ভুয়া পরিচয়পত্র বানিয়ে গুলশানে বাড়ি দখলের চেষ্টা, ঠাঁই হলো কারাগারে
ভুয়া জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) তৈরি করে রাজধানীর গুলশানে বাড়ি দখলের চেষ্টার অভিযোগে করা মামলায় প্রতারক চক্রের হোতা মো. হানিফ হাওলাদার ওরফে আব্দুল আজিজ খান আদালতে স্বেচ্ছায় দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন। আদালত জবানবন্দি নিয়ে তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন। গুলশান থানার পুলিশ শনিবার (১১ এপ্রিল) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. মঞ্জুরুল ইসলামের আদালতে হানিফ হাওলাদারকে হাজির করে। এসময় আসামি স্বেচ্ছায় নিজের অপরাধ স্বীকার করে জবানবন্দি দিতে আগ্রহ প্রকাশ করেন। পরে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গুলশান থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মাহাবুব হোসাইন ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি রেকর্ডের আবেদন করলে আদালত তা মঞ্জুর করেন। আদালত ও সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, জবানবন্দিতে হানিফ হাওলাদার জানান, তিনি গুলশান-১ এলাকার ১২৭ নম্বর সড়কের ১৫ নম্বর বাড়িটি দখলের উদ্দেশ্যে আব্দুল আজিজ খান নামের একটি ভুয়া জাতীয় পরিচয়পত্র তৈরি করেন। পরিকল্পনা অনুযায়ী গত ১৯ মার্চ সহযোগীদের নিয়ে তিনি ওই বাড়িতে প্রবেশ করে হামলা চালান। এ ঘটনায় শুক্রবার রাতে অভিযান চালিয়ে হানিফ হাওলাদারকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তার বিরুদ্ধে ভুয়া পরিচয়
ভুয়া জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) তৈরি করে রাজধানীর গুলশানে বাড়ি দখলের চেষ্টার অভিযোগে করা মামলায় প্রতারক চক্রের হোতা মো. হানিফ হাওলাদার ওরফে আব্দুল আজিজ খান আদালতে স্বেচ্ছায় দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন। আদালত জবানবন্দি নিয়ে তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।
গুলশান থানার পুলিশ শনিবার (১১ এপ্রিল) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. মঞ্জুরুল ইসলামের আদালতে হানিফ হাওলাদারকে হাজির করে। এসময় আসামি স্বেচ্ছায় নিজের অপরাধ স্বীকার করে জবানবন্দি দিতে আগ্রহ প্রকাশ করেন। পরে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গুলশান থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মাহাবুব হোসাইন ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি রেকর্ডের আবেদন করলে আদালত তা মঞ্জুর করেন।
আদালত ও সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, জবানবন্দিতে হানিফ হাওলাদার জানান, তিনি গুলশান-১ এলাকার ১২৭ নম্বর সড়কের ১৫ নম্বর বাড়িটি দখলের উদ্দেশ্যে আব্দুল আজিজ খান নামের একটি ভুয়া জাতীয় পরিচয়পত্র তৈরি করেন। পরিকল্পনা অনুযায়ী গত ১৯ মার্চ সহযোগীদের নিয়ে তিনি ওই বাড়িতে প্রবেশ করে হামলা চালান।
এ ঘটনায় শুক্রবার রাতে অভিযান চালিয়ে হানিফ হাওলাদারকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তার বিরুদ্ধে ভুয়া পরিচয়ে সম্পত্তি দখলচেষ্টাসহ একাধিক প্রতারণার অভিযোগ রয়েছে। একই ঘটনায় এর আগে চক্রের আরেক সদস্য মো. ইউসুফকে গ্রেফতার করে দুই দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়।
মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, বাড়িটি প্রায় ১৯ কাঠা ১৩ ছটাক জমির ওপর নির্মিত। ২০১৩ সালের শেষ দিকে আব্দুল আজিজ খান নামের এক ব্যক্তির কাছ থেকে সম্পত্তিটি কিনে নেয় মেসার্স মুন ইন্টারন্যাশনাল প্রিন্টিং প্রেস। ভবনটিতে ব্যবসায়িক কার্যক্রমের পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের পরিবারের সদস্যরাও বসবাস করে আসছিলেন।
তদন্তে জানা যায়, প্রকৃত আব্দুল আজিজ খান আগেই মারা গেছেন। সেই সুযোগে তার পরিচয় ব্যবহার করে হানিফ হাওলাদার ভুয়া কাগজপত্র তৈরি করেন এবং নিজেকে মালিক দাবি করে বাড়ি দখলের চেষ্টা চালান। অভিযোগ রয়েছে, ঘটনার দিন তিনি ও তার সহযোগীরা বাড়ির ভেতরে ঢুকে বাসিন্দাদের মারধর এবং স্বর্ণালংকার ও নগদ অর্থ লুট করে নেন। পাশাপাশি ভবনের নির্মাণকাজ চালিয়ে যেতে ৫০ লাখ টাকা চাঁদাও দাবি করা হয়।
এ ঘটনায় প্রতিষ্ঠানের জেনারেল ম্যানেজার আনোয়ার আলী গুলশান থানায় মামলা করেন। তদন্তে প্রতারণা চক্রের নানা তথ্য উঠে আসছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
এমডিএএ/একিউএফ
What's Your Reaction?