ভুয়া এন এস আই পরিচয়ে তেল নিতে গিয়ে ধরা, পরে মুচলেকায় মুক্ত

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে নিজেকে জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থার (এন এস আই) উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে তেল নিতে গিয়ে এক যুবক ধরা পড়েছেন। পরে জিজ্ঞাসাবাদে তার পরিচয় ভুয়া প্রমাণিত হলে মুচলেকা নিয়ে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। সোমবার দুপুর ১১টার দিকে কালীগঞ্জ শহরের কোটচাঁদপুর সড়কের এস আর ফিলিং স্টেশনে এ ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ওই ব্যক্তি নিয়ম ভঙ্গ করে তেল নেওয়ার চেষ্টা করলে পাম্পে দায়িত্বে থাকা পুলিশ সদস্যরা তাকে বাধা দেন। এ সময় তিনি উত্তেজিত হয়ে উচ্চকণ্ঠে বলেন, আপনারা ম্যানার জানেন না, আমি এন এস আইয়ের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা। এতে সেখানে অস্বস্তিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। তার আচরণ সন্দেহজনক মনে হলে উপস্থিত মোটরসাইকেল চালক ও পাম্পের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা স্থানীয় থানা পুলিশে খবর দেন। পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে উঠলে ঘটনাস্থলে পুলিশ গিয়ে তাকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে। জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে তিনি একেক সময় একেক ধরনের পরিচয় দেন। কখনও নিজেকে এন এসআই কর্মকর্তা, আবার কখনও ন্যাশনাল প্রেস সোসাইটি (এনপিএস) এর সদস্য বলে দাবি করেন। তার কাছে থাকা একটি আইডি কার্ডে নাম লেখা ছিল হাফিজ উল্লাহ এবং তাতে আরব রিপাবলিক অব ই

ভুয়া এন এস আই পরিচয়ে তেল নিতে গিয়ে ধরা, পরে মুচলেকায় মুক্ত

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে নিজেকে জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থার (এন এস আই) উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে তেল নিতে গিয়ে এক যুবক ধরা পড়েছেন। পরে জিজ্ঞাসাবাদে তার পরিচয় ভুয়া প্রমাণিত হলে মুচলেকা নিয়ে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।

সোমবার দুপুর ১১টার দিকে কালীগঞ্জ শহরের কোটচাঁদপুর সড়কের এস আর ফিলিং স্টেশনে এ ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ওই ব্যক্তি নিয়ম ভঙ্গ করে তেল নেওয়ার চেষ্টা করলে পাম্পে দায়িত্বে থাকা পুলিশ সদস্যরা তাকে বাধা দেন। এ সময় তিনি উত্তেজিত হয়ে উচ্চকণ্ঠে বলেন, আপনারা ম্যানার জানেন না, আমি এন এস আইয়ের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা। এতে সেখানে অস্বস্তিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

তার আচরণ সন্দেহজনক মনে হলে উপস্থিত মোটরসাইকেল চালক ও পাম্পের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা স্থানীয় থানা পুলিশে খবর দেন। পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে উঠলে ঘটনাস্থলে পুলিশ গিয়ে তাকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে।

জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে তিনি একেক সময় একেক ধরনের পরিচয় দেন। কখনও নিজেকে এন এসআই কর্মকর্তা, আবার কখনও ন্যাশনাল প্রেস সোসাইটি (এনপিএস) এর সদস্য বলে দাবি করেন। তার কাছে থাকা একটি আইডি কার্ডে নাম লেখা ছিল হাফিজ উল্লাহ এবং তাতে আরব রিপাবলিক অব ইজিপ্ট উল্লেখসহ কিছু আরবি লেখা দেখা যায়। এছাড়া তার কাছে বাংলাদেশের একটি জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) পাওয়া যায়, যেখানে তার নাম হাফিজ উল্লাহ, পিতা ইদ্রিস আলী, মাতা রোজিনা খাতুন এবং ঠিকানা কালীগঞ্জ পৌরসভার ফয়লা কলেজপাড়া উল্লেখ রয়েছে।

এ সময় তিনি পুলিশ সদস্যদের একটি কথিত এন এসআই পরিচয়পত্রও দেখান, যা যাচাই-বাছাইয়ে ভুয়া বলে প্রমাণিত হয়।

এ বিষয়ে কালীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জেল্লাল হোসেন জানান, আটক ব্যক্তি ভুয়া পরিচয় দিয়েছেন এবং জিজ্ঞাসাবাদে একেক সময় একেক ধরনের তথ্য দিয়েছেন। পরে জেলা থেকে এন এসআই কর্মকর্তাদের একটি দল এসে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে এবং তার দাবি অসত্য বলে নিশ্চিত হয়। পরবর্তীতে মুচলেকা নিয়ে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা এমন প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে প্রশাসনের আরও কঠোর নজরদারির দাবি জানিয়েছেন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow