ব্রাজিলের খেলা নিয়ে দ্বন্দ্ব, রাজধানীতে বিএনপিনেতাকে কুপিয়ে হত্যা
ব্রাজিলের খেলাকে কেন্দ্র করে পূর্ব শত্রুতার জেরে সালিশ বৈঠক শেষে আবুল বাসার বাদশা (৩০) নামে এক বিএনপিনেতাকে কুপিয়ে হত্যা করেছে প্রতিপক্ষ। এই ঘটনায় ইউনিট-বিএনপির সভাপতি সাদ্দাম গুরুতর আহত হয়েছেন। রাজধানীর আদাবর থানার নবোদয় কাঁচাবাজার এলাকায় গতকাল বুধবার (১ জুলাই) রাত সাড়ে ৯টার দিকে আদাবর থানার নবোদয় কাঁচাবাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ছুরিকাঘাতের পর গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে প্রথমে শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে গেলে রাত সাড়ে ১১টার দিকে তিনি মারা যান। নিহত আবুল বাসার বাদশা ময়মনসিংহ জেলার নান্দাইল থানার গফুর মিয়ার ছেলে। বর্তমানে আদাবর থানার নবোদয় হাউজিংয়ের বি ব্লকে থাকতেন। তিনি নবোদয় ইউনিট বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে ডিএমপির তেজগাঁও বিভাগের অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার (এডিসি) জুয়েল রানা বলেন, গত ২৯ তারিখ ব্রাজিল বনাম জাপান খেলাকে কেন্দ্র করে তাদের হাতাহাতি হয়। এ ঘটনার এক দিন পর আবারও এই বিষয়টি নিয়ে মারামারি হয়। পরবর্তীতে বুধবার রা
ব্রাজিলের খেলাকে কেন্দ্র করে পূর্ব শত্রুতার জেরে সালিশ বৈঠক শেষে আবুল বাসার বাদশা (৩০) নামে এক বিএনপিনেতাকে কুপিয়ে হত্যা করেছে প্রতিপক্ষ। এই ঘটনায় ইউনিট-বিএনপির সভাপতি সাদ্দাম গুরুতর আহত হয়েছেন। রাজধানীর আদাবর থানার নবোদয় কাঁচাবাজার এলাকায় গতকাল বুধবার (১ জুলাই) রাত সাড়ে ৯টার দিকে আদাবর থানার নবোদয় কাঁচাবাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ছুরিকাঘাতের পর গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে প্রথমে শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে গেলে রাত সাড়ে ১১টার দিকে তিনি মারা যান।
নিহত আবুল বাসার বাদশা ময়মনসিংহ জেলার নান্দাইল থানার গফুর মিয়ার ছেলে। বর্তমানে আদাবর থানার নবোদয় হাউজিংয়ের বি ব্লকে থাকতেন। তিনি নবোদয় ইউনিট বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করে ডিএমপির তেজগাঁও বিভাগের অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার (এডিসি) জুয়েল রানা বলেন, গত ২৯ তারিখ ব্রাজিল বনাম জাপান খেলাকে কেন্দ্র করে তাদের হাতাহাতি হয়। এ ঘটনার এক দিন পর আবারও এই বিষয়টি নিয়ে মারামারি হয়। পরবর্তীতে বুধবার রাত ৮টার দিকে নবোদয় কাঁচাবাজারের পাশে একটি সালিশ বৈঠক হয়। বৈঠকের এক পর্যায়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আবুল বাশার বাদশা ও সাদ্দাম নামে দুই বিএনপি নেতাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করে প্রতিপক্ষরা। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে দুজনকেই শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় আবুল বাসার বাদশাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় পুলিশের একাধিক টিম ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান পরিচালনা করছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র আরও জানায়, গত ২৯ জুন নবোদয় হাউজিং এলাকায় ব্রাজিল ও জাপান ফুটবল খেলা দেখাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় কয়েকজন যুবক বাঁশি বাজিয়ে হইচই করেন। এ সময় আদাবর থানা বিএনপির সদস্য হাবিব নবোদয় কাঁচাবাজারের ব্যবসায়ী মজনুর ছেলে নীরবকে চড়-থাপ্পড় মারেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে উভয় পরিবারের মধ্যে বিরোধের সৃষ্টি হয়। পরদিন মঙ্গলবার সন্ধ্যার পর একই স্থানে নীরবের ভাই রিপন ও ইউনিট বিএনপির সভাপতি সাদ্দাম হোসেন মুখোমুখি হলে উভয়ের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এতে সাদ্দাম হোসেন বাদী হয়ে মোহাম্মদপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।
এরই ধারাবাহিকতায় বুধবার রাতে নবোদয় বাজারে বিরোধ মীমাংসার জন্য একটি বিচার-সালিশ বসে। সালিশ শেষে মাসুম, রবিন, নাহিদ, রিপন, নিরব, পারভেজ, মজনু, সুমন ও শহিদসহ কয়েকজন ধারালো ছুরি ও চাপাতি নিয়ে অতর্কিত হামলা চালায়। এ সময় তারা হাবিবের পক্ষের লোকজনসহ নবোদয় হাউজিং ইউনিট বিএনপির সভাপতি সাদ্দাম ও সাধারণ সম্পাদক আবুল বাসার বাদশাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করেন।
হামলার পর উপস্থিত লোকজন আহত দুই নেতাকে উদ্ধার করে দ্রুত শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে বাদশার অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয় এবং সেখানে তার মৃত্যু হয়। আহত সাদ্দাম বর্তমানে সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালেই চিকিৎসাধীন।
স্থানীয় সূত্রে আরও জানা যায়, রিপন, নীরব, পারভেজ, মাসুম কিশোর গ্যাং সদস্য এবং স্থানীয় ১০০নং ওয়ার্ড বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি মিরাজের অনুসারী।
What's Your Reaction?