বেপরোয়া ট্রাকের চাপায় প্রাণ গেল মাদ্রাসাছাত্রের
ময়মনসিংহের মুক্তাগাছায় বেপরোয়া গতির ড্রাম ট্রাকের চাপায় পিষ্ট হয়ে আব্দুল্লাহ আল আফফান নামে মাত্র ৫ বছর বয়সী এক মাদ্রাসা শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (১২ জুন) বিকেলে উপজেলার মনিরামবাড়ি আল্লামা মসজিদের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। ফুটফুটে এই শিশুর আকস্মিক মৃত্যুতে পুরো এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
নিহত আফফান জামালপুর জেলার শৈলাকান্দা এলাকার আকন্দ বাড়ির রোকোন উদ্দিন ও শেফালী আক্তার দম্পতির ছোট ছেলে। দুই ভাইয়ের মধ্যে সে ছিল সবার ছোট। তার বাবা মুক্তাগাছা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১-এর ইকুইপমেন্ট রিফাইনারি ইউনিটে কর্মরত। নিহত আফফান স্থানীয় টাঙ্গাইল কুরতুবী মাদ্রাসা শাখার প্রাক-প্রাথমিক (প্রি-শ্রেণি) শাখার শিক্ষার্থী ছিল।
স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, বিকেলে সমবয়সী আরেক শিশুর সঙ্গে খেলতে খেলতে রাস্তা পার হচ্ছিল আফফান। এ সময় মুক্তাগাছা শহর থেকে টাঙ্গাইলগামী একটি বালুবাহী ড্রাম ট্রাক দ্রুতগতিতে এসে তাকে ধাক্কা দেয়। তাৎক্ষণিকভাবে ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারায় শিশুটি। এই ঘটনার পরপরই উত্তেজিত স্থানীয় জনতা সড়কে অবস্থান নেন এবং ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
একমাত্র ছোট সন্তানকে হ
ময়মনসিংহের মুক্তাগাছায় বেপরোয়া গতির ড্রাম ট্রাকের চাপায় পিষ্ট হয়ে আব্দুল্লাহ আল আফফান নামে মাত্র ৫ বছর বয়সী এক মাদ্রাসা শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (১২ জুন) বিকেলে উপজেলার মনিরামবাড়ি আল্লামা মসজিদের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। ফুটফুটে এই শিশুর আকস্মিক মৃত্যুতে পুরো এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
নিহত আফফান জামালপুর জেলার শৈলাকান্দা এলাকার আকন্দ বাড়ির রোকোন উদ্দিন ও শেফালী আক্তার দম্পতির ছোট ছেলে। দুই ভাইয়ের মধ্যে সে ছিল সবার ছোট। তার বাবা মুক্তাগাছা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১-এর ইকুইপমেন্ট রিফাইনারি ইউনিটে কর্মরত। নিহত আফফান স্থানীয় টাঙ্গাইল কুরতুবী মাদ্রাসা শাখার প্রাক-প্রাথমিক (প্রি-শ্রেণি) শাখার শিক্ষার্থী ছিল।
স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, বিকেলে সমবয়সী আরেক শিশুর সঙ্গে খেলতে খেলতে রাস্তা পার হচ্ছিল আফফান। এ সময় মুক্তাগাছা শহর থেকে টাঙ্গাইলগামী একটি বালুবাহী ড্রাম ট্রাক দ্রুতগতিতে এসে তাকে ধাক্কা দেয়। তাৎক্ষণিকভাবে ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারায় শিশুটি। এই ঘটনার পরপরই উত্তেজিত স্থানীয় জনতা সড়কে অবস্থান নেন এবং ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
একমাত্র ছোট সন্তানকে হারিয়ে বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েছেন বাবা রোকোন উদ্দিন। আর মা শেফালী আক্তার বারবার জ্ঞান হারিয়ে ফেলছেন। স্বজনদের এমন আহাজারিতে ভারী হয়ে উঠেছে চারপাশের পরিবেশ।
মুক্তাগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুল ইসলাম দুর্ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, দুটি শিশু খেলার ছলে রাস্তা পার হচ্ছিল। একজন নিরাপদে পার হতে পারলেও অপর শিশুটি ট্রাকের ধাক্কায় ঘটনাস্থলেই মারা যায়। ঘাতক ট্রাকটি জব্দ করা হয়েছে, তবে চালক পালিয়ে গেছে। পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো সুনির্দিষ্ট অভিযোগ না থাকায় আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
দুর্ঘটনার পর মুক্তাগাছা-টাঙ্গাইল সড়কে ভারী যানবাহনের বেপরোয়া চলাচল নিয়ে ক্ষোভ ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
স্থানীয় বাসিন্দা আবুল কালাম বলেন, এই সড়কে ড্রাম ট্রাকগুলোর বেপরোয়া গতি দীর্ঘদিনের সমস্যা। প্রায়ই এখানে দুর্ঘটনার আশঙ্কা থাকে। আজ একটি নিষ্পাপ শিশুর প্রাণ গেল। আমরা এই সড়কে প্রশাসনের কঠোর নজরদারি ও গতি নিয়ন্ত্রণ দাবি করছি।
মসজিদের মতো একটি জনবহুল এলাকার সামনে দিয়ে এভাবে ভারী যান চলাচলের তীব্র নিন্দা জানান আরেক বাসিন্দা সোহেল রানা।
এদিকে আফফানের মাদ্রাসার এক শিক্ষক গভীর শোক প্রকাশ করে বলেন, আফফান অত্যন্ত শান্ত ও মেধাবী শিশু ছিল। তার নির্মম মৃত্যু আমরা মেনে নিতে পারছি না।