ব্রাজিলের নকআউট নিশ্চিতের রাতে আনচেলত্তিরও নতুন কীর্তি

বিশ্বকাপে ব্রাজিলের পুনর্জাগরণ পর্বে নতুন এক অধ্যায়ের হিসেবে ভূমিকা রেখেছেন কোচ নাম কার্লো আনচেলত্তি। স্কটল্যান্ডকে ৩-০ গোলে হারিয়ে গ্রুপ পর্ব শেষ করার মধ্য দিয়ে শুধু ব্রাজিলই নকআউট পর্বে জায়গা নিশ্চিত করেনি, ইতালিয়ান কোচ আনচেলত্তিও গড়েছেন একটি বিশেষ কীর্তি। ফ্যাবিও ক্যাপেলোর পর প্রথম ইতালিয়ান কোচ হিসেবে বিদেশি কোনো দলের দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে ফিফা বিশ্বকাপের নকআউটে দলকে তুলেছেন আনচেলত্তি। ২০১০ বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডকে শেষ ষোলোয় তুলেছিলেন ক্যাপেলো। এরপর কেটে গেছে ১৬ বছর, বিশ্বকাপের মঞ্চে আর কোনো ইতালিয়ান কোচ এই সাফল্য পাননি। সেই অপেক্ষার অবসান ঘটালেন ব্রাজিলের বর্তমান কোচ। তবে এই অর্জন শুধু পরিসংখ্যানের গল্প নয়, বরং মাঠে ব্রাজিলের বদলে যাওয়া চেহারারও প্রতিফলন। আনচেলত্তির অধীনে ভিনিসিয়ুস জুনিয়র যেন নতুন প্রাণ ফিরে পেয়েছেন। স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে জোড়া গোল করে তিনি গ্রুপ পর্বে টানা তিন ম্যাচেই গোল করার কৃতিত্ব দেখিয়েছেন। রাফিনহা, ব্রুনো গিমারায়েস, মারকুইনহোস ও গ্যাব্রিয়েল মাগালহায়েসদের নিয়েও ব্রাজিল এখন অনেক বেশি ভারসাম্যপূর্ণ ও আত্মবিশ্বাসী। ক্লাব ফুটবলে আনচেলত্তি ও ভিনিসিয়ুসের সফল সম্পর্কে

ব্রাজিলের নকআউট নিশ্চিতের রাতে আনচেলত্তিরও নতুন কীর্তি

বিশ্বকাপে ব্রাজিলের পুনর্জাগরণ পর্বে নতুন এক অধ্যায়ের হিসেবে ভূমিকা রেখেছেন কোচ নাম কার্লো আনচেলত্তি। স্কটল্যান্ডকে ৩-০ গোলে হারিয়ে গ্রুপ পর্ব শেষ করার মধ্য দিয়ে শুধু ব্রাজিলই নকআউট পর্বে জায়গা নিশ্চিত করেনি, ইতালিয়ান কোচ আনচেলত্তিও গড়েছেন একটি বিশেষ কীর্তি।

ফ্যাবিও ক্যাপেলোর পর প্রথম ইতালিয়ান কোচ হিসেবে বিদেশি কোনো দলের দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে ফিফা বিশ্বকাপের নকআউটে দলকে তুলেছেন আনচেলত্তি। ২০১০ বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডকে শেষ ষোলোয় তুলেছিলেন ক্যাপেলো। এরপর কেটে গেছে ১৬ বছর, বিশ্বকাপের মঞ্চে আর কোনো ইতালিয়ান কোচ এই সাফল্য পাননি। সেই অপেক্ষার অবসান ঘটালেন ব্রাজিলের বর্তমান কোচ।

তবে এই অর্জন শুধু পরিসংখ্যানের গল্প নয়, বরং মাঠে ব্রাজিলের বদলে যাওয়া চেহারারও প্রতিফলন। আনচেলত্তির অধীনে ভিনিসিয়ুস জুনিয়র যেন নতুন প্রাণ ফিরে পেয়েছেন। স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে জোড়া গোল করে তিনি গ্রুপ পর্বে টানা তিন ম্যাচেই গোল করার কৃতিত্ব দেখিয়েছেন। রাফিনহা, ব্রুনো গিমারায়েস, মারকুইনহোস ও গ্যাব্রিয়েল মাগালহায়েসদের নিয়েও ব্রাজিল এখন অনেক বেশি ভারসাম্যপূর্ণ ও আত্মবিশ্বাসী।

ক্লাব ফুটবলে আনচেলত্তি ও ভিনিসিয়ুসের সফল সম্পর্কের গল্প নতুন নয়। রিয়াল মাদ্রিদে একসঙ্গে কাজ করার সময়ই ভিনিসিয়ুস বিশ্বের অন্যতম ভয়ংকর আক্রমণভাগের খেলোয়াড়ে পরিণত হন। চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ও লা লিগা জয়ের সেই যুগলবন্দি এখন ব্রাজিল জাতীয় দলেও প্রভাব ফেলছে। আনচেলত্তির অধীনে ব্রাজিলের হয়ে ১৩ ম্যাচে ভিনিসিয়ুসের গোলসংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭, যেখানে অন্য সব কোচের অধীনে ৩৯ ম্যাচে তার গোল ছিল মাত্র ৬টি।

বিশ্বকাপ শুরুর আগে ব্রাজিলকে নিয়ে প্রশ্ন ছিল অনেক; কিন্তু গ্রুপ পর্ব শেষে সেই প্রশ্নের জায়গা দখল করছে আশাবাদ। আনচেলত্তির অভিজ্ঞতা, ভিনিসিয়ুসের দুর্দান্ত ফর্ম, সঙ্গে রাফিনহাও নেইমারের সম্ভাব্য প্রত্যাবর্তন- সব মিলিয়ে সেলেসাওরা আবারও শিরোপার স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছে।

১৬ বছর পর কোনো ইতালিয়ানের বিদেশি দলের কোচ হিসেবে নকআউটে ওঠার কীর্তি হয়তো ইতিহাসের পাতায় লেখা থাকবে। কিন্তু ব্রাজিল সমর্থকদের কাছে আরও গুরুত্বপূর্ণ হলো, বহুদিন পর আবার চেনা ছন্দে ফিরতে শুরু করেছে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।

আইএইচএস/

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow