বেদখল থেকে উদ্ধার, নতুন রূপে ফিরছে চট্টগ্রামের জাম্বুরী মাঠ

দীর্ঘদিন বেদখলে থাকা চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী আগ্রাবাদ জাম্বুরী মাঠটি অবশেষে নতুন রূপে ফিরছে। চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) উদ্যোগে মাঠটির আধুনিকায়ন, সবুজায়ন ও সৌন্দর্যবর্ধনের কাজ এখন শেষ পর্যায়ে। খুব শিগ্‌গিরই মাঠটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন শেষে তা নগরবাসীর জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে। রোববার (১৪ জুন) চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন মাঠটির উন্নয়ন কাজের অগ্রগতি পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনকালে তিনি প্রকল্পের গুণগত মান বজায় রেখে দ্রুত কাজ শেষ করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেন। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ঐতিহ্যবাহী এই মাঠটি দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ দখলে ছিল। বর্তমান মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন দায়িত্ব গ্রহণের পর মাঠটি দখলমুক্ত করার উদ্যোগ নেন। পরবর্তীতে মাঠটিকে একটি আধুনিক, পরিবেশবান্ধব ও দৃষ্টিনন্দন উন্মুক্ত স্থানে রূপান্তরের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়, যাতে সাধারণ নগরবাসী ও তরুণ প্রজন্ম খেলাধুলা, নিয়মিত ব্যায়াম ও সুস্থ বিনোদনের সুযোগ পায়।  এই উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় মাঠের চারপাশে আধুনিক ওয়াকওয়ে নির্মাণ, দর্শনার্থীদের জন্য গ্যালারি সুবিধা, ব্যাপক সবুজায়ন, নান্দন

বেদখল থেকে উদ্ধার, নতুন রূপে ফিরছে চট্টগ্রামের জাম্বুরী মাঠ

দীর্ঘদিন বেদখলে থাকা চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী আগ্রাবাদ জাম্বুরী মাঠটি অবশেষে নতুন রূপে ফিরছে। চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) উদ্যোগে মাঠটির আধুনিকায়ন, সবুজায়ন ও সৌন্দর্যবর্ধনের কাজ এখন শেষ পর্যায়ে। খুব শিগ্‌গিরই মাঠটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন শেষে তা নগরবাসীর জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে।

রোববার (১৪ জুন) চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন মাঠটির উন্নয়ন কাজের অগ্রগতি পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনকালে তিনি প্রকল্পের গুণগত মান বজায় রেখে দ্রুত কাজ শেষ করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ঐতিহ্যবাহী এই মাঠটি দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ দখলে ছিল। বর্তমান মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন দায়িত্ব গ্রহণের পর মাঠটি দখলমুক্ত করার উদ্যোগ নেন। পরবর্তীতে মাঠটিকে একটি আধুনিক, পরিবেশবান্ধব ও দৃষ্টিনন্দন উন্মুক্ত স্থানে রূপান্তরের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়, যাতে সাধারণ নগরবাসী ও তরুণ প্রজন্ম খেলাধুলা, নিয়মিত ব্যায়াম ও সুস্থ বিনোদনের সুযোগ পায়। 

এই উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় মাঠের চারপাশে আধুনিক ওয়াকওয়ে নির্মাণ, দর্শনার্থীদের জন্য গ্যালারি সুবিধা, ব্যাপক সবুজায়ন, নান্দনিক ল্যান্ডস্কেপিং এবং বিভিন্ন নাগরিক সুবিধা সংযোজন করা হয়েছে। ফলে এটি শুধু একটি খেলার মাঠের গণ্ডিতে সীমাবদ্ধ না থেকে নগরবাসীর জন্য একটি আধুনিক উন্মুক্ত বিনোদন ও স্বাস্থ্যচর্চা কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠছে।

মাঠের কাজ পরিদর্শন শেষে মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, নগরবাসীর জন্য উন্মুক্ত সবুজ স্থান ও আধুনিক খেলার মাঠ নিশ্চিত করা চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের অন্যতম অঙ্গীকার। এই লক্ষ্যকে সামনে রেখে ইতোমধ্যে নগরীর ৪১টি ওয়ার্ডে ৪১টি খেলার মাঠ নির্মাণ ও উন্নয়নের বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। অনেকগুলো মাঠের কাজ ইতোমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে এবং পর্যায়ক্রমে সেগুলো জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করা হচ্ছে। শিশু-কিশোর ও তরুণ প্রজন্মকে ডিজিটাল পর্দার আসক্তি থেকে বের করে খেলাধুলামুখী করে তুলতে এবং একটি সুস্থ, সবুজ ও বাসযোগ্য নগর গড়ে তুলতে এমন আধুনিক খেলার মাঠের কোনো বিকল্প নেই বলে তিনি উল্লেখ করেন।

মেয়র বলেন, আগ্রাবাদ জাম্বুরী মাঠ উদ্বোধনের পর এটি নগরবাসীর অন্যতম প্রিয় উন্মুক্ত স্থান ও ক্রীড়া কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে এবং চট্টগ্রামের ক্রীড়া ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে নতুন মাত্রা যোগ করবে। মাঠটি পরিদর্শনের সময় মেয়রের সঙ্গে আরও উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের প্রধান প্রকৌশলী আনিসুর রহমান, নির্বাহী প্রকৌশলী (অঞ্চল-৪) আনোয়ার জাহান ও উপসহকারী প্রকৌশলী এ টি এম সেলিম রেজাসহ চসিকের সংশ্লিষ্ট অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow