বিয়ের দুই মাসের মাথায় স্বামীর মৃত্যু, স্ত্রী কারাগারে, ঘটকও প্রাণ হারালেন

ভারতের কর্ণাটকে বিয়ের মাত্র দুই মাসের মাথায় এক দম্পতির জীবনে নেমে এসেছে চরম ট্র্যাজেডি। স্বামী হরিশের মৃত্যু হয়েছে, আর স্ত্রী সরস্বতী রয়েছেন আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলায় কারাগারে। একই ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন বিয়ের ঘটক ও সরস্বতীর কাকাও। পুলিশের বরাতে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ২৩ জানুয়ারি সরস্বতী বাড়ি থেকে বেরিয়ে মন্দিরে যাচ্ছেন বলে জানান। পরে তিনি আর ফেরেননি। এতে তার পরিবার নিখোঁজের অভিযোগ করে। তদন্তে উঠে আসে, সরস্বতী তার প্রেমিক শিবকুমারের সঙ্গে পালিয়ে গেছেন। ঘটনাটি জানার পর ৩০ বছর বয়সী হরিশ একটি সুইসাইড নোট রেখে আত্মহত্যা করেন। নোটে তিনি কয়েকজনকে দায়ী করেছেন বলে পুলিশ জানিয়েছে। হরিশের মৃত্যুর খবর সহ্য করতে না পেরে ৩৬ বছর বয়সী রুদ্রেশও মারা যান। রুদ্রেশ ছিলেন এই বিয়ের ঘটক এবং একই সঙ্গে সরস্বতীর কাকা। প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, বিয়ের আগে সরস্বতীর সঙ্গে অন্য একজনের সম্পর্ক ছিল এবং বিষয়টি হরিশ জানতেন। পুলিশ সূত্র বলছে, হরিশ নিজেই সরস্বতীর পরিবারকে রাজি করিয়ে বিয়েটি করেছিলেন। রুদ্রেশ এই বিয়ের ব্যবস্থা করেন। দাভানগেরে জেলার পুলিশ সুপার উমা প্রশান্ত বলেন, দাভানগেরে

বিয়ের দুই মাসের মাথায় স্বামীর মৃত্যু, স্ত্রী কারাগারে, ঘটকও প্রাণ হারালেন
ভারতের কর্ণাটকে বিয়ের মাত্র দুই মাসের মাথায় এক দম্পতির জীবনে নেমে এসেছে চরম ট্র্যাজেডি। স্বামী হরিশের মৃত্যু হয়েছে, আর স্ত্রী সরস্বতী রয়েছেন আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলায় কারাগারে। একই ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন বিয়ের ঘটক ও সরস্বতীর কাকাও। পুলিশের বরাতে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ২৩ জানুয়ারি সরস্বতী বাড়ি থেকে বেরিয়ে মন্দিরে যাচ্ছেন বলে জানান। পরে তিনি আর ফেরেননি। এতে তার পরিবার নিখোঁজের অভিযোগ করে। তদন্তে উঠে আসে, সরস্বতী তার প্রেমিক শিবকুমারের সঙ্গে পালিয়ে গেছেন। ঘটনাটি জানার পর ৩০ বছর বয়সী হরিশ একটি সুইসাইড নোট রেখে আত্মহত্যা করেন। নোটে তিনি কয়েকজনকে দায়ী করেছেন বলে পুলিশ জানিয়েছে। হরিশের মৃত্যুর খবর সহ্য করতে না পেরে ৩৬ বছর বয়সী রুদ্রেশও মারা যান। রুদ্রেশ ছিলেন এই বিয়ের ঘটক এবং একই সঙ্গে সরস্বতীর কাকা। প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, বিয়ের আগে সরস্বতীর সঙ্গে অন্য একজনের সম্পর্ক ছিল এবং বিষয়টি হরিশ জানতেন। পুলিশ সূত্র বলছে, হরিশ নিজেই সরস্বতীর পরিবারকে রাজি করিয়ে বিয়েটি করেছিলেন। রুদ্রেশ এই বিয়ের ব্যবস্থা করেন। দাভানগেরে জেলার পুলিশ সুপার উমা প্রশান্ত বলেন, দাভানগেরে গ্রামীণ থানার আওতায় বিদ্যমান আইন অনুযায়ী দুটি মামলা হয়েছে। দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। উভয় পক্ষ থেকেই অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে এবং তদন্ত শুরু হয়েছে। পুলিশের ভাষ্য, মানসিক চাপ থেকেই দুই ব্যক্তি মারা গেছেন। ঘটনার বিস্তারিত জানতে তদন্ত চলছে। যারাই দোষী সাব্যস্ত হবেন তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow