ভুয়া সনদে চাকরি হারালেন রাবিপ্রবি শিক্ষক

ভুয়া অভিজ্ঞতার সনদ, জাল স্বাক্ষর ও তথ্য গোপনের মাধ্যমে চাকরি গ্রহণের অভিযোগে রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবিপ্রবি) এক শিক্ষককে চাকরি থেকে অপসারণ করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) রাবিপ্রবির উপাচার্য ড. মো আতিয়ার রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। চাকরিচ্যুত শিক্ষক হলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক জুয়েল সিকদার। বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানায়, জুয়েল সিকদারের বিরুদ্ধে সাউদার্ন ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের সিএসই বিভাগের প্রধান ও রেজিস্ট্রারের স্বাক্ষর জাল করা, ভুয়া লেটারহেড ব্যবহার, তথ্য গোপন এবং এসবের মাধ্যমে আর্থিক সুবিধা গ্রহণের অভিযোগ ওঠে। অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তিনটি পৃথক তদন্ত কমিটি গঠন করে। তদন্ত শেষে কমিটিগুলোর প্রতিবেদনে অভিযোগগুলো সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়। এরপর ২০২৫ সালের ১৭ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত রিজেন্ট বোর্ডের ৯ম সভায় সর্বসম্মতিক্রমে তাকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়। সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা ২০১৮ অনুযায়ী একই তারিখ থেকে তাকে চাকরি থেকে অপসারণ করা হয় এবং তার পদ শূন্য ঘোষণা করা হয়। এছাড়া

ভুয়া সনদে চাকরি হারালেন রাবিপ্রবি শিক্ষক

ভুয়া অভিজ্ঞতার সনদ, জাল স্বাক্ষর ও তথ্য গোপনের মাধ্যমে চাকরি গ্রহণের অভিযোগে রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবিপ্রবি) এক শিক্ষককে চাকরি থেকে অপসারণ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) রাবিপ্রবির উপাচার্য ড. মো আতিয়ার রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

চাকরিচ্যুত শিক্ষক হলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক জুয়েল সিকদার।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানায়, জুয়েল সিকদারের বিরুদ্ধে সাউদার্ন ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের সিএসই বিভাগের প্রধান ও রেজিস্ট্রারের স্বাক্ষর জাল করা, ভুয়া লেটারহেড ব্যবহার, তথ্য গোপন এবং এসবের মাধ্যমে আর্থিক সুবিধা গ্রহণের অভিযোগ ওঠে।

অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তিনটি পৃথক তদন্ত কমিটি গঠন করে। তদন্ত শেষে কমিটিগুলোর প্রতিবেদনে অভিযোগগুলো সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়।

এরপর ২০২৫ সালের ১৭ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত রিজেন্ট বোর্ডের ৯ম সভায় সর্বসম্মতিক্রমে তাকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়। সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা ২০১৮ অনুযায়ী একই তারিখ থেকে তাকে চাকরি থেকে অপসারণ করা হয় এবং তার পদ শূন্য ঘোষণা করা হয়।

এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগদানের পর থেকে প্রাপ্ত সকল বেতন ও আর্থিক সুবিধা দ্রুত ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে প্রশাসন। নির্দেশনা অমান্য করা হলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানানো হয়েছে।

এর আগে ২০২৩ সালের ২০ নভেম্বর তাকে প্রক্টর পদসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল কমিটি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছিল।

আরমান খান/এমএন/জেআইএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow