকাপ আসে। ফলে এর উত্তাপ ছড়িয়ে পড়ে গোটা ফুটবল দুনিয়ায়। সেই উত্তাপ এখনও শেষের দিকে। তবুও যেন কমতি নেই। শুধু মাঠে নয় বরং বিশ্বকাপের উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে মাঠের বাইরেও। ইংল্যান্ডের সেমিফাইনাল ম্যাচকে ঘিরে সমর্থকদের উন্মাদনায় এবার বদলে গেছে রেলস্টেশনের নামও। ইংল্যান্ডের চেশায়ারের হোমস চ্যাপেল রেলস্টেশনের সাইনবোর্ডে এখন লেখা হয়েছে— ‘ইটস কামিং হোমস চ্যাপেল’। ইংল্যান্ডের জনপ্রিয় স্লোগান ‘ইটস কামিং হোম’-এর সঙ্গে মিলিয়ে সাময়িকভাবে এই নামকরণ করা হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছে দেশটির রেল পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান নর্দার্ন রেল। ইংল্যান্ড ফুটবলের পরিচিত স্লোগানের সঙ্গে মিলিয়ে এমন নাম দেওয়া হয়েছে। আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ইংল্যান্ডের বিশ্বকাপ সেমিফাইনালের কয়েক ঘণ্টা আগে এই বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই ম্যাচের ফলই নির্ধারণ করবে, ইংল্যান্ড চলমান বিশ্বকাপের ফাইনালে জায়গা করে নিতে পারবে কি না। নর্দার্ন রেলের বাণিজ্যিক পরিচালক অ্যালেক্স হর্নবি বলেন, ‘আমরা চেয়েছিলাম, যাত্রীরা খেলা দেখতে যাওয়ার পথে এমন কিছু পান, যা তাদের মুখে হাসি এনে দেয়।’ তিনি আরও বলেন, ‘চলো ইংল্যান্ড। ইটস কামিং হোমস চ্যাপেল।

বিশ্বকাপের উন্মাদনায় বদলে গেল রেলস্টেশনের নাম

চার বছর পর পর বিশ্বকাপ আসে। ফলে এর উত্তাপ ছড়িয়ে পড়ে গোটা ফুটবল দুনিয়ায়। সেই উত্তাপ এখনও শেষের দিকে। তবুও যেন কমতি নেই। শুধু মাঠে নয় বরং বিশ্বকাপের উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে মাঠের বাইরেও। ইংল্যান্ডের সেমিফাইনাল ম্যাচকে ঘিরে সমর্থকদের উন্মাদনায় এবার বদলে গেছে রেলস্টেশনের নামও। ইংল্যান্ডের চেশায়ারের হোমস চ্যাপেল রেলস্টেশনের সাইনবোর্ডে এখন লেখা হয়েছে— ‘ইটস কামিং হোমস চ্যাপেল’।

ইংল্যান্ডের জনপ্রিয় স্লোগান ‘ইটস কামিং হোম’-এর সঙ্গে মিলিয়ে সাময়িকভাবে এই নামকরণ করা হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছে দেশটির রেল পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান নর্দার্ন রেল। ইংল্যান্ড ফুটবলের পরিচিত স্লোগানের সঙ্গে মিলিয়ে এমন নাম দেওয়া হয়েছে।

আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ইংল্যান্ডের বিশ্বকাপ সেমিফাইনালের কয়েক ঘণ্টা আগে এই বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই ম্যাচের ফলই নির্ধারণ করবে, ইংল্যান্ড চলমান বিশ্বকাপের ফাইনালে জায়গা করে নিতে পারবে কি না।

নর্দার্ন রেলের বাণিজ্যিক পরিচালক অ্যালেক্স হর্নবি বলেন, ‘আমরা চেয়েছিলাম, যাত্রীরা খেলা দেখতে যাওয়ার পথে এমন কিছু পান, যা তাদের মুখে হাসি এনে দেয়।’ তিনি আরও বলেন, ‘চলো ইংল্যান্ড। ইটস কামিং হোমস চ্যাপেল।’

‘ইটস কামিং হোম’ ইংল্যান্ডের ফুটবল সংস্কৃতির অন্যতম পরিচিত স্লোগান। ১৯৯৬ সালের ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপের জন্য তৈরি করা হয়েছিল গানটি। তখন এর মাধ্যমে বোঝানো হয়েছিল, দীর্ঘ অপেক্ষার পর ইংল্যান্ড আবার বড় কোনো ফুটবল টুর্নামেন্ট আয়োজন করছে। এবার ৬০ বছর পর ফাইনালে ওঠার অপেক্ষা।

নর্দার্ন রেল জানিয়েছে, ইংল্যান্ডের বিশ্বকাপ অভিযান শেষ হওয়ার পর স্টেশনের নাম আবার আগের রূপে ফিরে যাবে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow