ভাতে মারার চেষ্টা করা হয়েছে: অভিষেক
পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারের গত ১৫ বছরের উন্নয়নের খতিয়ান সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে এবার অভিনব উদ্যোগ নিল তৃণমূল কংগ্রেস। ঘরে ঘরে প্রচারের পাশাপাশি এবার তৈরি করা হয়েছে স্বল্পদৈর্ঘ্যের তথ্যমূলক চলচ্চিত্র ‘লক্ষ্মী এলো ঘরে’। বুধবার (১৪ জানুয়ারি) ছিল এই ছবির প্রিমিয়ার, যেখানে উপস্থিত ছিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ৫৫ মিনিটের এই ছবিটি দেখে অভিভূত অভিষেক। সিনেমার প্রশংসার পাশাপাশি হাসিমুখে তিনি সাফ জানিয়ে দেন, সিনেমা দেখতে ভালোবাসলেও নিজে তিনি কখনোই অভিনয় করবেন না। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, ‘রাজ্য সরকার জনসেবায় এবং মানুষের জীবনমান উন্নয়নে গত ১৫ বছরে ৯৫ থেকে ৯৭টি প্রকল্প তৈরি করেছে। কিন্তু কী কী কাজ হয়েছে, তার কোনো সুনির্দিষ্ট ডকুমেন্টেশন এতদিন ছিল না। এই ছবির মাধ্যমে সেই কাজটিই হলো।’ তিনি আরও জানান, ‘উন্নয়নের পাঁচালি’র পাশাপাশি গ্রামে গ্রামে প্রোজেক্টরের মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে এই ছবি দেখানো হবে। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, ছবির স্ক্রিপ্ট অভিষেক নিজে দেখেছেন এবং প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিয়েছেন। মাত্র ১৫ দিনের মধ্যে ছবির শুটিং থেকে শুরু করে নির্মাণপর্ব শেষ করা হয়েছ
পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারের গত ১৫ বছরের উন্নয়নের খতিয়ান সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে এবার অভিনব উদ্যোগ নিল তৃণমূল কংগ্রেস। ঘরে ঘরে প্রচারের পাশাপাশি এবার তৈরি করা হয়েছে স্বল্পদৈর্ঘ্যের তথ্যমূলক চলচ্চিত্র ‘লক্ষ্মী এলো ঘরে’। বুধবার (১৪ জানুয়ারি) ছিল এই ছবির প্রিমিয়ার, যেখানে উপস্থিত ছিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।
৫৫ মিনিটের এই ছবিটি দেখে অভিভূত অভিষেক। সিনেমার প্রশংসার পাশাপাশি হাসিমুখে তিনি সাফ জানিয়ে দেন, সিনেমা দেখতে ভালোবাসলেও নিজে তিনি কখনোই অভিনয় করবেন না।
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, ‘রাজ্য সরকার জনসেবায় এবং মানুষের জীবনমান উন্নয়নে গত ১৫ বছরে ৯৫ থেকে ৯৭টি প্রকল্প তৈরি করেছে। কিন্তু কী কী কাজ হয়েছে, তার কোনো সুনির্দিষ্ট ডকুমেন্টেশন এতদিন ছিল না। এই ছবির মাধ্যমে সেই কাজটিই হলো।’ তিনি আরও জানান, ‘উন্নয়নের পাঁচালি’র পাশাপাশি গ্রামে গ্রামে প্রোজেক্টরের মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে এই ছবি দেখানো হবে।
উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, ছবির স্ক্রিপ্ট অভিষেক নিজে দেখেছেন এবং প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিয়েছেন। মাত্র ১৫ দিনের মধ্যে ছবির শুটিং থেকে শুরু করে নির্মাণপর্ব শেষ করা হয়েছে। প্রিমিয়ার শেষে উপস্থিত দর্শকদের কাছে তিনি বারবার জানতে চান, ‘মন থেকে বলছেন তো? সত্যি ভালো লেগেছে? মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এত কাজ এক জায়গায় করে দেখানোটা সত্যিই কঠিন। তবু একটা চেষ্টা হলো।’
অভিনয়ে তারকাসমাবেশ ও গল্প দলেরই বিধায়ক ও জনপ্রিয় পরিচালক রাজ চক্রবর্তী পরিচালনা করেছেন ‘লক্ষ্মী এলো ঘরে’। ছবির মূল চরিত্র ‘লক্ষ্মী’র ভূমিকায় অভিনয় করেছেন শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায়, যিনি একটি প্রতীকী চরিত্রের মাধ্যমে সরকারি প্রকল্পের সুফল বাংলার ঘরে ঘরে পৌঁছে দিচ্ছেন। সরকারের এজেন্ট হিসেবে বিভিন্ন প্রকল্পের কথা তুলে ধরেছেন অভিনেতা অঙ্কুশ হাজরা। এছাড়া সোহিনী সেনগুপ্ত তার অভিনয়ে চমক দিয়েছেন এবং অভিনেতা খরাজ মুখোপাধ্যায় কেন্দ্রীয় সরকারের ‘আতঙ্কের ছায়া’ বা ভিলেন চরিত্রে অভিনয় করেছেন।
ছবিতে একটি দুস্থ পরিবারের দুর্দশা, কেন্দ্রীয় সরকারের বঞ্চনা এবং একের পর এক রাজ্য সরকারি প্রকল্প কীভাবে সেই পরিবারের জীবন পাল্টে দিচ্ছে—তার বাস্তব চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।
সিনেমা শেষে অভিষেক বলেন, ‘কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের কী কী প্রকল্প আছে, বাংলার অনেক মানুষই তা জানেন না। নবজোয়ার যাত্রায় গিয়ে আমি এটা দেখেছি। তাই এই উদ্যোগ।’ তিনি অভিযোগ করেন, গত ৫ বছরে বাংলা কেন্দ্রের কোনো সহযোগিতা পায়নি, উল্টো ভাতে মারার চেষ্টা করা হয়েছে।
তিনি স্লোগান তুলে বলেন, ‘যে আমার পাতে ভাত দেয়, সে আমার মাথায় ছাদের ব্যবস্থা করবে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার সেটা করে দেখিয়েছে। এখানে কোনো রাজনীতি নেই।’
প্রিমিয়ারে তৃণমূলের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সিসহ দলের সাংসদ, মন্ত্রী ও বিধায়করা উপস্থিত ছিলেন। অভিষেক সমাজের বিশিষ্ট দর্শক এবং দলীয় কর্মীদের প্রতি আহ্বান জানান, অর্থনৈতিক প্রতিকূলতার মধ্যেও রাজ্য সরকার যে উন্নয়নের ছোঁয়া মানুষের জীবনে এনে দিয়েছে, তা যেন সবাইকে বোঝানো হয়।
What's Your Reaction?