বিয়ের দাবিতে পানির ট্যাঙ্কে উঠে সিনেমেটিক কাণ্ড ঘটালেন যুবক
ভারতের পশ্চিমবঙ্গে সম্প্রতি ঘটে গেছে এক নাটকীয় ঘটনা। রাজ্যের পুরুলিয়া জেলায় বিয়ের দাবিতে পানির ট্যাঙ্কে উঠে আত্মহত্যার হুমকি দিয়েছেন এক যুবক। এ ঘটনা পুরো এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্যের জন্ম দিয়েছে। তবে দীর্ঘ চেষ্টার পর ওই যুবককে নিচে নামাতে পেরেছে স্থানীয় পুলিশ ও দমকলকর্মীরা।
পুরুলিয়া শহরের দুমলি এলাকায় রোববার (১২ এপ্রিল) এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয়রা দেখেন, একটি উঁচু পানির ট্যাঙ্কে উঠে চিৎকার করছেন এক যুবক। পরে তাকে নামতে বলা হলে সে জানায়, তাকে বিয়ে দেওয়া না হলে সে নামবে না এবং আত্মহত্যার হুমকি দেয়।
২২ বছর বয়সী ওই যুবকের নাম আব্বাস আনসারী। তিনি পুরুলিয়া থানার রামপুর গ্রামের বাসিন্দা। তার পরিবারের সদস্যদের বরাতে জানা যায়, গত কিছুদিন ধরেই বিয়ে করতে চাচ্ছিলেন আব্বাস। বাড়ির সবাইকে বারবার চাপ দিচ্ছিলেন বিয়ের জন্য।
ঘটনার দিন রোববার সকালে কাউকে কিছু না জানিয়েই তিনি দুলমি এলাকায় গিয়ে পানির ট্যাঙ্কে উঠে পড়েন। পরে ঘটনাটি জানাজানি হলে গ্রামের বাসিন্দারা ভিড় জমান। এরপর ঘটনাস্থলে আসে পুরুলিয়া সদর থানার পুলিশ ও স্থানীয় দমকলবাহিনী।
নিচে দাঁড়িয়ে আব্বাসের বাবা হাবিব আনসারীও চেষ্টা করতে থাকেন ছেলেকে নামানোর। তিনি
ভারতের পশ্চিমবঙ্গে সম্প্রতি ঘটে গেছে এক নাটকীয় ঘটনা। রাজ্যের পুরুলিয়া জেলায় বিয়ের দাবিতে পানির ট্যাঙ্কে উঠে আত্মহত্যার হুমকি দিয়েছেন এক যুবক। এ ঘটনা পুরো এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্যের জন্ম দিয়েছে। তবে দীর্ঘ চেষ্টার পর ওই যুবককে নিচে নামাতে পেরেছে স্থানীয় পুলিশ ও দমকলকর্মীরা।
পুরুলিয়া শহরের দুমলি এলাকায় রোববার (১২ এপ্রিল) এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয়রা দেখেন, একটি উঁচু পানির ট্যাঙ্কে উঠে চিৎকার করছেন এক যুবক। পরে তাকে নামতে বলা হলে সে জানায়, তাকে বিয়ে দেওয়া না হলে সে নামবে না এবং আত্মহত্যার হুমকি দেয়।
২২ বছর বয়সী ওই যুবকের নাম আব্বাস আনসারী। তিনি পুরুলিয়া থানার রামপুর গ্রামের বাসিন্দা। তার পরিবারের সদস্যদের বরাতে জানা যায়, গত কিছুদিন ধরেই বিয়ে করতে চাচ্ছিলেন আব্বাস। বাড়ির সবাইকে বারবার চাপ দিচ্ছিলেন বিয়ের জন্য।
ঘটনার দিন রোববার সকালে কাউকে কিছু না জানিয়েই তিনি দুলমি এলাকায় গিয়ে পানির ট্যাঙ্কে উঠে পড়েন। পরে ঘটনাটি জানাজানি হলে গ্রামের বাসিন্দারা ভিড় জমান। এরপর ঘটনাস্থলে আসে পুরুলিয়া সদর থানার পুলিশ ও স্থানীয় দমকলবাহিনী।
নিচে দাঁড়িয়ে আব্বাসের বাবা হাবিব আনসারীও চেষ্টা করতে থাকেন ছেলেকে নামানোর। তিনি বলেন, ‘ও (আব্বাস) বিয়ে করতে চেয়েছিল। পরিবারের সবারও সম্মতি ছিল তাতে। কিন্তু আজ সকালে হঠাৎই খবর পাই ছেলে এ কাজ করে বসে আছে।’
এরপর অনেকক্ষণ ধরে চলে আব্বাসকে বুঝিয়ে নামানোর চেষ্টা। পরিবার, গ্রামবাসী ও পুলিশ প্রশাসন কারও কথা মানতে চাচ্ছিলেন না তিনি। দীর্ঘ প্রচেষ্টার পর তাকে সবাই মিলে বুঝিয়ে এবং বিয়ের নিশ্চয়তা দিয়ে নিচে নামিয়ে আনতে সফল হয়।