বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্তি কীভাবে, জানাল শিক্ষা মন্ত্রণালয়

বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে এমপিওভুক্তির ক্ষেত্রে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের (স্কুল ও কলেজ) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০২৫-কে অনুসরণ করবে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ। শিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্প্রতি এই তথ্য জানিয়েছে।   সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের (স্কুল ও কলেজ) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০২৫ এর আলোকে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির জন্য আবেদন আহবান করে। নির্ধারিত সময়ে মোট ৩ হাজার ৬১৫টি আবেদন পাওয়া গেছে, যার মধ্যে নিম্নমাধ্যমিক পর্যায়ের ৮৫৯টি, মাধ্যমিক পর্যায়ের ১ হাজার ১৭০টি, উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের ৬৮৭টি, স্নাতক (পাশ) পর্যায়ের ৪৪০টি, স্নাতক (সম্মান) পর্যায়ের ৪১৪টি এবং স্নাতকোত্তর পর্যায়ের ৪৫টি প্রতিষ্ঠান অন্তর্ভুক্ত আছে। সূত্রটি আরো জানিয়েছে, নীতিমালায় নির্ধারিত মাপকাঠির ভিত্তিতে প্রাপ্ত আবেদনসমূহ মূল্যায়ন করা হচ্ছে। মূল্যায়নের ক্ষেত্রে এমপিওভুক্তির যোগ্যতা, আঞ্চলিক সাম্যসহ আনুষঙ্গিক বিষয় বিবেচনায় নিয়ে অগ্রাধিকার নির্ধারণ করা হচ্ছে। স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যারের মাধ্যমে নির্ধারিত ক্রাইটেরিয়ায় প্রাপ্ত গ্রেডিং-এর ভিত্তিতে প

বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্তি কীভাবে, জানাল শিক্ষা মন্ত্রণালয়

বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে এমপিওভুক্তির ক্ষেত্রে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের (স্কুল ও কলেজ) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০২৫-কে অনুসরণ করবে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ। শিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্প্রতি এই তথ্য জানিয়েছে।  

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের (স্কুল ও কলেজ) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০২৫ এর আলোকে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির জন্য আবেদন আহবান করে। নির্ধারিত সময়ে মোট ৩ হাজার ৬১৫টি আবেদন পাওয়া গেছে, যার মধ্যে নিম্নমাধ্যমিক পর্যায়ের ৮৫৯টি, মাধ্যমিক পর্যায়ের ১ হাজার ১৭০টি, উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের ৬৮৭টি, স্নাতক (পাশ) পর্যায়ের ৪৪০টি, স্নাতক (সম্মান) পর্যায়ের ৪১৪টি এবং স্নাতকোত্তর পর্যায়ের ৪৫টি প্রতিষ্ঠান অন্তর্ভুক্ত আছে।

সূত্রটি আরো জানিয়েছে, নীতিমালায় নির্ধারিত মাপকাঠির ভিত্তিতে প্রাপ্ত আবেদনসমূহ মূল্যায়ন করা হচ্ছে। মূল্যায়নের ক্ষেত্রে এমপিওভুক্তির যোগ্যতা, আঞ্চলিক সাম্যসহ আনুষঙ্গিক বিষয় বিবেচনায় নিয়ে অগ্রাধিকার নির্ধারণ করা হচ্ছে। স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যারের মাধ্যমে নির্ধারিত ক্রাইটেরিয়ায় প্রাপ্ত গ্রেডিং-এর ভিত্তিতে প্রাথমিকভাবে প্রথম পর্যায়ে বিভিন্ন ক্যাটাগরির ১ হাজার ৭১৯টি প্রতিষ্ঠানের আবেদন বিবেচনাযোগ্য মর্মে প্রতীয়মান হওয়ায় সম্ভাব্য আর্থিক সংশ্লেষ নিরূপণ করা হয়েছে। তৎপ্রেক্ষিতে উল্লিখিত সংখ্যক প্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্তির বিষয়ে অর্থ বিভাগ, অর্থ মন্ত্রণালয়ের সম্মতি চেয়ে পত্র প্রেরণ করা হয়েছে।

উল্লেখ করা প্রয়োজন, প্রথম পর্যায়ে বিবেচনাযোগ্য প্রতিষ্ঠানের সম্ভাব্য সংখ্যা নিরূপণ করা হলেও সুনির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানভিত্তিক বিস্তারিত যাচাই কার্যক্রম বর্তমানে চলমান রয়েছে। এ ক্ষেত্রে আবেদনের সাথে দাখিলকৃত প্রমাণকসমূহ ভূমি মন্ত্রণালয়, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর এবং মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড ও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে সংরক্ষিত তথ্যাদি ও অনলাইন ডাটাবেইজের ভিত্তিতে বিস্তারিত যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। প্রযোজ্য ক্ষেত্রে তথ্যাদি সরজমিনে যাচাই করা হবে। 

‘বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের (স্কুল ও কলেজ) জনবলকাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০২৫’ নীতিমালায় নির্ধারিত মূল্যায়ণ মাপকাঠির ভিত্তিতে প্রস্তুত স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যারের মাধ্যমে এমপিওভুক্তির আবেদনসমূহ মূল্যায়ন এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাসমূহের অনলাইন তথ্য ও প্রযোজ্য ক্ষেত্রে তথ্যাদি সরেজমিনে যাচাইয়ের মাধ্যমে বস্তুনিষ্ঠতা ও স্বচ্ছতার সাথে পরীক্ষা-নিরীক্ষাপূর্বক তালিকা চূড়ান্ত করা হবে। এ বিষয়ে বিভ্রান্তিকর ও অসত্য তথ্য/সংবাদ প্রচার না করে শিক্ষা ব্যবস্থাপনার গুরুত্বপূর্ণ এ কাজটি সম্পাদনে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগকে সহায়তা করার জন্য সকলকে বিশেষভাবে অনুরোধ করা যাচ্ছে।

উল্লেখ করা প্রয়োজন যে আবেদন অনুমোদনের ক্ষেত্রে কোন প্রকার আর্থিক সংশ্লেষ নেই। কোন এমপিও অনুমোদন বিষয়ে অনৈতিক আর্থিক লেনদেন বা ব্যক্তিগত যোগাযোগের চেষ্টা না করার জন্য অনুরোধ করা হলো। কোন ব্যক্তি/গোষ্ঠী/প্রতিনিধি এরূপ যোগাযোগের চেষ্টা করলে কিংবা এমপিও সংক্রান্ত অভিযোগ বা অন্য কোন তথ্য জানার থাকলে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগকে (হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর : +880 1339774528) ক্ষুধে বার্তার মাধ্যমে অবহিত করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। 

বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির বিষয়টি একটি চলমান ও পর্যায়ক্রমিক প্রক্রিয়া। নীতিমালার আলোকে প্রতিষ্ঠানের যোগ্যতা থাকা, অঞ্চলভিত্তিক জনসংখ্যা ও প্রতিষ্ঠানের ঘণত্ববিষয়ক সরকারের বিদ্যমান নীতিমালা এবং সরকারের আর্থিক সামর্থ্য থাকাসাপেক্ষে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ ইতোমধ্যে প্রাপ্ত আবেদনের ভিত্তিতে এবং ভবিষ্যতে আবেদন গ্রহণের মাধ্যমে এমপিওভুক্তির কাজ চলমান রাখবে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow