বেনাপোল বন্দরে আসা ঘোষণা বহির্ভূত “ঘাসের বীজের আড়ালে পাট বীজ” আটক

বেনাপোল স্থলবন্দরে ঘোষণা বহির্ভূত ও আমদানি নিষিদ্ধ ১৭.১০ মেট্রিক টন পাট বীজের একটি চালান আটক করেছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। সোমবার (৯ মার্চ) দুপুরে জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা (এ নএস আ ই)-এর তথ্যের ভিত্তিতে বেনাপোল বন্দরের ১৫ নম্বর শেডে অভিযান চালিয়ে এসব পাট বীজ আটক করা হয়। যার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৮০ লাখ টাকা। জানা যায়, গত ৮ মার্চ ভারতের পেট্রাপোল বন্দর দিয়ে পণ্য চালানটি বেনাপোল স্থলবন্দরের ১৫ নম্বর শেডে প্রবেশ করে। চালানটির আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান আরাফাত এন্টারপ্রাইজ এবং কাস্টমস ক্লিয়ারিং অ্যান্ড ফরওয়ার্ডিং (সিএন্ডএফ) এজেন্ট ছিল কদর অ্যান্ড কোং। অভিযানটি পরিচালনা করেন বেনাপোল কাস্টম হাউসের সহকারী কমিশনার রাহাত হোসেনের নেতৃত্বে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা। কাস্টমস সূত্র জানায়, অত্যন্ত কৌশলে ঘাসের বীজের আড়ালে এই পাট বীজ আমদানি করা হয়েছিল। বর্তমানে সরকার কর্তৃক পাট বীজ আমদানির অনুমোদন না থাকায় এটি আমদানি নিষিদ্ধ পণ্য হিসেবে গণ্য করা হয়েছে। একই সঙ্গে মিথ্যা ঘোষণা দিয়ে পণ্য আমদানির অভিযোগে সংশ্লিষ্ট আমদানিকারক ও সিএন্ডএফ এজেন্টের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছে কাস্টমস

বেনাপোল বন্দরে আসা ঘোষণা বহির্ভূত “ঘাসের বীজের আড়ালে পাট বীজ” আটক

বেনাপোল স্থলবন্দরে ঘোষণা বহির্ভূত ও আমদানি নিষিদ্ধ ১৭.১০ মেট্রিক টন পাট বীজের একটি চালান আটক করেছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। সোমবার (৯ মার্চ) দুপুরে জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা (এ নএস আ ই)-এর তথ্যের ভিত্তিতে বেনাপোল বন্দরের ১৫ নম্বর শেডে অভিযান চালিয়ে এসব পাট বীজ আটক করা হয়। যার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৮০ লাখ টাকা।

জানা যায়, গত ৮ মার্চ ভারতের পেট্রাপোল বন্দর দিয়ে পণ্য চালানটি বেনাপোল স্থলবন্দরের ১৫ নম্বর শেডে প্রবেশ করে। চালানটির আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান আরাফাত এন্টারপ্রাইজ এবং কাস্টমস ক্লিয়ারিং অ্যান্ড ফরওয়ার্ডিং (সিএন্ডএফ) এজেন্ট ছিল কদর অ্যান্ড কোং। অভিযানটি পরিচালনা করেন বেনাপোল কাস্টম হাউসের সহকারী কমিশনার রাহাত হোসেনের নেতৃত্বে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা।

কাস্টমস সূত্র জানায়, অত্যন্ত কৌশলে ঘাসের বীজের আড়ালে এই পাট বীজ আমদানি করা হয়েছিল। বর্তমানে সরকার কর্তৃক পাট বীজ আমদানির অনুমোদন না থাকায় এটি আমদানি নিষিদ্ধ পণ্য হিসেবে গণ্য করা হয়েছে। একই সঙ্গে মিথ্যা ঘোষণা দিয়ে পণ্য আমদানির অভিযোগে সংশ্লিষ্ট আমদানিকারক ও সিএন্ডএফ এজেন্টের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ।

বেনাপোল স্থলবন্দর উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্রের উপ-পরিচালক আবু তালহা জানান, ভারত থেকে ৪৫ মেট্রিক টন ঘাসের বীজ ঘোষণা দিয়ে পণ্য চালানটি আমদানি করা হয়েছিল। পরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চালানটি পরীক্ষা করে ঘোষণা বহির্ভূত ৫৬৭ বস্তায় ১৭.১০ মেট্রিক টন পাট বীজ আটক করা হয়েছে।

স্থানীয় সচেতন ব্যবসায়ীরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে বেনাপোল স্থলবন্দরে একটি সংঘবদ্ধ চক্র ভারত থেকে মিথ্যা ঘোষণায় বিভিন্ন পণ্য আমদানি করে রাতারাতি কোটি টাকার পাহাড় গড়েছে। বিপরীতে সরকারের শুল্ক ফাঁকি দিয়ে প্রতিবছর বেনাপোল কাস্টমসের রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা পূরণে বাধা সৃষ্টি করছে। ফলে এখান থেকে সরকার সঠিক পরিমাণে রাজস্ব আহরণে বারবার হোঁচট খাচ্ছে। তাদের অভিযোগ, এসব কালোবাজারিদের সহযোগিতার পেছনে বেনাপোল কাস্টমস, বন্দরসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের একশ্রেণির অসাধু কর্মকর্তার হাত রয়েছে।

তারা আরও জানান, প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা ছাড়াই নিম্নমানের বীজ দেশে প্রবেশ করায় কৃষি খাত মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়ছে এবং সরকারও রাজস্ব হারাচ্ছে। মাঝে মধ্যে দুর্নীতিবাজ ব্যবসায়ীদের কয়েকটি চালান আটক হলেও তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা না নেওয়ায় তারা কৌশল পাল্টে আবারও একই ধরনের অবৈধ ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow