ভাড়া বাসা থেকে জাবি ছাত্রীর ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধার 

সাভারের ইসলামনগর এলাকার ভাড়া বাসা থেকে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) লোকপ্রশাসন বিভাগের এক ছাত্রীর ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। রোববার (১৫ মার্চ) বিকেলে ক্যাম্পাস সংলগ্ন ইসলামনগরের ভাড়া বাসা থেকে তার মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহত ওই ছাত্রীর নাম শারমিন জাহান। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের লোকপ্রশাসন বিভাগের ৫১তম আবর্তনের (২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষ) শিক্ষার্থী ছিলেন। শারমিন তার স্বামী ফাহিম আল হাসানের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন ইসলামনগর এলাকায় ওই ভাড়া বাসায় থাকতেন। শারমিনের স্বামীর ভাষ্যমতে, ‘দুপুরে তিনি বাসায় ছিলেন না। দুপুর আনুমানিক ২টা থেকে ৩টার মধ্যে বাসায় ফিরে তিনি দেখতে পান যে বাসার প্রধান দরজা বাইরে থেকে বন্ধ। পরে বিকল্প উপায়ে বাসার ভেতরে প্রবেশ করে তিনি মেঝেতে শারমিনকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। শারমিনের মাথায় গভীর আঘাতের চিহ্ন ছিল এবং তিনি সম্পূর্ণ নিস্তেজ অবস্থায় ছিলেন। ​পরবর্তীতে বাসার মালিক ও প্রতিবেশীদের সহযোগিতায় শারমিনকে দ্রুত উদ্ধার করে সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।’ এ বিষয়ে এনাম

ভাড়া বাসা থেকে জাবি ছাত্রীর ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধার 

সাভারের ইসলামনগর এলাকার ভাড়া বাসা থেকে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) লোকপ্রশাসন বিভাগের এক ছাত্রীর ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

রোববার (১৫ মার্চ) বিকেলে ক্যাম্পাস সংলগ্ন ইসলামনগরের ভাড়া বাসা থেকে তার মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

নিহত ওই ছাত্রীর নাম শারমিন জাহান। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের লোকপ্রশাসন বিভাগের ৫১তম আবর্তনের (২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষ) শিক্ষার্থী ছিলেন। শারমিন তার স্বামী ফাহিম আল হাসানের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন ইসলামনগর এলাকায় ওই ভাড়া বাসায় থাকতেন।

শারমিনের স্বামীর ভাষ্যমতে, ‘দুপুরে তিনি বাসায় ছিলেন না। দুপুর আনুমানিক ২টা থেকে ৩টার মধ্যে বাসায় ফিরে তিনি দেখতে পান যে বাসার প্রধান দরজা বাইরে থেকে বন্ধ। পরে বিকল্প উপায়ে বাসার ভেতরে প্রবেশ করে তিনি মেঝেতে শারমিনকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। শারমিনের মাথায় গভীর আঘাতের চিহ্ন ছিল এবং তিনি সম্পূর্ণ নিস্তেজ অবস্থায় ছিলেন। ​পরবর্তীতে বাসার মালিক ও প্রতিবেশীদের সহযোগিতায় শারমিনকে দ্রুত উদ্ধার করে সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।’

এ বিষয়ে এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ডিউটি অফিসার ইউসুফ আলী বলেন, ‘শারমিনকে বিকেল সোয়া ৫টার দিকে হাসপাতালে আনা হয়। ওই সময় তিনি মৃত অবস্থায় ছিলেন। তখন আমরা তাকে মৃত ঘোষণা করি।’

খবর পেয়ে এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে উপস্থিত হন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক এ কে এম রাশিদুল আলমসহ কয়েকজন শিক্ষার্থী।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর রাশিদুল আলম বলেন, ‘শিক্ষার্থীকে প্রথমে বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসা কেন্দ্রে আনা হলে আমরা বিষয়টি সম্পর্কে অবগত হই। সেখান থেকে তাকে সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়, যেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।’

তিনি আরও জানান, ‘ঘটনার বিষয়ে সাভার ও আশুলিয়া থানাকে অবহিত করা হয়েছে এবং তারা ইতোমধ্যে তদন্ত কার্যক্রম শুরু করেছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন পুলিশকে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করছে।’

আশুলিয়া থানার ওসি রুবেল হাওলাদার জানান, ‘খবর পেয়ে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এটি হত্যাকাণ্ড নাকি অন্য কোনো দুর্ঘটনা, তা ময়নাতদন্তের পর নিশ্চিত হওয়া যাবে। পরবর্তীতে মামলা অনুযায়ী আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করব।’

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow