বিশ্বকাপ জিতলেই ইংল্যান্ডে ঘোষণা হতে পারে জাতীয় ছুটি

২০২৬ বিশ্বকাপ জিততে পারলে ইংল্যান্ডজুড়ে জাতীয় ছুটি ঘোষণা করা হতে পারে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইংল্যান্ডের সম্ভাব্য বিশ্বকাপ জয়ের উদযাপনে দেশব্যাপী ছুটি ঘোষণার পরিকল্পনা করছেন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার। ১৯৬৬ সালের পর আর বিশ্বকাপ জিততে পারেনি ইংল্যান্ড। যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকায় অনুষ্ঠিত এবারের বিশ্বকাপে দলের দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের পরই এই উদ্যোগ নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে সরকার এখনই ছুটির নির্দিষ্ট তারিখ ঘোষণা করতে চায় না। কারণ, বিশ্বকাপ শেষ হওয়ার আগে এমন ঘোষণা দিলে তা দলের জন্য ‘অপয়া’ বা দুর্ভাগ্য বয়ে আনতে পারে এমন কুসংস্কার এড়িয়ে চলতেই এই সতর্কতা। এবারের বিশ্বকাপের ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে ১৯ জুলাই নিউ জার্সিতে। এর আগে, শনিবার কোয়ার্টার ফাইনালে নরওয়ের মুখোমুখি হবে থমাস টুখেলের শিষ্যরা। সেই ম্যাচে জয় পেলে সেমিফাইনালে উঠবে ইংল্যান্ড। এরপর শিরোপা জিততে পারলে সেটি হবে দেশটির ইতিহাসে মাত্র দ্বিতীয় বিশ্বকাপ। জাতীয় ছুটি ঘোষণার ভাবনাটি নতুন নয়। অতীতে বিভিন্ন দেশ বড় ক্রীড়া সাফল্যের পর জাতীয় ছুটি বা বিশেষ উদযাপনের আয়োজন করেছে। যদিও ১৯৬৬

বিশ্বকাপ জিতলেই ইংল্যান্ডে ঘোষণা হতে পারে জাতীয় ছুটি

২০২৬ বিশ্বকাপ জিততে পারলে ইংল্যান্ডজুড়ে জাতীয় ছুটি ঘোষণা করা হতে পারে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইংল্যান্ডের সম্ভাব্য বিশ্বকাপ জয়ের উদযাপনে দেশব্যাপী ছুটি ঘোষণার পরিকল্পনা করছেন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার।

১৯৬৬ সালের পর আর বিশ্বকাপ জিততে পারেনি ইংল্যান্ড। যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকায় অনুষ্ঠিত এবারের বিশ্বকাপে দলের দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের পরই এই উদ্যোগ নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।

তবে সরকার এখনই ছুটির নির্দিষ্ট তারিখ ঘোষণা করতে চায় না। কারণ, বিশ্বকাপ শেষ হওয়ার আগে এমন ঘোষণা দিলে তা দলের জন্য ‘অপয়া’ বা দুর্ভাগ্য বয়ে আনতে পারে এমন কুসংস্কার এড়িয়ে চলতেই এই সতর্কতা। এবারের বিশ্বকাপের ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে ১৯ জুলাই নিউ জার্সিতে।

এর আগে, শনিবার কোয়ার্টার ফাইনালে নরওয়ের মুখোমুখি হবে থমাস টুখেলের শিষ্যরা। সেই ম্যাচে জয় পেলে সেমিফাইনালে উঠবে ইংল্যান্ড। এরপর শিরোপা জিততে পারলে সেটি হবে দেশটির ইতিহাসে মাত্র দ্বিতীয় বিশ্বকাপ।

জাতীয় ছুটি ঘোষণার ভাবনাটি নতুন নয়। অতীতে বিভিন্ন দেশ বড় ক্রীড়া সাফল্যের পর জাতীয় ছুটি বা বিশেষ উদযাপনের আয়োজন করেছে। যদিও ১৯৬৬ সালে ইংল্যান্ড প্রথম ও একমাত্রবার বিশ্বকাপ জেতার পর কোনো সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়নি, তবু চ্যাম্পিয়ন দলকে স্বাগত জানাতে লাখো মানুষ রাস্তায় নেমে এসেছিল।

প্রায় ৬০ বছর পর আবারও বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্নে বিভোর ইংল্যান্ড। সেই স্বপ্ন পূরণ হলে এবার ইতিহাসের সঙ্গে যোগ হতে পারে আরেকটি নতুন অধ্যায়, বিশ্বকাপ উদযাপনে জাতীয় ছুটি।

আরআর/আইএন

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow