ব্যাটিং ধসে অস্ট্রেলিয়াকে সহজ টার্গেট দিল বাংলাদেশ 

প্রথম টি-টোয়েন্টি ম্যাচ জিততে অজিদের মাত্র ১৩২ রান করতে হবে। টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরু থেকেই নিয়মিত উইকেট হারাতে থাকে টাইগাররা। শেষ পর্যন্ত ১৯ ওভারে ১৩১ রানে অলআউট হয় বাংলাদেশ। নতুন অধিনায়ক তাওহীদ হৃদয়ের নেতৃত্বে নতুন প্রত্যাশা নিয়ে মাঠে নেমেছিল বাংলাদেশ। তবে চট্টগ্রামে টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচে ব্যাট হাতে চরম ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে টাইগাররা। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট পতনের ফলে নির্ধারিত ২০ ওভার শেষ হওয়ার আগেই মাত্র ১৩১ রানে অলআউট হয়ে গেছে স্বাগতিকরা। চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে টস জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন অধিনায়ক তাওহীদ হৃদয়। শুরুতে কিছুটা ইতিবাচক আভাস মিললেও তা দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। দলীয় ২৬ রানে তানজিদ তামিম (১০) বিদায় নিলে ভাঙে উদ্বোধনী জুটি। এরপর সাইফ হাসানও (২০) বেশিক্ষণ ক্রিজে টিকতে পারেননি। অধিনায়ক তাওহীদ হৃদয় ছক্কা মেরে দারুণ শুরুর ইঙ্গিত দিলেও অ্যাডাম জাম্পার বলে বোল্ড হয়ে মাত্র ৮ রানেই প্যাভিলিয়নে ফেরেন। দ্রুত উইকেট পতনের মিছিলে যোগ দেন সৌম্য সরকার (১৭), ইমন (১০) ও শামীম পাটোয়ারী (১)। এতে মাত্র ৭৮ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশ ইন

ব্যাটিং ধসে অস্ট্রেলিয়াকে সহজ টার্গেট দিল বাংলাদেশ 

প্রথম টি-টোয়েন্টি ম্যাচ জিততে অজিদের মাত্র ১৩২ রান করতে হবে। টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরু থেকেই নিয়মিত উইকেট হারাতে থাকে টাইগাররা। শেষ পর্যন্ত ১৯ ওভারে ১৩১ রানে অলআউট হয় বাংলাদেশ।

নতুন অধিনায়ক তাওহীদ হৃদয়ের নেতৃত্বে নতুন প্রত্যাশা নিয়ে মাঠে নেমেছিল বাংলাদেশ। তবে চট্টগ্রামে টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচে ব্যাট হাতে চরম ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে টাইগাররা। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট পতনের ফলে নির্ধারিত ২০ ওভার শেষ হওয়ার আগেই মাত্র ১৩১ রানে অলআউট হয়ে গেছে স্বাগতিকরা।

চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে টস জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন অধিনায়ক তাওহীদ হৃদয়। শুরুতে কিছুটা ইতিবাচক আভাস মিললেও তা দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। দলীয় ২৬ রানে তানজিদ তামিম (১০) বিদায় নিলে ভাঙে উদ্বোধনী জুটি। এরপর সাইফ হাসানও (২০) বেশিক্ষণ ক্রিজে টিকতে পারেননি।

অধিনায়ক তাওহীদ হৃদয় ছক্কা মেরে দারুণ শুরুর ইঙ্গিত দিলেও অ্যাডাম জাম্পার বলে বোল্ড হয়ে মাত্র ৮ রানেই প্যাভিলিয়নে ফেরেন। দ্রুত উইকেট পতনের মিছিলে যোগ দেন সৌম্য সরকার (১৭), ইমন (১০) ও শামীম পাটোয়ারী (১)। এতে মাত্র ৭৮ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশ ইনিংস বিপর্যয়ের মুখে পড়ে।

অভিষিক্ত সাকলাইন কিছুটা আশার আলো দেখালেও ১০ বলে ১০ রান করে বিদায় নেন। শেষদিকে রিশাদ হোসেন (৩) ফিরে গেলে একশোর আগেই ৮ উইকেট হারায় টাইগাররা। শেষ পর্যন্ত নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশ ১৩১ রানে গুটিয়ে যায়। ব্যাট হাতে কোনো ব্যাটারই দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখতে পারেননি, যার ফলে সহজ কন্ডিশনেও স্কোরবোর্ড সমৃদ্ধ করতে ব্যর্থ হয়েছে স্বাগতিকরা।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow