ভারত সফর করতে পারেন ডোনাল্ড ট্রাম্প
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও জানিয়েছেন, আগামী বছরের শুরুর দিকে ডোনাল্ড ট্রাম্পের ভারত সফর আয়োজনের জন্য কাজ করছে ওয়াশিংটন। ভারতীয় বার্তা সংস্থা আইএএনএসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে রুবিও বলেন, ভারত ও যুক্তরাষ্ট্র বর্তমানে একটি দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে আলোচনা করছে। সেই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবেই ট্রাম্পের সফর হতে পারে। তিনি জানান, সফরের প্রস্তুতি নিতে তিনি নিজেও চলতি বছর ভারত সফর করতে পারেন। রুবিও বলেন, আগামী বছরের প্রথমদিকে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে ভারতে আনার জন্য আমরা কাজ করছি। গত সপ্তাহে ফ্রান্সে জি৭ সম্মেলনের ফাঁকে ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও ট্রাম্পের বৈঠক হয়। বৈঠকের পর ট্রাম্প জানান, তাদের মধ্যে “খুব ভালো আলোচনা” হয়েছে। রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারত কয়েক মাস ধরেই ট্রাম্পের সফরের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়িয়েছে। সম্ভাব্য সফরটি জাপান ও অস্ট্রেলিয়াকে নিয়ে একটি আঞ্চলিক বৈঠকের সঙ্গেও যুক্ত হতে পারে। গত এক বছরে ভারত-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কে কিছুটা টানাপোড়েন তৈরি হয়েছিল। রাশিয়া থেকে তেল কেনার কারণে ওয়াশিংটন ভারতীয় পণ্যের ওপর উচ্চ শুল্ক আরোপ করে। একই সময়ে যুক্ত
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও জানিয়েছেন, আগামী বছরের শুরুর দিকে ডোনাল্ড ট্রাম্পের ভারত সফর আয়োজনের জন্য কাজ করছে ওয়াশিংটন।
ভারতীয় বার্তা সংস্থা আইএএনএসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে রুবিও বলেন, ভারত ও যুক্তরাষ্ট্র বর্তমানে একটি দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে আলোচনা করছে। সেই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবেই ট্রাম্পের সফর হতে পারে। তিনি জানান, সফরের প্রস্তুতি নিতে তিনি নিজেও চলতি বছর ভারত সফর করতে পারেন।
রুবিও বলেন, আগামী বছরের প্রথমদিকে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে ভারতে আনার জন্য আমরা কাজ করছি।
গত সপ্তাহে ফ্রান্সে জি৭ সম্মেলনের ফাঁকে ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও ট্রাম্পের বৈঠক হয়। বৈঠকের পর ট্রাম্প জানান, তাদের মধ্যে “খুব ভালো আলোচনা” হয়েছে।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারত কয়েক মাস ধরেই ট্রাম্পের সফরের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়িয়েছে। সম্ভাব্য সফরটি জাপান ও অস্ট্রেলিয়াকে নিয়ে একটি আঞ্চলিক বৈঠকের সঙ্গেও যুক্ত হতে পারে।
গত এক বছরে ভারত-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কে কিছুটা টানাপোড়েন তৈরি হয়েছিল। রাশিয়া থেকে তেল কেনার কারণে ওয়াশিংটন ভারতীয় পণ্যের ওপর উচ্চ শুল্ক আরোপ করে। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্কও জোরদার করে।
তবে এখন দুই দেশই সম্পর্ক উন্নয়ন ও বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করার বিষয়ে আশাবাদী। রুবিও বলেন, আমরা চুক্তির একেবারে শেষ পর্যায়ে আছি এবং অগ্রগতি খুবই ইতিবাচক।
What's Your Reaction?