ভারতে পাচার হওয়া ১৪ বাংলাদেশি বেনাপোল দিয়ে ফেরত
ভালো কাজের প্রলোভনে পড়ে বিভিন্ন সময়ে ভারতে পাচার হওয়া ১৪ বাংলাদেশিকে ফেরত দিয়েছে ভারতীয় পুলিশ। শুক্রবার (১২ জুন) রাত ৮টার দিকে ভারতের পেট্রাপোল বন্দর দিয়ে বিশেষ ‘ট্রাভেল পারমিটে’ তাদের বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়।
ফেরত আসা বাংলাদেশিদের বাড়ি সুনামগঞ্জ, যশোর ও কক্সবাজার জেলার বিভিন্ন এলাকায় বলে জানা গেছে।
বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশন পুলিশের তদন্ত কর্মকর্তা সৈয়দ মোর্তজা আলী জানান, ফেরত আসা বাংলাদেশিদের ইমিগ্রেশন আনুষ্ঠানিকতা শেষে বেনাপোল পোর্ট থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। সেখান থেকে পরবর্তী আইনি সহায়তার জন্য ‘জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ার’ নামে একটি বেসরকারি মানবাধিকার সংস্থা তাদের জিম্মায় নিয়েছে।
‘জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ার’-এর বেনাপোল শাখার প্রতিনিধি শরিফুল ইসলাম জানান, ভালো কাজের প্রলোভনে দালালের খপ্পরে পড়ে তারা বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করেছিলেন। সেখানে অনুপ্রবেশের অভিযোগে তারা ভারতীয় পুলিশের হাতে আটক হন। পরবর্তীতে আদালত থেকে ছাড়িয়ে ভারতীয় একটি মানবাধিকার সংস্থা তাদের নিজস্ব শেল্টার হোমে (আশ্রয়কেন্দ্র) রাখে। এরপর দুই দেশের সরকারের সমঝোতায় বিশেষ ট্রাভেল
ভালো কাজের প্রলোভনে পড়ে বিভিন্ন সময়ে ভারতে পাচার হওয়া ১৪ বাংলাদেশিকে ফেরত দিয়েছে ভারতীয় পুলিশ। শুক্রবার (১২ জুন) রাত ৮টার দিকে ভারতের পেট্রাপোল বন্দর দিয়ে বিশেষ ‘ট্রাভেল পারমিটে’ তাদের বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়।
ফেরত আসা বাংলাদেশিদের বাড়ি সুনামগঞ্জ, যশোর ও কক্সবাজার জেলার বিভিন্ন এলাকায় বলে জানা গেছে।
বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশন পুলিশের তদন্ত কর্মকর্তা সৈয়দ মোর্তজা আলী জানান, ফেরত আসা বাংলাদেশিদের ইমিগ্রেশন আনুষ্ঠানিকতা শেষে বেনাপোল পোর্ট থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। সেখান থেকে পরবর্তী আইনি সহায়তার জন্য ‘জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ার’ নামে একটি বেসরকারি মানবাধিকার সংস্থা তাদের জিম্মায় নিয়েছে।
‘জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ার’-এর বেনাপোল শাখার প্রতিনিধি শরিফুল ইসলাম জানান, ভালো কাজের প্রলোভনে দালালের খপ্পরে পড়ে তারা বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করেছিলেন। সেখানে অনুপ্রবেশের অভিযোগে তারা ভারতীয় পুলিশের হাতে আটক হন। পরবর্তীতে আদালত থেকে ছাড়িয়ে ভারতীয় একটি মানবাধিকার সংস্থা তাদের নিজস্ব শেল্টার হোমে (আশ্রয়কেন্দ্র) রাখে। এরপর দুই দেশের সরকারের সমঝোতায় বিশেষ ট্রাভেল পারমিটের মাধ্যমে তারা দেশে ফেরার সুযোগ পান। ফেরত আসাদের আইনি ও সামাজিক পুনর্বাসনে সব ধরনের সহায়তা দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।