ভিনিসিয়ুসের গোলে সমতায় ফিরলো ব্রাজিল
বিশ্বকাপের অন্যতম ফেভারিট ব্রাজিলকে শুরু থেকেই চাপে রেখে দারুণ এক সূচনা করেছে মরক্কো। নিউ জার্সির তপ্ত সন্ধ্যায় ম্যাচের ২১ মিনিটেই গোল করে এগিয়ে গেছে আফ্রিকার প্রতিনিধিরা। ব্রাহিম দিয়াজের নিখুঁত পাস থেকে ব্রাজিলের জালে বল জড়ান ইসমাইল সাইবারি। তবে, সমতায় ফিরতে খুব বেশি সময় নেয়নি ব্রাজিল। ৩২তম মিনিটে প্রায় একক প্রচেষ্টায় মরক্কোর জালে বল জড়িয়ে দেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। লেফট উইং ধরে বল নিয়ে এগিয়ে আসেন ভিনিসিয়ুস। বক্সের কাছে এসে পাস ভেসে ব্রুনো গিমায়েরেসের কাছে। ফিরতি বল পেয়ে দুরহ অ্যাঙ্গেল থেকে ডান কোনের পোস্টে বল জড়িয়ে দেন ভিনি। ম্যাচের শুরু থেকেই আত্মবিশ্বাসী ফুটবল খেলতে দেখা যায় মরক্কোকে। ব্রাজিলের হাই প্রেসিংকে বারবার পাশ কাটিয়ে আক্রমণে ওঠে তারা। সপ্তম মিনিটে মাজরাউইয়ের ক্রস থেকে নিল এল আয়নাউইয়ের শট ব্রুনো গিমারায়েস ব্লক না করলে বিপদে পড়তে পারত সেলেসাওরা। একই আক্রমণে আশরাফ হাকিমির নিচু শটও ব্রাজিল রক্ষণকে ব্যস্ত রাখে। প্রথম ২০ মিনিটে মাঝমাঠের লড়াইয়ে ব্রাজিলকে বেশ ভুগতে হয়েছে। কার্লো আনচেলত্তির দল বলের দখল পেলেও আক্রমণ গড়ে তুলতে পারেনি ধারাবাহিকভাবে। বরং আজেদিন উনাহি, আয়ুব বুয়াদ্দি ও ব্রাহি
বিশ্বকাপের অন্যতম ফেভারিট ব্রাজিলকে শুরু থেকেই চাপে রেখে দারুণ এক সূচনা করেছে মরক্কো। নিউ জার্সির তপ্ত সন্ধ্যায় ম্যাচের ২১ মিনিটেই গোল করে এগিয়ে গেছে আফ্রিকার প্রতিনিধিরা। ব্রাহিম দিয়াজের নিখুঁত পাস থেকে ব্রাজিলের জালে বল জড়ান ইসমাইল সাইবারি।
তবে, সমতায় ফিরতে খুব বেশি সময় নেয়নি ব্রাজিল। ৩২তম মিনিটে প্রায় একক প্রচেষ্টায় মরক্কোর জালে বল জড়িয়ে দেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। লেফট উইং ধরে বল নিয়ে এগিয়ে আসেন ভিনিসিয়ুস। বক্সের কাছে এসে পাস ভেসে ব্রুনো গিমায়েরেসের কাছে। ফিরতি বল পেয়ে দুরহ অ্যাঙ্গেল থেকে ডান কোনের পোস্টে বল জড়িয়ে দেন ভিনি।
ম্যাচের শুরু থেকেই আত্মবিশ্বাসী ফুটবল খেলতে দেখা যায় মরক্কোকে। ব্রাজিলের হাই প্রেসিংকে বারবার পাশ কাটিয়ে আক্রমণে ওঠে তারা। সপ্তম মিনিটে মাজরাউইয়ের ক্রস থেকে নিল এল আয়নাউইয়ের শট ব্রুনো গিমারায়েস ব্লক না করলে বিপদে পড়তে পারত সেলেসাওরা। একই আক্রমণে আশরাফ হাকিমির নিচু শটও ব্রাজিল রক্ষণকে ব্যস্ত রাখে।
প্রথম ২০ মিনিটে মাঝমাঠের লড়াইয়ে ব্রাজিলকে বেশ ভুগতে হয়েছে। কার্লো আনচেলত্তির দল বলের দখল পেলেও আক্রমণ গড়ে তুলতে পারেনি ধারাবাহিকভাবে। বরং আজেদিন উনাহি, আয়ুব বুয়াদ্দি ও ব্রাহিম দিয়াজদের দাপটে বেশ কয়েকবার ছন্দ হারায় পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।
১৪ মিনিটে অবশ্য ম্যাচের সেরা সুযোগ পায় ব্রাজিল। বাম দিক দিয়ে ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের দারুণ ক্রসে বক্সের মধ্যে ফাঁকায় ছিলেন ইগর থিয়াগো। কিন্তু হেডে বলের সংযোগই করতে পারেননি তিনি। সুযোগ নষ্টের সেই আক্ষেপ আরও বাড়ে কয়েক মিনিট পরই।
২১ মিনিটে আসে ম্যাচের প্রথম গোল। ডান প্রান্তে জায়গা বের করে নেওয়া ব্রাহিম দিয়াজ চমৎকার একটি পাস বাড়ান ইসমাইল সাইবারির দিকে। সুযোগ পেয়ে ভুল করেননি পিএসভি আইন্দহোভেনের এই ফরোয়ার্ড। তার নিখুঁত ফিনিশিংয়ে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় মরক্কো।
গোল হজমের আগে ১৯ মিনিটে ভিনিসিয়ুস জুনিয়রকে নিশ্চিত সুযোগ থেকে বঞ্চিত করেন আশরাফ হাকিমি। রাফিনিয়ার দারুণ পাস থেকে ভিনিসিয়ুস গোলমুখে ঘুরে দাঁড়ালেও সময়মতো ট্যাকল করে বিপদ কাটান মরক্কোর অধিনায়ক।
ব্রাজিলের জন্য বিশ্বকাপের শিরোপা খরা দীর্ঘ হচ্ছে। ২০০২ সালের পর আর বিশ্বকাপ জেতেনি সেলেসাওরা। ফলে এবার তাদের সামনে রয়েছে ২৪ বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটানোর চ্যালেঞ্জ। কিন্তু সেই মিশনের শুরুটা এখন পর্যন্ত মোটেও স্বস্তিদায়ক নয়।
ম্যাচের প্রথম ২১ মিনিটে মরক্কো শুধু এগিয়েই নেই, খেলায়ও নিজেদের উপস্থিতি শক্তভাবে জানান দিয়েছে। অন্যদিকে দ্রুত ঘুরে দাঁড়িয়ে ব্রাজিলও প্রমাণ করলো, তারা হারিয়ে যাওয়া কোনো দল নয়।
আইএইচএস/
What's Your Reaction?