ভাঙ্গায় কালবেলার সাংবাদিককে কুপিয়ে জখম
ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায় সাংবাদিক সাইফুল্লাহ শামীমকে কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করেছে মিম মুন্সি নামের এক সন্ত্রাসী। সাংবাদিক সাইফুল্লাহ শামীম দৈনিক কালবেলার ভাঙ্গা উপজেলা প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে ভাঙ্গা পৌরসভাধীন কাপুরিয়া সদরদী এলাকার হেলিপ্যাড সংলগ্ন গাজীরভিটা মসজিদের সামনে এ ঘটনা ঘটে। আহত সাংবাদিক সাইফুল্লাহ শামীম (৪৭) বলেন, কাপুড়িয়া সদরদী এলাকায় জায়গা জমি কেনা-বেচা করতে হলে চৌধুরীকান্দা সদরদী গ্রামের কোটন মুন্সির ছেলে রামিম মুন্সিকে চাঁদা দিতে হয়। দীর্ঘদিন থেকে সে এরকম কাজ করছে। এ বিষয়টি নিয়ে তথ্য সংগ্রহ করতে ওই এলাকায় যাই। চাঁদাবাজির বিষয়ে রামিম এর বক্তব্য চাইলে সে আমাকে ডেকে একটি ফাঁকা জায়গায় নিয়ে যায়। তার সাথে থাকা চাকু দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে আমাকে জখম করে সে পালিয়ে যায়। স্থানীয়রা আমাকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে ভাঙ্গা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। রমিম মুন্সির বিরুদ্ধে ভাঙ্গা থানায় বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মামলাসহ একাধিক মামলা রয়েছে। সে নিক্সন চৌধুরীর গডফাদার নামে পরিচিত। রামিম নির্বাচনের আগ পর্যন্ত গা ঢ
ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায় সাংবাদিক সাইফুল্লাহ শামীমকে কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করেছে মিম মুন্সি নামের এক সন্ত্রাসী। সাংবাদিক সাইফুল্লাহ শামীম দৈনিক কালবেলার ভাঙ্গা উপজেলা প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত রয়েছেন।
বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে ভাঙ্গা পৌরসভাধীন কাপুরিয়া সদরদী এলাকার হেলিপ্যাড সংলগ্ন গাজীরভিটা মসজিদের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
আহত সাংবাদিক সাইফুল্লাহ শামীম (৪৭) বলেন, কাপুড়িয়া সদরদী এলাকায় জায়গা জমি কেনা-বেচা করতে হলে চৌধুরীকান্দা সদরদী গ্রামের কোটন মুন্সির ছেলে রামিম মুন্সিকে চাঁদা দিতে হয়। দীর্ঘদিন থেকে সে এরকম কাজ করছে। এ বিষয়টি নিয়ে তথ্য সংগ্রহ করতে ওই এলাকায় যাই। চাঁদাবাজির বিষয়ে রামিম এর বক্তব্য চাইলে সে আমাকে ডেকে একটি ফাঁকা জায়গায় নিয়ে যায়। তার সাথে থাকা চাকু দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে আমাকে জখম করে সে পালিয়ে যায়। স্থানীয়রা আমাকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে ভাঙ্গা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
রমিম মুন্সির বিরুদ্ধে ভাঙ্গা থানায় বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মামলাসহ একাধিক মামলা রয়েছে। সে নিক্সন চৌধুরীর গডফাদার নামে পরিচিত। রামিম নির্বাচনের আগ পর্যন্ত গা ঢাকা দিয়েছিল। নির্বাচনের পরে তাকে এলাকায় প্রকাশ্যে দেখা গেছে।
এ ঘটনায় আহত সাংবাদিক ভাঙ্গা থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন।
ভাঙ্গা থানার ওসি আব্দুল আলী বলেন, রমিম মুন্সির বিরুদ্ধে থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। তাকে গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
What's Your Reaction?