বৈষম্যহীন রাষ্ট্র গড়তে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিতে হবে: স্বাস্থ্য উপদেষ্টা

বৈষম্যহীন রাষ্ট্র গড়তে সবাইকে আসন্ন গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা নূরজাহান বেগম। তিনি বলেন, চব্বিশের ছাত্র-জনতা চেয়েছিল একটি বৈষম্যহীন রাষ্ট্র। যেখানে ছাত্রদের পড়াশোনার জন্য ঘুস দিতে হবে না, তদবির করতে হবে না, চাকরি পেতেও ঘুসের প্রয়োজন হবে না। সেখানে মেধারই মূল্যায়ন হবে। এ লক্ষ্যেই ছাত্র-জনতা আন্দোলন করেছিল। কোটা নয়, মেধার ভিত্তিতে সবকিছু হতে হবে। আমরা যদি মেধাকে গুরুত্ব দিতে চাই এবং তা বাস্তবায়ন করতে চাই, তাহলে আমাদের সবাইকে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিতে হবে। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট বিষয়ে সোমবার (১৯ জানুয়ারি) বিকেলে সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসনে কর্মরত কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন উপদেষ্টা। উপদেষ্টা আরও বলেন, ‌‘কেন আমরা হ্যাঁ ভোট চাচ্ছি, কেন এর ওপর জোর দিচ্ছি—এর কারণ হলো আমাদের সন্তানেরা যেন ভালো থাকে, নিরাপদে থাকে। যে উদ্দেশ্যে আমরা ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ করেছি, আমাদের সন্তানেরা শহীদ ও আহত হয়েছিল, সেই কাঙ্ক্ষিত ফসল আজও আমরা ঘরে তুলতে পারিনি।’ সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসক আমিনুল ইসলামের সভাপতিত্বে স্বাস্থ্য ও

বৈষম্যহীন রাষ্ট্র গড়তে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিতে হবে: স্বাস্থ্য উপদেষ্টা

বৈষম্যহীন রাষ্ট্র গড়তে সবাইকে আসন্ন গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা নূরজাহান বেগম।

তিনি বলেন, চব্বিশের ছাত্র-জনতা চেয়েছিল একটি বৈষম্যহীন রাষ্ট্র। যেখানে ছাত্রদের পড়াশোনার জন্য ঘুস দিতে হবে না, তদবির করতে হবে না, চাকরি পেতেও ঘুসের প্রয়োজন হবে না। সেখানে মেধারই মূল্যায়ন হবে। এ লক্ষ্যেই ছাত্র-জনতা আন্দোলন করেছিল। কোটা নয়, মেধার ভিত্তিতে সবকিছু হতে হবে। আমরা যদি মেধাকে গুরুত্ব দিতে চাই এবং তা বাস্তবায়ন করতে চাই, তাহলে আমাদের সবাইকে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিতে হবে।

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট বিষয়ে সোমবার (১৯ জানুয়ারি) বিকেলে সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসনে কর্মরত কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন উপদেষ্টা।

উপদেষ্টা আরও বলেন, ‌‘কেন আমরা হ্যাঁ ভোট চাচ্ছি, কেন এর ওপর জোর দিচ্ছি—এর কারণ হলো আমাদের সন্তানেরা যেন ভালো থাকে, নিরাপদে থাকে। যে উদ্দেশ্যে আমরা ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ করেছি, আমাদের সন্তানেরা শহীদ ও আহত হয়েছিল, সেই কাঙ্ক্ষিত ফসল আজও আমরা ঘরে তুলতে পারিনি।’

সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসক আমিনুল ইসলামের সভাপতিত্বে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব সাইদুর রহমান, পুলিশ সুপার সাইফুল ইসলাম সানতু, সিভিল সার্জন ডা. মো. নুরুল আমীনসহ জেলার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

এম এ মালেক/এসআর/জেআইএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow