ভালুকায় দিপু দাস হত্যায় আরও একজন গ্রেপ্তার

ময়মনসিংহের ভালুকায় পোশাক শ্রমিক দিপু চন্দ্র দাস (২৮) হত্যায় সহযোগিতার অভিযোগে রাজীব নামের আরও একজনকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। এ নিয়ে মোট ২২ জনকে গ্রেপ্তার করা হলো। গ্রেপ্তারকৃত মো. রাজীব (২২) ভালুকা উপজেলার কাশর পূর্বপাড়া গ্রামের সোহরাব উদ্দিনের ছেলে।শনিবার (২৪ জানুয়ারি) দিবাগত রাত ১১টার দিকে জেলা পুলিশ রাজীবকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে। এর আগে ওই দিন বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে গাজীপুরের শ্রীপুরের নগর হাওলা এলাকা থেকে পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি) তাকে গ্রেপ্তার করে।অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, গ্রেপ্তার রাজীব ঘটনাস্থলে উপস্থিত থেকে ভূমিকা পালন করেছেন। সে মরদেহ ঝুলানো অবস্থায় স্লোগান দিয়ে উত্তেজিত জনতাকে উসকানি দেন এবং দিপু চন্দ্র দাসের মরদেহের ওপর সংঘটিত অমানবিক নির্যাতনে সহযোগিতা করেন। দিপু চন্দ্র দাস হত্যা মামলায় এখন পর্যন্ত মোট ২২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর মধ্যে ১১ আসামি আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্য পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারের লক্ষ্যে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর

ভালুকায় দিপু দাস হত্যায় আরও একজন গ্রেপ্তার

ময়মনসিংহের ভালুকায় পোশাক শ্রমিক দিপু চন্দ্র দাস (২৮) হত্যায় সহযোগিতার অভিযোগে রাজীব নামের আরও একজনকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। এ নিয়ে মোট ২২ জনকে গ্রেপ্তার করা হলো। গ্রেপ্তারকৃত মো. রাজীব (২২) ভালুকা উপজেলার কাশর পূর্বপাড়া গ্রামের সোহরাব উদ্দিনের ছেলে।

শনিবার (২৪ জানুয়ারি) দিবাগত রাত ১১টার দিকে জেলা পুলিশ রাজীবকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে। এর আগে ওই দিন বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে গাজীপুরের শ্রীপুরের নগর হাওলা এলাকা থেকে পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি) তাকে গ্রেপ্তার করে।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, গ্রেপ্তার রাজীব ঘটনাস্থলে উপস্থিত থেকে ভূমিকা পালন করেছেন। সে মরদেহ ঝুলানো অবস্থায় স্লোগান দিয়ে উত্তেজিত জনতাকে উসকানি দেন এবং দিপু চন্দ্র দাসের মরদেহের ওপর সংঘটিত অমানবিক নির্যাতনে সহযোগিতা করেন। দিপু চন্দ্র দাস হত্যা মামলায় এখন পর্যন্ত মোট ২২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর মধ্যে ১১ আসামি আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্য পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারের লক্ষ্যে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

উল্লেখ্য, ধর্ম অবমাননার অভিযোগ তুলে গত ১৮ ডিসেম্বর দিপু দাসকে হত্যার পর মরদেহ রশি দিয়ে বেঁধে গাছে ঝুলিয়ে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। পরে এই ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে দেশজুড়ে তোলপাড় সৃষ্টি হয়। দিপু ভালুকার একটি পোশাক কারখানার শ্রমিক ছিলেন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow