‘ব্রাজিল দলে কোনো সুপারস্টার দরকার নাই’

বিশ্বকাপের প্রত্যেকটা দলেরই একজন করে নায়ক থাকেন। সবাইকে ছাপিয়ে এই কেন্দ্রীয় চরিত্র ঘিরেই আবর্তিত হয় দলের মূল আক্রমণ। কিন্তু ব্রাজিল দলে ওইরকম কোনো নায়ককে দরকার নেই বলে মনে করেন দলটির কোচ কার্লো আনচেলত্তি। ‘ফোলহা দে সাও পাওলো’ পত্রিকায় শুক্রবার প্রকাশিত এক সাক্ষাৎকারে কোচ কার্লো আনচেলত্তি বলেন, ব্রাজিল জাতীয় দলের জন্য কোনো ‘তারকা’ বা ‘সুপারস্টার’র প্রয়োজন নেই, বরং প্রয়োজন এমন ‘উচ্চমানের খেলোয়াড়’ যাদের দলে অবদান রাখার সক্ষমতা রয়েছে। ৬৭ বছর বয়সী এই ইতালীয় কোচ, যিনি ২০২৫ সালের মে মাসে ‘কানারিনহা’র (ব্রাজিল দলের ডাকনাম) দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তিনি বলেন, সমর্থকদের হয়তো একজন ‘তারকা’র প্রয়োজন হয়। কিন্তু এখানে, জাতীয় দলে, আমাদের কোনো ‘তারকা’র দরকার নেই। আমাদের প্রয়োজন উচ্চমানের খেলোয়াড়দের, যারা দলের কার্যকারিতায় অবদান রাখতে পারবেন। কোচের মতে, কোনো টুর্নামেন্টের চূড়ান্ত পর্যায়ে সাফল্য ব্যক্তিগত কোনো চমকের ওপর নির্ভর করে না; বরং এটি নির্ভর করে দলের সংহতি বা ঐক্যের ওপর, যেখানে প্রতিটি খেলোয়াড় দলের সামগ্রিক সাফল্যের স্বার্থে নিজের দক্ষতা কাজে লাগান। আনচেলত্তি উল্লেখ করেন যে, তার পেশাদার ক্যারিয়ারে তি

‘ব্রাজিল দলে কোনো সুপারস্টার দরকার নাই’

বিশ্বকাপের প্রত্যেকটা দলেরই একজন করে নায়ক থাকেন। সবাইকে ছাপিয়ে এই কেন্দ্রীয় চরিত্র ঘিরেই আবর্তিত হয় দলের মূল আক্রমণ। কিন্তু ব্রাজিল দলে ওইরকম কোনো নায়ককে দরকার নেই বলে মনে করেন দলটির কোচ কার্লো আনচেলত্তি।

‘ফোলহা দে সাও পাওলো’ পত্রিকায় শুক্রবার প্রকাশিত এক সাক্ষাৎকারে কোচ কার্লো আনচেলত্তি বলেন, ব্রাজিল জাতীয় দলের জন্য কোনো ‘তারকা’ বা ‘সুপারস্টার’র প্রয়োজন নেই, বরং প্রয়োজন এমন ‘উচ্চমানের খেলোয়াড়’ যাদের দলে অবদান রাখার সক্ষমতা রয়েছে।

৬৭ বছর বয়সী এই ইতালীয় কোচ, যিনি ২০২৫ সালের মে মাসে ‘কানারিনহা’র (ব্রাজিল দলের ডাকনাম) দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তিনি বলেন, সমর্থকদের হয়তো একজন ‘তারকা’র প্রয়োজন হয়। কিন্তু এখানে, জাতীয় দলে, আমাদের কোনো ‘তারকা’র দরকার নেই। আমাদের প্রয়োজন উচ্চমানের খেলোয়াড়দের, যারা দলের কার্যকারিতায় অবদান রাখতে পারবেন।

কোচের মতে, কোনো টুর্নামেন্টের চূড়ান্ত পর্যায়ে সাফল্য ব্যক্তিগত কোনো চমকের ওপর নির্ভর করে না; বরং এটি নির্ভর করে দলের সংহতি বা ঐক্যের ওপর, যেখানে প্রতিটি খেলোয়াড় দলের সামগ্রিক সাফল্যের স্বার্থে নিজের দক্ষতা কাজে লাগান। আনচেলত্তি উল্লেখ করেন যে, তার পেশাদার ক্যারিয়ারে তিনি ১,৪০০-এরও বেশি ম্যাচে কোচের দায়িত্ব পালন করেছেন।

তিনি জানান, ফুটবল বিশ্বে কেবল একজন ব্যক্তিই তার চেয়ে বেশি ম্যাচে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি হলেন স্যার অ্যালেক্স ফার্গুসন, যিনি ২,০০০-এরও বেশি অফিসিয়াল ম্যাচে ডাগআউটে ছিলেন। এ কারণেই রসিকতা করে এই ইতালীয় কোচ বলেন যে, একমাত্র সেই কিংবদন্তি স্কটিশ কোচেরই তাঁকে নির্দেশনা দেওয়ার মতো প্রয়োজনীয় কর্তৃত্ব রয়েছে; তবে তিনি এটাও স্পষ্ট করেন যে, তিনি ‘স্বাভাবিকভাবেই’ সবার পরামর্শই গ্রহণ করেন।

তিনি বলেন, ‘আমি ফুটবল বুঝি কি না, তা জানি না। তবে আমি বুঝি কি না, তা বিচার করার অধিকার কারও নেই। একমাত্র সত্য হলো, আমি ১,৪০০-এরও বেশি ম্যাচের প্রস্তুতি নিয়েছি। ফুটবলকে পুরোপুরি বোঝার জন্য হয়তো এটা যথেষ্ট নয়, তবে এটি নিঃসন্দেহে একটি দারুণ অভিজ্ঞতা।’ তিনি জোর দিয়ে বলেন, ‘আমি ১০০ শতাংশ নিশ্চিত যে আমি কোনো জিনিয়াস নই, তবে একই সঙ্গে আমি এও ১০০ শতাংশ নিশ্চিত যে, আমি বোকাও নই।’

আরআর/এসকেডি/এএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow