বিশ্বকে ‘মুক্ত’ করতে এবার একজোট ২ পারমাণবিক শক্তিধর দেশ
আন্তর্জাতিক অঙ্গনে একটি স্থিতিশীল শক্তি হিসেবে রাশিয়া ও চীন একসঙ্গে কাজ করছে বলে মন্তব্য করেছেন রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র Maria Zakharova। মঙ্গলবার (১৫ এপ্রিল) স্পুটনিক রেডিওকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, দুই দেশ তাদের সক্ষমতা ও সম্পদ একত্রিত করে বৈশ্বিক সংকট থেকে বিশ্বকে “মুক্ত” করার লক্ষ্যে কাজ করছে। জাখারোভা উল্লেখ করেন, রাশিয়া ও চীন- দুটি বড় সভ্যতা, দুটি পারমাণবিক শক্তিধর দেশ এবং United Nations Security Council-এর স্থায়ী সদস্য হিসেবে আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। তাদের ভূরাজনৈতিক অবস্থান, জনসংখ্যা ও সম্পদের দিক থেকেও প্রভাব ব্যাপক। তিনি আরও বলেন, মস্কো ও বেইজিং কোনো অঞ্চল ভাগাভাগির রাজনীতিতে বিশ্বাস করে না; বরং তারা বৈশ্বিক স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠায় মনোযোগী। “কোন সভ্যতা কোন অঞ্চল নিয়ন্ত্রণ করবে—এ নিয়ে বিতর্ক নয়, বরং আন্তর্জাতিক সম্পর্ককে স্থিতিশীল করা—এটাই হওয়া উচিত মূল লক্ষ্য,” বলেন তিনি। এর আগে ১৪ এপ্রিল রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী Sergey Lavrov চীন সফর করেন। সফরকালে তিনি চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই এবং দেশটির প্রেসিডেন্ট Xi Jinping-এ
আন্তর্জাতিক অঙ্গনে একটি স্থিতিশীল শক্তি হিসেবে রাশিয়া ও চীন একসঙ্গে কাজ করছে বলে মন্তব্য করেছেন রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র Maria Zakharova।
মঙ্গলবার (১৫ এপ্রিল) স্পুটনিক রেডিওকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, দুই দেশ তাদের সক্ষমতা ও সম্পদ একত্রিত করে বৈশ্বিক সংকট থেকে বিশ্বকে “মুক্ত” করার লক্ষ্যে কাজ করছে।
জাখারোভা উল্লেখ করেন, রাশিয়া ও চীন- দুটি বড় সভ্যতা, দুটি পারমাণবিক শক্তিধর দেশ এবং United Nations Security Council-এর স্থায়ী সদস্য হিসেবে আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। তাদের ভূরাজনৈতিক অবস্থান, জনসংখ্যা ও সম্পদের দিক থেকেও প্রভাব ব্যাপক।
তিনি আরও বলেন, মস্কো ও বেইজিং কোনো অঞ্চল ভাগাভাগির রাজনীতিতে বিশ্বাস করে না; বরং তারা বৈশ্বিক স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠায় মনোযোগী। “কোন সভ্যতা কোন অঞ্চল নিয়ন্ত্রণ করবে—এ নিয়ে বিতর্ক নয়, বরং আন্তর্জাতিক সম্পর্ককে স্থিতিশীল করা—এটাই হওয়া উচিত মূল লক্ষ্য,” বলেন তিনি।
এর আগে ১৪ এপ্রিল রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী Sergey Lavrov চীন সফর করেন। সফরকালে তিনি চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই এবং দেশটির প্রেসিডেন্ট Xi Jinping-এর সঙ্গে বৈঠক করেন।
বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান বৈশ্বিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে রাশিয়া-চীনের ঘনিষ্ঠতা আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে নতুন ভারসাম্য তৈরি করতে পারে।
What's Your Reaction?