ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাইকে ঘোষণা দিয়ে তিন গ্রামবাসীর সংঘর্ষ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় মোটরসাইকেলের ধাক্কা লাগাকে কেন্দ্র করে তিন গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় ২০ জন আহত হয়েছেন। সোমবার (৬ জুলাই) বিকেলে উপজেলার তিনলাখপীর-চারগাছ সড়কের পাশে সংঘর্ষে ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শ্যামবাড়ি গ্রামের সিএনজিচালিত অটোরিকশা চালক লাদেনের সঙ্গে হাতুড়াবাড়ি গ্রামের এক ব্যক্তির মোটরসাইকেলের ধাক্কা লাগাকে কেন্দ্র করে কথাকাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে বিষয়টি দুই গ্রামের বিরোধে রূপ নেয়। পরে উপজেলার মূলগ্রাম ইউনিয়নের শ্যামবাড়ি ও বাদৈর ইউনিয়নের হাতুড়াবাড়ি গ্রামের বাসিন্দারা তিনলাখপীর-চারগাছ সড়কের পাশে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সংঘর্ষ চলাকালে মাইকে ঘোষণা দিয়ে লোকজনকে জড়ো করা হয়। পরে শ্যামবাড়ি গ্রামের পক্ষে পাশের নিমবাড়ি গ্রামের লোকজনও সংঘর্ষে অংশ নেয়। এতে পুরো এলাকায় চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং তিন গ্রামের বাসিন্দারা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে মুখোমুখি অবস্থান নেয়। সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে কয়েকজনকে কসবা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। খবর

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাইকে ঘোষণা দিয়ে তিন গ্রামবাসীর সংঘর্ষ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় মোটরসাইকেলের ধাক্কা লাগাকে কেন্দ্র করে তিন গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় ২০ জন আহত হয়েছেন।

সোমবার (৬ জুলাই) বিকেলে উপজেলার তিনলাখপীর-চারগাছ সড়কের পাশে সংঘর্ষে ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শ্যামবাড়ি গ্রামের সিএনজিচালিত অটোরিকশা চালক লাদেনের সঙ্গে হাতুড়াবাড়ি গ্রামের এক ব্যক্তির মোটরসাইকেলের ধাক্কা লাগাকে কেন্দ্র করে কথাকাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে বিষয়টি দুই গ্রামের বিরোধে রূপ নেয়। পরে উপজেলার মূলগ্রাম ইউনিয়নের শ্যামবাড়ি ও বাদৈর ইউনিয়নের হাতুড়াবাড়ি গ্রামের বাসিন্দারা তিনলাখপীর-চারগাছ সড়কের পাশে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সংঘর্ষ চলাকালে মাইকে ঘোষণা দিয়ে লোকজনকে জড়ো করা হয়। পরে শ্যামবাড়ি গ্রামের পক্ষে পাশের নিমবাড়ি গ্রামের লোকজনও সংঘর্ষে অংশ নেয়। এতে পুরো এলাকায় চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং তিন গ্রামের বাসিন্দারা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে মুখোমুখি অবস্থান নেয়। সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে কয়েকজনকে কসবা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

খবর পেয়ে কসবা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. ছামিউল ইসলাম এবং কসবা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলী মোহাম্মদ রাশেদের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।

কসবা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলী মোহাম্মদ রাশেদ বলেন, ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

আবুল হাসনাত মো. রাফি/এনএইচআর/এএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow