বেনাপোল দিয়ে ১২৫ টন বিস্ফোরক আমদানি

দেশের একমাত্র পাথর খনির প্রকল্প দিনাজপুরের মধ্যপাড়া গ্রানাইট মাইনিং কোম্পানি লিমিটেডের খনন কার্যক্রম নির্বিঘ্ন রাখতে ভারত থেকে বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক দ্রব্য আমদানি করা হয়েছে। শনিবার (২৪ জানুয়ারি) বিকেলে ভারতের পেট্রাপোল স্থলবন্দর হয়ে ৮টি ট্রাকে করে প্রায় ১২৫ মেট্রিক টন বিস্ফোরক দ্রব্য বেনাপোল স্থলবন্দরে প্রবেশ করে। আমদানিকৃত বিস্ফোরক চালানটি এনেছে মধ্যপাড়া গ্রানাইট মাইনিং কোম্পানি লিমিটেড। ভারতের রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান সুপার সিভা শক্তি কেমিকেল প্রাইভেট লিমিটেড থেকে এসব বিস্ফোরক সরবরাহ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট নথিপত্র অনুযায়ী, শিল্পকারখানার খনন কার্যক্রমে ব্যবহারের উদ্দেশ্যেই এই বিস্ফোরক আমদানি করা হয়েছে। বেনাপোল পোর্ট থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আশরাফ হোসেন জানান, বিস্ফোরক দ্রব্যের এই চালান সরকারি অনুমোদনের আওতায় আনা হয়েছে। বন্দর এলাকায় সার্বক্ষণিক পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারি রয়েছে। নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোনো ঘাটতি নেই এবং সাধারণ মানুষের আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই বলে তিনি আশ্বস্ত করেন। বেনাপোল স্থলবন্দরের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক (ট্রাফিক) শামিম হোসেন জানান, মধ্যপাড়া গ

বেনাপোল দিয়ে ১২৫ টন বিস্ফোরক আমদানি

দেশের একমাত্র পাথর খনির প্রকল্প দিনাজপুরের মধ্যপাড়া গ্রানাইট মাইনিং কোম্পানি লিমিটেডের খনন কার্যক্রম নির্বিঘ্ন রাখতে ভারত থেকে বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক দ্রব্য আমদানি করা হয়েছে।

শনিবার (২৪ জানুয়ারি) বিকেলে ভারতের পেট্রাপোল স্থলবন্দর হয়ে ৮টি ট্রাকে করে প্রায় ১২৫ মেট্রিক টন বিস্ফোরক দ্রব্য বেনাপোল স্থলবন্দরে প্রবেশ করে।

আমদানিকৃত বিস্ফোরক চালানটি এনেছে মধ্যপাড়া গ্রানাইট মাইনিং কোম্পানি লিমিটেড। ভারতের রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান সুপার সিভা শক্তি কেমিকেল প্রাইভেট লিমিটেড থেকে এসব বিস্ফোরক সরবরাহ করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট নথিপত্র অনুযায়ী, শিল্পকারখানার খনন কার্যক্রমে ব্যবহারের উদ্দেশ্যেই এই বিস্ফোরক আমদানি করা হয়েছে।

বেনাপোল পোর্ট থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আশরাফ হোসেন জানান, বিস্ফোরক দ্রব্যের এই চালান সরকারি অনুমোদনের আওতায় আনা হয়েছে। বন্দর এলাকায় সার্বক্ষণিক পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারি রয়েছে। নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোনো ঘাটতি নেই এবং সাধারণ মানুষের আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই বলে তিনি আশ্বস্ত করেন।

বেনাপোল স্থলবন্দরের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক (ট্রাফিক) শামিম হোসেন জানান, মধ্যপাড়া গ্রানাইট মাইনিং প্রকল্পের খনন কাজের জন্য ভারত থেকে মোট ১২৭ মেট্রিক টন বিস্ফোরক আমদানির অনুমোদন রয়েছে। এর মধ্যে প্রথম ধাপে আনা বিস্ফোরক বোঝাই ট্রাকগুলো বর্তমানে বন্দরের ৩১ নম্বর ট্রান্সশিপমেন্ট ইয়ার্ডে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর নিরাপত্তায় রাখা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, পণ্য খালাসের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানের সিঅ্যান্ডএফ প্রতিনিধি বন্দর ও কাস্টমস কর্তৃপক্ষের কাছে দাখিল করবেন। কাগজপত্র যাচাই-বাছাই ও আনুষ্ঠানিকতা শেষে বিস্ফোরক দ্রব্যগুলো বাংলাদেশি পরিবহন ব্যবস্থার মাধ্যমে দিনাজপুরে পাঠানো হবে।

মো. জামাল হোসেন/এফএ/জেআইএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow