বেরোবির ভিসিসহ সব আসামির সর্বোচ্চ শাস্তি চায় রাষ্ট্রপক্ষ

২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার ঘটনায় বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) তৎকালীন উপাচার্য হাসিবুর রশীদসহ ৩০ আসামির সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি জানিয়েছে রাষ্ট্রপক্ষের প্রসিকিউশন। রোববার (২৫ জানুয়ারি) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এ রাষ্ট্রপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন পর্বে প্রসিকিউটর মোহাম্মদ মিজানুল ইসলাম এমন দাবি জানান। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের সময় আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, আনীত অভিযোগ সাক্ষ্য ও নথিপত্রের আলোকে প্রমাণ করতে পেরেছি বলে মনে করি। আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করছি। প্রসিকিউশনের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে আসামিপক্ষে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেন আইনজীবী আমিনুল গণি টিটো ও সালাউদ্দিন রিগ্যান। শুনানি সোমবার (২৬ জানুয়ারি) পর্যন্ত মুলতবি করা হয়েছে। এ মামলায় বেরোবির সাবেক উপাচার্য হাসিবুর রশীদসহ মোট ৩০ জনকে আসামি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে সাবেক প্রক্টর শরিফুল ইসলামসহ ছয়জন বর্তমানে কারাগারে। কারাগারে থাকা আসামিরা হলেন এএসআই আমির হোসেন, সাবেক প্রক্টর শরিফুল ইসলাম, কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়, ছাত্রলীগ নেতা ইমরান চৌধুরী, রাফিউল হাসান রাসেল এবং আনোয়ার পার

বেরোবির ভিসিসহ সব আসামির সর্বোচ্চ শাস্তি চায় রাষ্ট্রপক্ষ

২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার ঘটনায় বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) তৎকালীন উপাচার্য হাসিবুর রশীদসহ ৩০ আসামির সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি জানিয়েছে রাষ্ট্রপক্ষের প্রসিকিউশন।

রোববার (২৫ জানুয়ারি) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এ রাষ্ট্রপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন পর্বে প্রসিকিউটর মোহাম্মদ মিজানুল ইসলাম এমন দাবি জানান।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের সময় আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, আনীত অভিযোগ সাক্ষ্য ও নথিপত্রের আলোকে প্রমাণ করতে পেরেছি বলে মনে করি। আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করছি।

প্রসিকিউশনের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে আসামিপক্ষে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেন আইনজীবী আমিনুল গণি টিটো ও সালাউদ্দিন রিগ্যান। শুনানি সোমবার (২৬ জানুয়ারি) পর্যন্ত মুলতবি করা হয়েছে।

এ মামলায় বেরোবির সাবেক উপাচার্য হাসিবুর রশীদসহ মোট ৩০ জনকে আসামি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে সাবেক প্রক্টর শরিফুল ইসলামসহ ছয়জন বর্তমানে কারাগারে। কারাগারে থাকা আসামিরা হলেন এএসআই আমির হোসেন, সাবেক প্রক্টর শরিফুল ইসলাম, কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়, ছাত্রলীগ নেতা ইমরান চৌধুরী, রাফিউল হাসান রাসেল এবং আনোয়ার পারভেজ। বাকি ২৪ জন এখনো পলাতক।

প্রসিকিউশনের পক্ষে তদন্ত কর্মকর্তাসহ মোট ২৫ জন সাক্ষ্য দিয়েছেন। আসামিপক্ষে কোনো সাক্ষী নেই।

মামলায়, পলাতক আসামিদের পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবীরা মামলার কার্যক্রমে অংশ নিয়েছেন। এ মামলার বিচারিক কার্যক্রম শুরু হয় গত বছরের ৬ আগস্ট, সেদিন ট্রাইব্যুনাল ৩০ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে। তার আগে ৩০ জুন আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নেওয়া হয় এবং ২৭ আগস্ট প্রসিকিউশন সূচনা বক্তব্য উপস্থাপন করে।

এফএইচ/জেএইচ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow