ভিপি প্রার্থীর স্ত্রীকে হেনস্তাকারীদের গ্রেপ্তারের দাবি, ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ নির্বাচনে শিবির সমর্থিত ‘অদম্য জবিয়ান ঐক্য’ প্যানেলের ভিপি প্রার্থী রিয়াজুল ইসলামের স্ত্রীর হেনস্তাকারীদের গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছে ছাত্রশিবির। মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) বিকেল ৫টায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানান রিয়াজুল ইসলাম। তিনি বলেন, ১৪ ব্যাচের মাহিমা আক্তারকে (রিয়াজুল ইসলামের স্ত্রী) হেনস্তা করে পুলিশে দিয়েছে ছাত্রদল। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে যারা এর সঙ্গে জড়িত তাদের গ্রেপ্তার করতে হবে। যদি সেটা না করা হয় আমরা দেখাব কীভাবে গ্রেপ্তার করাতে হয়। ফিজিক্স, ইসলামিক হিস্ট্রিসহ আরও চার নারী শিক্ষার্থীকে হেনস্তা করা হয়েছে। আমরা এরও বিচার দাবি করছি। রিয়াজুল ইসলাম বলেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় জনবসতির মধ্যে গড়ে ওঠা ক্যাম্পাস। এখানে সাধারণ পথচারী থাকবে। এখানে সাধারণ পথচারীদের জামায়াত ট্যাগ দিয়ে হেনস্তা করেছে ছাত্রদল। যারা তাদের হেনস্তার সঙ্গে জড়িত তাদের বিচার নিশ্চিত করতে হবে। তিনি আরও বলেন, ভোট গণনা নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সেই সিদ্ধান্তে প্রশাসনের সবাই সম্মতি দিয়েছে। আমরা দাবি জানাই, আগে
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ নির্বাচনে শিবির সমর্থিত ‘অদম্য জবিয়ান ঐক্য’ প্যানেলের ভিপি প্রার্থী রিয়াজুল ইসলামের স্ত্রীর হেনস্তাকারীদের গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছে ছাত্রশিবির।
মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) বিকেল ৫টায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানান রিয়াজুল ইসলাম।
তিনি বলেন, ১৪ ব্যাচের মাহিমা আক্তারকে (রিয়াজুল ইসলামের স্ত্রী) হেনস্তা করে পুলিশে দিয়েছে ছাত্রদল। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে যারা এর সঙ্গে জড়িত তাদের গ্রেপ্তার করতে হবে। যদি সেটা না করা হয় আমরা দেখাব কীভাবে গ্রেপ্তার করাতে হয়। ফিজিক্স, ইসলামিক হিস্ট্রিসহ আরও চার নারী শিক্ষার্থীকে হেনস্তা করা হয়েছে। আমরা এরও বিচার দাবি করছি।
রিয়াজুল ইসলাম বলেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় জনবসতির মধ্যে গড়ে ওঠা ক্যাম্পাস। এখানে সাধারণ পথচারী থাকবে। এখানে সাধারণ পথচারীদের জামায়াত ট্যাগ দিয়ে হেনস্তা করেছে ছাত্রদল। যারা তাদের হেনস্তার সঙ্গে জড়িত তাদের বিচার নিশ্চিত করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, ভোট গণনা নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সেই সিদ্ধান্তে প্রশাসনের সবাই সম্মতি দিয়েছে। আমরা দাবি জানাই, আগে যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে সে সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ভোট গণনা করতে হবে। এতে কোনো প্রকার পরিবর্তন আনা যাবে না। ভোট গণনা ও ফলাফল ঘোষণা পর্যন্ত রাষ্ট্রের সহযোগিতা কামনা করছি। আমাদের শিক্ষার্থীরা যে রায় দিয়েছে সেটাই ঘোষণা করা হোক। কোনো প্রকার ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং মেনে নেওয়া হবে না।
এছাড়াও, ক্যাম্পাসের বাহিরের ঘটনাগুলো ছাড়া ভোট গ্রহণ সুষ্ঠু হয়েছে বলে জানিয়েছে শিবির সমর্থিত প্যানেলের ভিপি প্রার্থী রিয়াজুল ইসলাম।
এর আগে দুই দফা পিছিয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ ও হল সংসদ নির্বাচনের নতুন তারিখ ঘোষণা করা বিগত বছরের ৩০ ডিসেম্বর। এদিন নির্বাচন শুরুর ঠিক আগ মুহূর্তে ভোর ৬টায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। এর প্রেক্ষিতে জরুরি সিন্ডিকেট সভায় নির্বাচন স্থগিত করা হয়। এরপর দিনভর শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে ফের জরুরি সিন্ডিকেট সভা ডেকে ৬ জানুয়ারি নির্বাচনের নতুন তারিখ ঘোষণা করা হয়।
নির্বাচনে উল্লেখযোগ্য প্যানেলগুলোর মধ্যে রয়েছে ছাত্রদল সমর্থিত ‘ঐক্যবদ্ধ নির্ভীক জবিয়ান’ ছাত্রশিবির সমর্থিত ‘অদম্য জবিয়ান ঐক্য’ ছাত্রশক্তি সমর্থিত ‘ঐক্যবদ্ধ জবিয়ান’ ও বামপন্থি মওলানা ভাসানী ব্রিগেড প্যানেল। এছাড়া একটি আংশিক প্যানেল ছাড়াও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা রয়েছেন।
What's Your Reaction?