বিয়ের দাবিতে অনশনে ৫ সন্তানের জননী, যুবক পলাতক

জামালপুরের মাদারগঞ্জে বিয়ের দাবিতে পটুয়াখালী থেকে এসে অনশন করছেন এক নারী। সোমবার (১৩ এপ্রিল) বিকেল থেকে উপজেলার আদারভিটা ইউনিয়নের বাঁশদাইড় এলাকায় কাজল নামে এক যুবকের বাড়িতে ওই নারী অনশন শুরু করেন। ঘটনার পর পুরো পরিবারসহ পালিয়েছেন যুবক কাজল। অনশনকারী নারী চম্পা (৪১) পটুয়াখালী জেলার রানাগাছা এলাকার সানু মিয়া (৭০) এর বড় মেয়ে। মুন্সিগঞ্জ জেলার সিরাজদিখান থানার দোসরপাড়া এলাকার আবু তালেব (৫০) এর সঙ্গে তার বিয়ে হয়েছিল। পলাতক কাজল (২২) মাদারগঞ্জ উপজেলার আদারভিটা ইউনিয়নের বাঁশদাইড় এলাকার আহসান আলীর ছেলে। চম্পা বলেন, মুন্সিগঞ্জে আমার বিয়ে হয়েছিল। কাজলের সঙ্গে সম্পর্ক হওয়ার পরই ডিভোর্স হয়ে গেছে। ওই দিকে পাঁচ ছেলে-মেয়ে আছে। ওরা ওদের বাবার কাছে থাকে। চার বছর থেকে কাজলের সঙ্গে মোবাইলে সম্পর্ক। আমাকে মোবাইলে কবুল বলে বিয়েও করেছে। কিন্তু কাবিন হয়নি। আমি কাজলকে বারবার বলেছি, তুমি অবিবাহিত আর আমি বিবাহিত, আমি তোমার থেকে বয়সেও বড়, আমার বাচ্চা আছে। পরে তুমি আমাকে ভুলে যাবা। কিন্তু কাজল আমার কথা শুনেনি। কাজল বলেছে, আমি জেনেশুনেই তোমার সঙ্গে সম্পর্ক করেছি। কাজল আমাকে চার বছর ধরে সংসার করার আশা দিয়েছে। আম

বিয়ের দাবিতে অনশনে ৫ সন্তানের জননী, যুবক পলাতক

জামালপুরের মাদারগঞ্জে বিয়ের দাবিতে পটুয়াখালী থেকে এসে অনশন করছেন এক নারী। সোমবার (১৩ এপ্রিল) বিকেল থেকে উপজেলার আদারভিটা ইউনিয়নের বাঁশদাইড় এলাকায় কাজল নামে এক যুবকের বাড়িতে ওই নারী অনশন শুরু করেন। ঘটনার পর পুরো পরিবারসহ পালিয়েছেন যুবক কাজল।

অনশনকারী নারী চম্পা (৪১) পটুয়াখালী জেলার রানাগাছা এলাকার সানু মিয়া (৭০) এর বড় মেয়ে। মুন্সিগঞ্জ জেলার সিরাজদিখান থানার দোসরপাড়া এলাকার আবু তালেব (৫০) এর সঙ্গে তার বিয়ে হয়েছিল।

পলাতক কাজল (২২) মাদারগঞ্জ উপজেলার আদারভিটা ইউনিয়নের বাঁশদাইড় এলাকার আহসান আলীর ছেলে।

চম্পা বলেন, মুন্সিগঞ্জে আমার বিয়ে হয়েছিল। কাজলের সঙ্গে সম্পর্ক হওয়ার পরই ডিভোর্স হয়ে গেছে। ওই দিকে পাঁচ ছেলে-মেয়ে আছে। ওরা ওদের বাবার কাছে থাকে। চার বছর থেকে কাজলের সঙ্গে মোবাইলে সম্পর্ক। আমাকে মোবাইলে কবুল বলে বিয়েও করেছে। কিন্তু কাবিন হয়নি। আমি কাজলকে বারবার বলেছি, তুমি অবিবাহিত আর আমি বিবাহিত, আমি তোমার থেকে বয়সেও বড়, আমার বাচ্চা আছে। পরে তুমি আমাকে ভুলে যাবা। কিন্তু কাজল আমার কথা শুনেনি। কাজল বলেছে, আমি জেনেশুনেই তোমার সঙ্গে সম্পর্ক করেছি। কাজল আমাকে চার বছর ধরে সংসার করার আশা দিয়েছে। আমি এর আগেও এখানে এসেছিলাম, আবার চলেও গেছি। কিন্তু এ মাসের ৯ তারিখ আবার কাজল আমাকে কল দিয়ে আসতে বলেছে। এখন এসে দেখি সে পালিয়েছে। এবার আমি বিয়ে না করে যাবো না। আমি ওর সঙ্গে সংসার করতে চাই।

বিষয়টি নিশ্চিত করে আদারভিটা ইউনিয়ন পরিষদের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য সুজন পারভেজ বলেন, আমার এলাকায় মেয়েটি এসেছে, এটা সত্য। এখন দোষ তো ছেলেরও আছে। তা না হলে তো মেয়েটি এত দূর থেকে আসতো না। এখন দেখি, ছেলের পরিবারে লোকজন নিয়ে বসে যদি বিয়ে করানো সম্ভব হয় বিয়ে করিয়ে দেব।

মাদারগঞ্জ থানার ওসি খন্দকার শাকের আহমেদ কালবেলাকে বলেন, এ বিষয়ে এখনো আমি কিছু শুনিনি। আপনার মাধম্যেই বিষয়টি জানতে পেলাম।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow