বু'দ্ধিপ্রতিবন্ধীকে ধর্ষ'ণের ঘটনায় ধর্ষককে জুতা পেটা করে মিমাংসার চেষ্টা

টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ধোপাকান্দি ইউনিয়নের সুজনবাড়ী গ্রামের এক বু'দ্ধিপ্রতি'বন্ধী নারী ধ'র্ষণের শিকার হয়েছেন। গ্রাম্য সালিশে ধ'র্ষককে জুতো পেটা এবং জরিমানা করে ঘটনা ধামাচাপা দেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ধর্ষ'ণের খবরটি নিশ্চিত করেন গোপালপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ খায়রুল ইসলাম। গ্রামবাসিরা জানান, ভিক্টিম একজন বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী। গত বৃহস্পতিবার বিকালে বাড়ির সংলগ্ন বোরো খেতে কাজে গেলে একই গ্রামের মালয়েশিয়া প্রবাসী একাব্বর আলী (৫৩) ফুসলিয়ে জঙ্গলে নিয়ে ধ'র্ষণ করে। ভিক্টিম কান্নাকাটি শুরু করলে পড়শিরা উদ্ধার করে বাড়ি নিয়ে আসে। ভিক্টিমের চাচী আনোয়ারা বেগম জানান, ভিক্টিম বাল্যে বাবা হারিয়েছেন মা ও ভাই বু'দ্ধি প্রতি'বন্ধী। গ্রাম্য মাতব্বরগন ঘটনার পর থানা বা হাসপাতালে যেতে বাধা দেন। এমতাবস্থায় গত রাতে ধর্ষ'কের ছোট ভাই শাহজাহান মিয়ার বাড়িতে সালিশী বৈঠক বসে। সেখানে ধ'র্ষক ও ধর্ষি'তাকে পাশাপাশি বসিয়ে বহু মানুষের সামনে ভিক্টিমকে ধ'র্ষণের বর্ননা দিতে বলা হয়। লজ্জা ও ভয় ভীতির কারণে ভিক্টিম কথা বলতে সংকোচবোধ করলে মাতব্বরগন তাকে ধমকাতে থাকেন। এক পর্যায়ে আপোষরফার জন্য চাপ দেন। এরপ

বু'দ্ধিপ্রতিবন্ধীকে ধর্ষ'ণের ঘটনায় ধর্ষককে জুতা পেটা করে মিমাংসার চেষ্টা

টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ধোপাকান্দি ইউনিয়নের সুজনবাড়ী গ্রামের এক বু'দ্ধিপ্রতি'বন্ধী নারী ধ'র্ষণের শিকার হয়েছেন। গ্রাম্য সালিশে ধ'র্ষককে জুতো পেটা এবং জরিমানা করে ঘটনা ধামাচাপা দেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ধর্ষ'ণের খবরটি নিশ্চিত করেন গোপালপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ খায়রুল ইসলাম।

গ্রামবাসিরা জানান, ভিক্টিম একজন বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী। গত বৃহস্পতিবার বিকালে বাড়ির সংলগ্ন বোরো খেতে কাজে গেলে একই গ্রামের মালয়েশিয়া প্রবাসী একাব্বর আলী (৫৩) ফুসলিয়ে জঙ্গলে নিয়ে ধ'র্ষণ করে। ভিক্টিম কান্নাকাটি শুরু করলে পড়শিরা উদ্ধার করে বাড়ি নিয়ে আসে।

ভিক্টিমের চাচী আনোয়ারা বেগম জানান, ভিক্টিম বাল্যে বাবা হারিয়েছেন মা ও ভাই বু'দ্ধি প্রতি'বন্ধী। গ্রাম্য মাতব্বরগন ঘটনার পর থানা বা হাসপাতালে যেতে বাধা দেন। এমতাবস্থায় গত রাতে ধর্ষ'কের ছোট ভাই শাহজাহান মিয়ার বাড়িতে সালিশী বৈঠক বসে। সেখানে ধ'র্ষক ও ধর্ষি'তাকে পাশাপাশি বসিয়ে বহু মানুষের সামনে ভিক্টিমকে ধ'র্ষণের বর্ননা দিতে বলা হয়। লজ্জা ও ভয় ভীতির কারণে ভিক্টিম কথা বলতে সংকোচবোধ করলে মাতব্বরগন তাকে ধমকাতে থাকেন। এক পর্যায়ে আপোষরফার জন্য চাপ দেন। এরপর ধ'র্ষককে জুতো পেটা ও ৫০ হাজার জরিমানা করা হয়। অভিযোগ নিস্পত্তি হয়ে গেছে বলে ভিক্টিমের পরিবারকে আর আইনের আশ্রয় না নিতে নির্দেশ দেয়া হয়।

খবরটি স্থানীয় সংবাদকর্মীদের নজরে এলে আজ শুক্রবার ওই গ্রামে যান এবং ভিক্টিমের আত্মীয়স্বজনের মাধ্যমে গোপালপুর উপজেলা হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠান। সেখানে ডাক্তাররা প্রাথমিক পরীক্ষানিরীক্ষায় ধ'র্ষণের আলামত পাওয়ায় আজ শুক্রবার বিকালে ভিক্টিমকে ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে রেফার্ড করেন।

গোপালপুর থানার ওসি আনোয়ার হোসেন জানান, তিনি ধ'র্ষণের খবরটি লোকমুখে শুনেছেন। তবে কেউ থানায় অভিযোগ দিতে আসে নাই। ধর্ষ'ককে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow