বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটির স্থাপত্য বিভাগের সাফল্য

মেক্সিকোর ন্যাশনাল অটোনোমাস ইউনিভার্সিটি (UNAM)-এর স্থাপত্য অনুষদ এবং লুইস ব্যারাগান ওয়ার্কশপের যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক স্থাপত্য প্রতিযোগিতা ‘XXIX Plastic Spatial Encounter 2026’-এ উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছেন বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটির স্থাপত্য বিভাগের শিক্ষার্থীরা। প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটির প্রতিনিধিত্বকারী দুটি দলই সম্মানজনক স্বীকৃতি লাভ করে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করেছে। স্থাপত্য বিভাগের ‘স্টুডিও ১.২’ (৪২তম ব্যাচ)-এর শিক্ষার্থীদের দল ‘Edge of Eternity’ প্রকল্পের জন্য দ্বিতীয় স্থান অর্জন করে। বিজয়ী দলের সদস্যরা হলেন মো. হাসিন আলমাস হিমেল, তাসনিম এবং শাশ্বতী ঘরামী। অন্যদিকে ‘The Living Cube’ প্রকল্পের জন্য প্রথম সম্মাননা (First Honorable Mention) পুরস্কার অর্জন করেছে মোসাদ্দিক চৌধুরী, এইচ. এম. হাদী এবং ইশরাত জাহান সামিয়ার দল। বিশ্বমঞ্চে এই সাফল্যের পেছনে শিক্ষার্থীদের মেধা, সৃজনশীলতা ও কঠোর পরিশ্রমের পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন তাদের মেন্টররা। বিজয়ী দলগুলোকে দিকনির্দেশনা দিয়েছেন টিম অ্যাডভাইজর এমা ইশরাত এবং এস. এম. আহাদুল ইসলাম। এ ছ

বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটির স্থাপত্য বিভাগের সাফল্য
মেক্সিকোর ন্যাশনাল অটোনোমাস ইউনিভার্সিটি (UNAM)-এর স্থাপত্য অনুষদ এবং লুইস ব্যারাগান ওয়ার্কশপের যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক স্থাপত্য প্রতিযোগিতা ‘XXIX Plastic Spatial Encounter 2026’-এ উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছেন বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটির স্থাপত্য বিভাগের শিক্ষার্থীরা। প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটির প্রতিনিধিত্বকারী দুটি দলই সম্মানজনক স্বীকৃতি লাভ করে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করেছে। স্থাপত্য বিভাগের ‘স্টুডিও ১.২’ (৪২তম ব্যাচ)-এর শিক্ষার্থীদের দল ‘Edge of Eternity’ প্রকল্পের জন্য দ্বিতীয় স্থান অর্জন করে। বিজয়ী দলের সদস্যরা হলেন মো. হাসিন আলমাস হিমেল, তাসনিম এবং শাশ্বতী ঘরামী। অন্যদিকে ‘The Living Cube’ প্রকল্পের জন্য প্রথম সম্মাননা (First Honorable Mention) পুরস্কার অর্জন করেছে মোসাদ্দিক চৌধুরী, এইচ. এম. হাদী এবং ইশরাত জাহান সামিয়ার দল। বিশ্বমঞ্চে এই সাফল্যের পেছনে শিক্ষার্থীদের মেধা, সৃজনশীলতা ও কঠোর পরিশ্রমের পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন তাদের মেন্টররা। বিজয়ী দলগুলোকে দিকনির্দেশনা দিয়েছেন টিম অ্যাডভাইজর এমা ইশরাত এবং এস. এম. আহাদুল ইসলাম। এ ছাড়া সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন স্টুডিও শিক্ষক আর্কিটেক্ট শেখ ইতমাম সৌদ, আর্কিটেক্ট মিনহাল আহমেদ এবং আর্কিটেক্ট আরিফ মাহতাব কবির। এটি বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটির জন্য নতুন কোনো অর্জন নয়। এর আগে ২০২৪ সালের একই প্রতিযোগিতায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা তৃতীয় স্থান এবং দুটি কমেন্ডেশন অ্যাওয়ার্ড অর্জন করে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে নিজেদের দক্ষতার স্বাক্ষর রেখেছিল। শিক্ষার্থীদের এ সাফল্যে বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটির বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান কাজী জামিল আজহার, বিওটি সদস্য স্থপতি ইকবাল হাবিব এবং উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম বিজয়ী শিক্ষার্থী, মেন্টর ও শিক্ষকদের অভিনন্দন জানিয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এক অভিনন্দন বার্তায় জানায়, এই ধারাবাহিক অর্জন প্রমাণ করে যে বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীরা মেধা, সৃজনশীলতা এবং আন্তর্জাতিক মানের স্থাপত্য শিক্ষার ক্ষেত্রে সঠিক পথেই এগিয়ে যাচ্ছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow