ব্রাহ্মণপাড়ায় চুলায় রাখা গরম পানিতে দগ্ধ হয়ে শিশুর মৃত্যু!

কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার ব্রাহ্মণপাড়া পূর্বপাড়ায় চুলার ওপর রাখা গরম পানির পাতিল পড়ে ওয়াসানাত নামে এক শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। নিহত ওয়াসানাত ব্রাহ্মণপাড়া পূর্বপাড়ার বাসিন্দা আল আমিনের দ্বিতীয় কন্যা। নিহত শিশুর চাচা সোহাগ মিয়া নিশ্চিত করে জানান, বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) সকাল আনুমানিক ৯টার দিকে ওয়াসানাতের মা গ্যাসের চুলায় পানির পাতিল বসিয়ে রাখেন। অসাবধানতাবশত শিশুটি চুলার কাছে গেলে হঠাৎ করে গরম পানির পাতিল উল্টে তার শরীরের ওপর পড়ে। এতে শিশুটির শরীরের বিভিন্ন অংশ মারাত্মকভাবে দগ্ধ হয়। পরিবারের লোকজন দ্রুত শিশুটিকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) সকাল ৯টার দিকে ওয়াসানাত মারা যায়। চাচা সোহাগ মিয়া আরও জানান, নিহত শিশুর পিতা গত কয়েক মাস ধরে ঢাকার নিকেতনে একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করছিলেন। দুর্ঘটনার সময় শিশুটি তার মায়ের সঙ্গেই বাড়িতে ছিল। এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। এ বিষয়টি জানতে ব্রাহ্মণপাড়া থানা

ব্রাহ্মণপাড়ায় চুলায় রাখা গরম পানিতে দগ্ধ হয়ে শিশুর মৃত্যু!

কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার ব্রাহ্মণপাড়া পূর্বপাড়ায় চুলার ওপর রাখা গরম পানির পাতিল পড়ে ওয়াসানাত নামে এক শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।

শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। নিহত ওয়াসানাত ব্রাহ্মণপাড়া পূর্বপাড়ার বাসিন্দা আল আমিনের দ্বিতীয় কন্যা।

নিহত শিশুর চাচা সোহাগ মিয়া নিশ্চিত করে জানান, বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) সকাল আনুমানিক ৯টার দিকে ওয়াসানাতের মা গ্যাসের চুলায় পানির পাতিল বসিয়ে রাখেন। অসাবধানতাবশত শিশুটি চুলার কাছে গেলে হঠাৎ করে গরম পানির পাতিল উল্টে তার শরীরের ওপর পড়ে। এতে শিশুটির শরীরের বিভিন্ন অংশ মারাত্মকভাবে দগ্ধ হয়।

পরিবারের লোকজন দ্রুত শিশুটিকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) সকাল ৯টার দিকে ওয়াসানাত মারা যায়।

চাচা সোহাগ মিয়া আরও জানান, নিহত শিশুর পিতা গত কয়েক মাস ধরে ঢাকার নিকেতনে একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করছিলেন। দুর্ঘটনার সময় শিশুটি তার মায়ের সঙ্গেই বাড়িতে ছিল। এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

এ বিষয়টি জানতে ব্রাহ্মণপাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ সাব্বির মোহাম্মদ সেলিমের মোবাইল নাম্বারে একাধিক বার কল করলে রিসিভ করেনি।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow