বুদ্ধিপ্রতিবন্ধীর শরীরে গরম পানি ঢেলে ঝলসে দিলেন আ.লীগ নেতা
ফরিদপুরে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এক বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী যুবককে ফুটন্ত গরম পানিতে ঝলসে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে আক্তার হোসেন খালাসি নামে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের এক নেতার বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) বিকেলে জেলার বোয়ালমারী উপজেলার সহস্রাইল বাজারের একটি চায়ের দোকানে এ ঘটনা ঘটে।
দগ্ধ সোহেল মোল্লা (২৫) জেলার আলফাডাঙ্গা উপজেলার বুড়াইচ ইউনিয়নের ফলিয়া গ্রামের দিনমজুর শাহজাহান মোল্লার ছেলে। তিনি একজন ভাতাপ্রাপ্ত বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী। আর অভিযুক্ত আক্তার হোসেন একই গ্রামের বাসিন্দা। তিনি সাবেক পুলিশ সদস্য ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য।
সরেজমিনে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী সোহেল আচমকা আক্তার হোসেনকে পেছন থেকে জড়িয়ে ধরেন। একপর্যায়ে তাকে ছাড়াতে গেলে পরিস্থিতি উত্তেজনাকর হয়ে ওঠে।
চায়ের দোকানদার বাবলু বলেন, সোহেল প্রথমে খালাসির পাঞ্জাবিতে হাত দেন এবং টানাটানি করেন। তাকে ছাড়াতে গেলে তিনি খালাসির গলা ধরেন। এসময় সোহেলকে ছাড়াতে আক্তার খালাসি চায়ের কেটলি দিয়ে আঘাত করেন। এতে কেটলির গরম পানি তার শরীরে পড়ে বুক থেকে পায়ের অংশ পর্যন্ত ঝলসে যায়।
ঘটনার পর স্থ
ফরিদপুরে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এক বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী যুবককে ফুটন্ত গরম পানিতে ঝলসে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে আক্তার হোসেন খালাসি নামে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের এক নেতার বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) বিকেলে জেলার বোয়ালমারী উপজেলার সহস্রাইল বাজারের একটি চায়ের দোকানে এ ঘটনা ঘটে।
দগ্ধ সোহেল মোল্লা (২৫) জেলার আলফাডাঙ্গা উপজেলার বুড়াইচ ইউনিয়নের ফলিয়া গ্রামের দিনমজুর শাহজাহান মোল্লার ছেলে। তিনি একজন ভাতাপ্রাপ্ত বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী। আর অভিযুক্ত আক্তার হোসেন একই গ্রামের বাসিন্দা। তিনি সাবেক পুলিশ সদস্য ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য।
সরেজমিনে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী সোহেল আচমকা আক্তার হোসেনকে পেছন থেকে জড়িয়ে ধরেন। একপর্যায়ে তাকে ছাড়াতে গেলে পরিস্থিতি উত্তেজনাকর হয়ে ওঠে।
চায়ের দোকানদার বাবলু বলেন, সোহেল প্রথমে খালাসির পাঞ্জাবিতে হাত দেন এবং টানাটানি করেন। তাকে ছাড়াতে গেলে তিনি খালাসির গলা ধরেন। এসময় সোহেলকে ছাড়াতে আক্তার খালাসি চায়ের কেটলি দিয়ে আঘাত করেন। এতে কেটলির গরম পানি তার শরীরে পড়ে বুক থেকে পায়ের অংশ পর্যন্ত ঝলসে যায়।
ঘটনার পর স্থানীয়রা সোহেলকে আলফাডাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় নেওয়ার পরামর্শ দেন চিকিৎসকরা।
স্বজনদের অভিযোগ, এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইচ্ছাকৃতভাবে গরম পানি ঢেলে দেওয়া হয়েছে, যাতে সোহেল গুরুতর দগ্ধ হন।
সোহেলের বাবা শাহজাহান মোল্লা বলেন, আমার ছেলে একজন বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী। ডাক্তার ঢাকায় নিয়ে যেতে বলছে। কিন্তু কিভাবে তাকে নেব, কেমনে চিকিৎসার খরচ চালাব বুঝতে পারতেছি না।
স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি জানান, আক্তার হোসেন খালাসির বিরুদ্ধে এলাকায় প্রভাব বিস্তার ও উচ্ছৃঙ্খল আচরণের অভিযোগ আগে থেকেই রয়েছে। এর আগে কানাইপুর পল্লী বিদ্যুতের এক ডিজিএমের ওপর হামলার মামলায় তিনি পাঁচ বছর কারাদণ্ড ভোগ করেন। এছাড়া স্থানীয় এক ব্যক্তিকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে আহত করার অভিযোগও রয়েছে বলে জানান এলাকাবাসী।
এ বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত আক্তার হোসেন খালাসির সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
আলফাডাঙ্গা থানার ওসি আবুল হাসনাত খান বলেন, আহত অবস্থায় সোহেলকে হাসপাতালে আনার পর বিষয়টি জানা যায়। চিকিৎসকরা তাকে ঢাকায় নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। ভুক্তভোগী পরিবার লিখিত অভিযোগ দিলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।