বিশ্বকাপে মহাকাব্যিক রাত, ড্রেসিংরুমে ছুটে গেলেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী
বিশ্বকাপের মঞ্চে অবশেষে এলো সেই কাঙ্ক্ষিত মুহূর্ত। কাতারকে ৬-০ গোলের বিশাল ব্যবধানে উড়িয়ে দিয়ে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ জয়ের স্বাদ পেল কানাডা। ঐতিহাসিক এই জয়ের সাক্ষী হতে গ্যালারিতে ছিলেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি, যিনি ম্যাচ শেষে সরাসরি ড্রেসিংরুমে গিয়ে খেলোয়াড়দের অভিনন্দন জানান।
শুধু তাই নয়, এটি কনকাকাফ অঞ্চলের কোনো দলের বিশ্বকাপের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় ব্যবধানের জয়। এই ফলের ফলে গ্রুপ ‘বি’-এর শীর্ষস্থানেও উঠে গেছে কানাডা।
ম্যাচটি দেখতে ভ্যাঙ্কুভারের বিসি প্লেসে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি। ফিফা প্রেসিডেন্ট জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর সঙ্গে একটি বক্সে বসে তিনি খেলা উপভোগ করেন।
এ বিশ্বকাপে কোনো আয়োজক দেশের প্রথম নেতা হিসেবে মাঠে বসে খেলা দেখলেন কার্নি। ম্যাচ শেষে তিনি সরাসরি লকার রুমে গিয়ে খেলোয়াড়দের অভিনন্দন জানান এবং সেখানে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যও দেন। তিনি বলেন, ‘তোমরা আমাকে গর্বিত করে দিলে। এর চেয়ে বেশি গর্ব আমার কোনোভাবেই হতে পারত না।’
ম্যাচের আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকেই ‘কার্নি কার্স’ বা ‘কার্নির অভিশাপ’ নিয়ে রসিকতা করেছিলেন। তবে ৬-০ গোলের দুর্দান্ত জয়ের পর সেই আলোচ
বিশ্বকাপের মঞ্চে অবশেষে এলো সেই কাঙ্ক্ষিত মুহূর্ত। কাতারকে ৬-০ গোলের বিশাল ব্যবধানে উড়িয়ে দিয়ে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ জয়ের স্বাদ পেল কানাডা। ঐতিহাসিক এই জয়ের সাক্ষী হতে গ্যালারিতে ছিলেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি, যিনি ম্যাচ শেষে সরাসরি ড্রেসিংরুমে গিয়ে খেলোয়াড়দের অভিনন্দন জানান।
শুধু তাই নয়, এটি কনকাকাফ অঞ্চলের কোনো দলের বিশ্বকাপের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় ব্যবধানের জয়। এই ফলের ফলে গ্রুপ ‘বি’-এর শীর্ষস্থানেও উঠে গেছে কানাডা।
ম্যাচটি দেখতে ভ্যাঙ্কুভারের বিসি প্লেসে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি। ফিফা প্রেসিডেন্ট জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর সঙ্গে একটি বক্সে বসে তিনি খেলা উপভোগ করেন।
এ বিশ্বকাপে কোনো আয়োজক দেশের প্রথম নেতা হিসেবে মাঠে বসে খেলা দেখলেন কার্নি। ম্যাচ শেষে তিনি সরাসরি লকার রুমে গিয়ে খেলোয়াড়দের অভিনন্দন জানান এবং সেখানে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যও দেন। তিনি বলেন, ‘তোমরা আমাকে গর্বিত করে দিলে। এর চেয়ে বেশি গর্ব আমার কোনোভাবেই হতে পারত না।’
ম্যাচের আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকেই ‘কার্নি কার্স’ বা ‘কার্নির অভিশাপ’ নিয়ে রসিকতা করেছিলেন। তবে ৬-০ গোলের দুর্দান্ত জয়ের পর সেই আলোচনা বদলে যায়। অনেকেই বলতে শুরু করেন, কার্নি আসলে দলের জন্য সৌভাগ্যই বয়ে এনেছেন।