বেকার ভাতা নয়, আমরা কাজ দেব : জামায়াত আমির

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, উত্তরাঞ্চলকে তিলে তিলে শেষ করা হয়েছে। কাজের অভাবে তরুণরা রাজধানীমুখী। আমরা বেকার ভাতা নয়—কাজ দেব, যাতে যুবকরা সম্মানের সঙ্গে আয় করতে পারে। শনিবার (২৪ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে গাইবান্ধার পলাশবাড়ী এসএম পাইলট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন। ডা. শফিকুর রহমান বলেন, বিশ্বের সকল দেশের সঙ্গে আমরা বন্ধুত্বের সম্পর্ক চাই। আমরা প্রতিবেশী দেশকে প্রতিবেশী হিসেবে দেখতে চাই। আমরা কারো ওপর খবরদারি করতে চাই না। কেউ এসে আমাদের ৫৬ হাজার বর্গমাইলের ওপর খবরদারি করুক সেটাও চাই না। কোনো আধিপত্যবাদের ছায়া বাংলাদেশে দেখতে চাই না তিনি আরও বলেন, আমরা চাই তার আমূল পরিবর্তন। সে আমূল পরিবর্তন আপনাদের হাতছানি দিয়ে ডাকছে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি। একসঙ্গে দুটি ভোট অনুষ্ঠিত হবে। গণভোট ও সাধারণ নির্বাচন। গণভোট সফল হলে সাধারণ ভোট সফল হবে। তাই গণভোটের পক্ষে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার আহব্বান জানান তিনি। উত্তরাঞ্চলের নদী সমস্য সম্পর্কে তিনি বলেন, নদী আল্লাহর দান; কিন্তু তিস্তাসহ ব্রহ্মপুত্র-যমুনা—সব নদী আজ মৃত

বেকার ভাতা নয়, আমরা কাজ দেব : জামায়াত আমির

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, উত্তরাঞ্চলকে তিলে তিলে শেষ করা হয়েছে। কাজের অভাবে তরুণরা রাজধানীমুখী। আমরা বেকার ভাতা নয়—কাজ দেব, যাতে যুবকরা সম্মানের সঙ্গে আয় করতে পারে।

শনিবার (২৪ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে গাইবান্ধার পলাশবাড়ী এসএম পাইলট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, বিশ্বের সকল দেশের সঙ্গে আমরা বন্ধুত্বের সম্পর্ক চাই। আমরা প্রতিবেশী দেশকে প্রতিবেশী হিসেবে দেখতে চাই। আমরা কারো ওপর খবরদারি করতে চাই না। কেউ এসে আমাদের ৫৬ হাজার বর্গমাইলের ওপর খবরদারি করুক সেটাও চাই না। কোনো আধিপত্যবাদের ছায়া বাংলাদেশে দেখতে চাই না

তিনি আরও বলেন, আমরা চাই তার আমূল পরিবর্তন। সে আমূল পরিবর্তন আপনাদের হাতছানি দিয়ে ডাকছে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি। একসঙ্গে দুটি ভোট অনুষ্ঠিত হবে। গণভোট ও সাধারণ নির্বাচন। গণভোট সফল হলে সাধারণ ভোট সফল হবে। তাই গণভোটের পক্ষে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার আহব্বান জানান তিনি।

উত্তরাঞ্চলের নদী সমস্য সম্পর্কে তিনি বলেন, নদী আল্লাহর দান; কিন্তু তিস্তাসহ ব্রহ্মপুত্র-যমুনা—সব নদী আজ মৃতপ্রায়। ৫৪ বছরে নদীশাসনে কোনো উন্নয়ন হয়নি। সরকার গঠন করতে পারলে নদীতে জীবন ফিরিয়ে আনব এবং উত্তরাঞ্চলকে কৃষিভিত্তিক রাজধানীতে রূপান্তর করব। এসময় তিনি তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন ও নদী পুনরুদ্ধার প্রকল্প নেওয়ার ঘোষণা দেন।

কৃষকের ন্যায্যমূল্য প্রসঙ্গে জামায়াত আমির বলেন, বাংলাদেশ খাদ্যের ভাণ্ডার, কিন্তু কৃষক দাম পায় না; বাজারে চাঁদাবাজি চলতে থাকে। চাঁদাবাজি নির্মূল ও কৃষকের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা হবে।

নতুন প্রকল্প ও অবকাঠামোর বিষয়ে তিনি আরও বলেন, গাইবান্ধায় কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা হবে। ইপিজেড বাস্তবায়ন, বালাসী ঘাটে টানেল নির্মাণ ও ফুলছড়ি–সাঘাটাসহ নদীশাসন কার্যক্রম নেওয়া হবে। 

বক্তব্য শেষে দলীয় প্রার্থীদের হাতে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক তুলে দিয়ে পরিচয় করিয়ে দেন ডা. শফিকুর রহমান। জনসভায় সভাপতিত্ব করেন গাইবান্ধা-৩ (সাদুল্লাপুর-পলাশবাড়ী) আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী অধ্যক্ষ মাও. নজরুল ইসলাম। আমন্ত্রিত অতিথিদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন গাইবান্ধা-৪ (গোবিন্দগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী ডা. আব্দুর রহিম সরকার, গাইবান্ধা-২ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী আব্দুল করিম, গাইবান্ধা-৫ (সাঘাটা-ফুলছড়ি) আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল ওয়ারেছ, গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী অধ্যাপক মাজেদুর রহমানহ ১০ দলীয় জোটের নেতারা।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow