বিশ্বকাপে রূপকথার স্বপ্ন দেখছে আফ্রিকার ৬ লাখ জনসংখ্যার দেশটি

পশ্চিম আফ্রিকার উপকূলের কাছে অবস্থিত ছোট্ট দ্বীপরাষ্ট্র কেপ ভার্দে। জনসংখ্যা মাত্র ছয় লাখেরও কম। অথচ এবার সেই দেশই জায়গা করে নিয়েছে ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে। ফুটবল বিশ্বের অনেকের কাছেই এটি বিস্ময়কর হলেও কেপ ভার্দের মানুষের কাছে এটি এক ঐতিহাসিক অর্জন। বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জনকারী দেশগুলোর মধ্যে জনসংখ্যার বিচারে কেপ ভার্দে ইতিহাসের তৃতীয় ক্ষুদ্রতম দেশ। এর আগে ২০১৮ সালে আইসল্যান্ড এবং ২০২৬ সালে এসে কুরাসাও এমন কীর্তি গড়েছে। ‘ব্লু শার্কস’ নামে পরিচিত কেপ ভার্দের জাতীয় দলে স্থানীয় ফুটবলারদের পাশাপাশি রয়েছেন প্রবাসী পরিবারে জন্ম নেওয়া অনেক তারকা। তাদের মধ্যে অন্যতম ডিফেন্ডার রবার্তো লোপেস, যিনি আয়ারল্যান্ডে জন্মেছেন। এছাড়া ফ্রান্সে জন্ম নেওয়া এবং বর্তমানে স্পেনের ভিয়ারিয়ালের হয়ে খেলা ডিফেন্ডার লোগান কস্তাও দলে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। স্থানীয় ও প্রবাসী ফুটবলারদের সমন্বয়ে গড়া এই দলটি বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখিয়েছে। ১০ ম্যাচের মধ্যে সাতটিতে জয় পেয়েছে তারা। মাত্র একবার হেরেছে এবং আফ্রিকার শক্তিশালী দল ক্যামেরুনকে হারিয়ে বড় চমকও উপহার দিয়েছে। তবে বিশ্বকাপের মঞ্চে

বিশ্বকাপে রূপকথার স্বপ্ন দেখছে আফ্রিকার ৬ লাখ জনসংখ্যার দেশটি
পশ্চিম আফ্রিকার উপকূলের কাছে অবস্থিত ছোট্ট দ্বীপরাষ্ট্র কেপ ভার্দে। জনসংখ্যা মাত্র ছয় লাখেরও কম। অথচ এবার সেই দেশই জায়গা করে নিয়েছে ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে। ফুটবল বিশ্বের অনেকের কাছেই এটি বিস্ময়কর হলেও কেপ ভার্দের মানুষের কাছে এটি এক ঐতিহাসিক অর্জন। বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জনকারী দেশগুলোর মধ্যে জনসংখ্যার বিচারে কেপ ভার্দে ইতিহাসের তৃতীয় ক্ষুদ্রতম দেশ। এর আগে ২০১৮ সালে আইসল্যান্ড এবং ২০২৬ সালে এসে কুরাসাও এমন কীর্তি গড়েছে। ‘ব্লু শার্কস’ নামে পরিচিত কেপ ভার্দের জাতীয় দলে স্থানীয় ফুটবলারদের পাশাপাশি রয়েছেন প্রবাসী পরিবারে জন্ম নেওয়া অনেক তারকা। তাদের মধ্যে অন্যতম ডিফেন্ডার রবার্তো লোপেস, যিনি আয়ারল্যান্ডে জন্মেছেন। এছাড়া ফ্রান্সে জন্ম নেওয়া এবং বর্তমানে স্পেনের ভিয়ারিয়ালের হয়ে খেলা ডিফেন্ডার লোগান কস্তাও দলে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। স্থানীয় ও প্রবাসী ফুটবলারদের সমন্বয়ে গড়া এই দলটি বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখিয়েছে। ১০ ম্যাচের মধ্যে সাতটিতে জয় পেয়েছে তারা। মাত্র একবার হেরেছে এবং আফ্রিকার শক্তিশালী দল ক্যামেরুনকে হারিয়ে বড় চমকও উপহার দিয়েছে। তবে বিশ্বকাপের মঞ্চে তাদের জন্য অপেক্ষা করছে আরও কঠিন পরীক্ষা। ‘এইচ’ গ্রুপে কেপ ভার্দের প্রতিপক্ষ ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়ন স্পেন, দুইবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন উরুগুয়ে এবং সৌদি আরব। তবু আত্মবিশ্বাস হারাচ্ছেন না দেশটির সমর্থকরা। বিশ্বকাপকে ঘিরে কেপ ভার্দের বিভিন্ন শহরে এখন উৎসবের আমেজ। সাধারণত পর্যটক ও স্থানীয়দের ভিড়ে মুখর থাকা রেস্তোরাঁ, ক্যাফে ও বারগুলো এখন ফুটবল জ্বরে কাঁপছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow