বিসিবির অ্যাডহক কমিটির নারী সদস্য কে এই রাশনা ইমাম

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) নবগঠিত ১১ সদস্যের অ্যাডহক কমিটিতে একমাত্র নারী সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন ব্যারিস্টার রাশনা ইমাম। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) ঘোষিত এই কমিটির মূল লক্ষ্য হলো আগামী তিন মাসের মধ্যে একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে বোর্ডের নতুন নেতৃত্ব নিশ্চিত করা। এই অন্তর্বর্তীকালীন সময়ে বোর্ড পরিচালনার গুরুদায়িত্ব পালন করবেন এই কমিটির সদস্যরা, যেখানে রাশনা ইমামের উপস্থিতি ক্রীড়াঙ্গনে নারীর অংশগ্রহণ এবং আইনি স্বচ্ছতা নিশ্চিতে নতুন মাত্রা যোগ করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। পেশাগত জীবনে ব্যারিস্টার রাশনা ইমাম সুপ্রিম কোর্টের একজন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এবং স্বনামধন্য ল’ ফার্ম ‘আখতার ইমাম অ্যান্ড অ্যাসোসিয়েটস’-এর ম্যানেজিং পার্টনার। প্রখ্যাত আইনজীবী ব্যারিস্টার আখতার ইমামের কন্যা রাশনা অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করেছেন এবং ২০০২ সালে লন্ডন থেকে ব্যারিস্টারি সম্পন্ন করেন। আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে তার কাজের অভিজ্ঞতা অত্যন্ত সমৃদ্ধ; তিনি বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় ল’ ফার্ম ‘বেকার অ্যান্ড মেকাঞ্জি’-র লন্ডন অফিসে কোম্পানি এবং বাণিজ্যিক আইন বিশেষজ্ঞ হিসেবে কাজ করেছেন। বিশ্বখ্যাত মিত

বিসিবির অ্যাডহক কমিটির নারী সদস্য কে এই রাশনা ইমাম
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) নবগঠিত ১১ সদস্যের অ্যাডহক কমিটিতে একমাত্র নারী সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন ব্যারিস্টার রাশনা ইমাম। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) ঘোষিত এই কমিটির মূল লক্ষ্য হলো আগামী তিন মাসের মধ্যে একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে বোর্ডের নতুন নেতৃত্ব নিশ্চিত করা। এই অন্তর্বর্তীকালীন সময়ে বোর্ড পরিচালনার গুরুদায়িত্ব পালন করবেন এই কমিটির সদস্যরা, যেখানে রাশনা ইমামের উপস্থিতি ক্রীড়াঙ্গনে নারীর অংশগ্রহণ এবং আইনি স্বচ্ছতা নিশ্চিতে নতুন মাত্রা যোগ করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। পেশাগত জীবনে ব্যারিস্টার রাশনা ইমাম সুপ্রিম কোর্টের একজন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এবং স্বনামধন্য ল’ ফার্ম ‘আখতার ইমাম অ্যান্ড অ্যাসোসিয়েটস’-এর ম্যানেজিং পার্টনার। প্রখ্যাত আইনজীবী ব্যারিস্টার আখতার ইমামের কন্যা রাশনা অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করেছেন এবং ২০০২ সালে লন্ডন থেকে ব্যারিস্টারি সম্পন্ন করেন। আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে তার কাজের অভিজ্ঞতা অত্যন্ত সমৃদ্ধ; তিনি বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় ল’ ফার্ম ‘বেকার অ্যান্ড মেকাঞ্জি’-র লন্ডন অফিসে কোম্পানি এবং বাণিজ্যিক আইন বিশেষজ্ঞ হিসেবে কাজ করেছেন। বিশ্বখ্যাত মিত্তাল গ্রুপ এবং শিন্ডার ইলেকট্রিক কোম্পানিকে আইনি প্রতিনিধিত্ব করার অভিজ্ঞতাও রয়েছে তার ঝুলিতে। সামাজিক কর্মকাণ্ড এবং জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট মামলায় সাফল্যের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি ২০১৮ সালে বাংলাদেশ থেকে ‘এশিয়া ইয়াং লিডার’ হিসেবে মনোনীত হন। বর্তমানে তিনি দেশের বড় বড় শিল্পগোষ্ঠী ও বহুজাতিক কোম্পানিকে নিয়মিত আইনি পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছেন। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি এনডিএম চেয়ারম্যান ও বর্তমান শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজের স্ত্রী। বিসিবি-র নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে তার অন্তর্ভুক্তি দেশের নারী ক্রিকেটের মানোন্নয়ন এবং বোর্ডের কাঠামোগত স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে কার্যকরী ভূমিকা রাখবে বলে ক্রীড়া সংশ্লিষ্টরা প্রত্যাশা করছেন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow