বেন গুরিয়ন বিমানবন্দর থেকে রিফুয়েলিং বিমান সরাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

ইসরায়েলের তেল আবিবের কাছে অবস্থিত বেন গুরিয়ন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী তাদের কিছু আকাশে জ্বালানি সরবরাহকারী (এয়ারিয়াল রিফুয়েলিং) বিমান সরিয়ে নেওয়া শুরু করেছে। ইসরায়েলের চ্যানেল ১২ -এর প্রতিবেদনে বলা হয়, ভ্রমণের ব্যস্ত মৌসুমে বিমানবন্দরের স্বাভাবিক কার্যক্রম নিশ্চিত করতে পরিবহনমন্ত্রী মিরি রেগেভ নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের এসব বিমান অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানান। এর পরই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়। তবে এ বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে ইসরায়েল বা যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করা হয়নি। প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের ইরানবিরোধী সামরিক অভিযান শুরু হওয়ার পর ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে এসব রিফুয়েলিং বিমান বেন গুরিয়ন বিমানবন্দরে অবস্থান করছিল। তবে সেখানে ঠিক কতটি বিমান মোতায়েন ছিল বা সেগুলো কোথায় স্থানান্তর করা হচ্ছে, তা জানানো হয়নি। এর আগে বেসামরিক বিমান চলাচলে এসব সামরিক বিমানের প্রভাব নিয়ে ইসরায়েলে আলোচনা ও সমালোচনা দেখা দিয়েছিল। এদিকে, এমন সময় এই পদক্ষেপ নেওয়া হলো যখন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে বিশেষ করে কৌশলগত হরমুজ প্রণ

বেন গুরিয়ন বিমানবন্দর থেকে রিফুয়েলিং বিমান সরাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র
ইসরায়েলের তেল আবিবের কাছে অবস্থিত বেন গুরিয়ন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী তাদের কিছু আকাশে জ্বালানি সরবরাহকারী (এয়ারিয়াল রিফুয়েলিং) বিমান সরিয়ে নেওয়া শুরু করেছে। ইসরায়েলের চ্যানেল ১২ -এর প্রতিবেদনে বলা হয়, ভ্রমণের ব্যস্ত মৌসুমে বিমানবন্দরের স্বাভাবিক কার্যক্রম নিশ্চিত করতে পরিবহনমন্ত্রী মিরি রেগেভ নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের এসব বিমান অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানান। এর পরই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়। তবে এ বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে ইসরায়েল বা যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করা হয়নি। প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের ইরানবিরোধী সামরিক অভিযান শুরু হওয়ার পর ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে এসব রিফুয়েলিং বিমান বেন গুরিয়ন বিমানবন্দরে অবস্থান করছিল। তবে সেখানে ঠিক কতটি বিমান মোতায়েন ছিল বা সেগুলো কোথায় স্থানান্তর করা হচ্ছে, তা জানানো হয়নি। এর আগে বেসামরিক বিমান চলাচলে এসব সামরিক বিমানের প্রভাব নিয়ে ইসরায়েলে আলোচনা ও সমালোচনা দেখা দিয়েছিল। এদিকে, এমন সময় এই পদক্ষেপ নেওয়া হলো যখন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে বিশেষ করে কৌশলগত হরমুজ প্রণালি দিয়ে নৌ চলাচলসহ বিভিন্ন অমীমাংসিত ইস্যুতে সম্ভাব্য সমঝোতার গুঞ্জন জোরালো হয়েছে। পাশাপাশি নতুন করে ভয়াবহ সংঘাত ছড়িয়ে পড়ার শঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow