`ভারতের গণতন্ত্র টিকে আছে, বাংলাদেশেও প্রভাবমুক্ত বিচারব্যবস্থা ও যোগ্য প্রশাসন গড়ে তুলতে হবে'

ভারতের গণতন্ত্রের উদাহরণ টেনে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, প্রতিবেশী দেশ ভারতের অনেক সমস্যা থাকলেও তাদের গণতন্ত্র টিকে গেছে, কারণ তাদের বিচার বিভাগ, প্রশাসন ও গণমাধ্যমসহ প্রতিষ্ঠানগুলো যথেষ্ট শক্তিশালী।রবিবার দুপুরে ঠাকুরগাঁও জেলা আইনজীবী সমিতি প্রাঙ্গণে একটি সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।মির্জা আলমগীর বলেন, বাংলাদেশের পরিস্থিতি এত সহজ নয়। ২০ কোটি মানুষ ৫৪ হাজার বর্গমাইলের একটি এলাকায় বসবাস করে। দারিদ্র্য একটি বড় সমস্যা। ঠাকুরগাঁওসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে উন্নত কলকারখানা নেই। আমরা এসব অঞ্চলে কৃষিনির্ভর কলকারখানা স্থাপন করতে চাই।তিনি আরও বলেন, গণতন্ত্র যদি চর্চা হয়, তাহলে অন্যান্য সব সমস্যার সমাধান হবে। আমরা যদি ন্যায়বিচারের জন্য প্রভাবমুক্ত একটি বিচারব্যবস্থা তৈরি করতে পারি, তাহলে দেশের মানুষ উপকৃত হবে। আমরা আমাদের প্রশাসনকে যোগ্য প্রশাসন হিসেবে গড়ে তুলতে পারলে রাষ্ট্র উপকৃত হবে। সমস্যা থাকবে, বিরোধিতা থাকবে, এর মাঝেও যদি আমরা দেশের সকল প্রতিষ্ঠানগুলোকে শক্তিশালী করতে পারি, তাহলে সব সমস্যার সমাধান হবে।এর আগে সকালে ঠাকুরগাঁও ডায়াবে

`ভারতের গণতন্ত্র টিকে আছে, বাংলাদেশেও প্রভাবমুক্ত বিচারব্যবস্থা ও যোগ্য প্রশাসন গড়ে তুলতে হবে'

ভারতের গণতন্ত্রের উদাহরণ টেনে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, প্রতিবেশী দেশ ভারতের অনেক সমস্যা থাকলেও তাদের গণতন্ত্র টিকে গেছে, কারণ তাদের বিচার বিভাগ, প্রশাসন ও গণমাধ্যমসহ প্রতিষ্ঠানগুলো যথেষ্ট শক্তিশালী।

রবিবার দুপুরে ঠাকুরগাঁও জেলা আইনজীবী সমিতি প্রাঙ্গণে একটি সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মির্জা আলমগীর বলেন, বাংলাদেশের পরিস্থিতি এত সহজ নয়। ২০ কোটি মানুষ ৫৪ হাজার বর্গমাইলের একটি এলাকায় বসবাস করে। দারিদ্র্য একটি বড় সমস্যা। ঠাকুরগাঁওসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে উন্নত কলকারখানা নেই। আমরা এসব অঞ্চলে কৃষিনির্ভর কলকারখানা স্থাপন করতে চাই।

তিনি আরও বলেন, গণতন্ত্র যদি চর্চা হয়, তাহলে অন্যান্য সব সমস্যার সমাধান হবে। আমরা যদি ন্যায়বিচারের জন্য প্রভাবমুক্ত একটি বিচারব্যবস্থা তৈরি করতে পারি, তাহলে দেশের মানুষ উপকৃত হবে। আমরা আমাদের প্রশাসনকে যোগ্য প্রশাসন হিসেবে গড়ে তুলতে পারলে রাষ্ট্র উপকৃত হবে। সমস্যা থাকবে, বিরোধিতা থাকবে, এর মাঝেও যদি আমরা দেশের সকল প্রতিষ্ঠানগুলোকে শক্তিশালী করতে পারি, তাহলে সব সমস্যার সমাধান হবে।

এর আগে সকালে ঠাকুরগাঁও ডায়াবেটিক সমিতি আয়োজিত নেপালের সহায়তায় ঠাকুরগাঁও আই ক্যাম্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দেন তিনি। সেখানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মির্জা আলমগীর বলেন, বাংলাদেশে নেপালের এই আই ক্যাম্পের মধ্য দিয়ে দুই দেশের মধ্যে পারস্পরিক সম্প্রীতির পরিবেশ বৃদ্ধি পাবে। উত্তরের জেলা ঠাকুরগাঁও নেপাল সীমান্তবর্তী পর্যটনের একটি অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি হবে।

ঠাকুরগাঁও ডায়াবেটিক অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ড. আবু মো. খায়রুল কবিরের সভাপতিত্বে এ সময় গেস্ট অব অনার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নেপাল দূতাবাস, বাংলাদেশের উপ-মিশন প্রধান প্রতিক কারকি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নেপাল নেত্র জ্যোতি সংঘের অধ্যাপক ড. চ্যাথ রাজ পান্ত, বিরাটনগর আই হাসপাতালের সভাপতি পদ্ম নারায়ণ চৌধুরী, ঠাকুরগাঁও জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট ইউসুফ আলী এবং সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট শেখ ফরিদ সহ আরও অনেকে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow