ভূমিহীনদের টাকা আত্মসাৎ: এনজিও কর্মকর্তার ৫ বছরের কারাদণ্ড

চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলায় ভূমিহীনদের জন্য বরাদ্দকৃত ঋণের টাকা আত্মসাতের দায়ে একটি এনজিওর মহাসচিবকে পাঁচ বছর সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। রোববার (৩ মে) চট্টগ্রাম বিভাগীয় বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. মিজানুর রহমান এ রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডপ্রাপ্ত সৈয়দ হাসানুজ্জামান লোটন রিহ্যাবিলিটেশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন ফর ল্যান্ডলেস (র‌্যাডল) নামের একটি এনজিওর মহাসচিব ছিলেন। তিনি টাঙ্গাইল সদর উপজেলার আকুরঠাকুরপাড়া শিমুলতলী এলাকার বাসিন্দা। দুর্নীতি দমন কমিশনের পাবলিক প্রসিকিউটর মো. এনামুল ইসলাম জানান, সাতজন সাক্ষীর সাক্ষ্যে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত দণ্ডবিধির ৪০৯ ধারায় চার বছর এবং ৪২০ ধারায় এক বছর সশ্রম কারাদণ্ড দেন। পাশাপাশি তাকে ৭২ হাজার ১০০ টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। রায়ের সময় আসামি পলাতক থাকায় আদালত তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন। মামলার নথি সূত্রে জানা যায়, রাউজানের ডাবুয়া গ্রামের ভূমিহীনদের মধ্যে ঋণ বিতরণের জন্য ৭০ হাজার টাকা গ্রহণ করেন লোটন। চুক্তি অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ে অর্থফেরত দেওয়ার কথা থাকলেও তিনি তা না দিয়ে আত্মসাৎ করেন। এছাড়া ভূমি মন্ত

ভূমিহীনদের টাকা আত্মসাৎ: এনজিও কর্মকর্তার ৫ বছরের কারাদণ্ড

চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলায় ভূমিহীনদের জন্য বরাদ্দকৃত ঋণের টাকা আত্মসাতের দায়ে একটি এনজিওর মহাসচিবকে পাঁচ বছর সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

রোববার (৩ মে) চট্টগ্রাম বিভাগীয় বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. মিজানুর রহমান এ রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত সৈয়দ হাসানুজ্জামান লোটন রিহ্যাবিলিটেশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন ফর ল্যান্ডলেস (র‌্যাডল) নামের একটি এনজিওর মহাসচিব ছিলেন। তিনি টাঙ্গাইল সদর উপজেলার আকুরঠাকুরপাড়া শিমুলতলী এলাকার বাসিন্দা।

দুর্নীতি দমন কমিশনের পাবলিক প্রসিকিউটর মো. এনামুল ইসলাম জানান, সাতজন সাক্ষীর সাক্ষ্যে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত দণ্ডবিধির ৪০৯ ধারায় চার বছর এবং ৪২০ ধারায় এক বছর সশ্রম কারাদণ্ড দেন। পাশাপাশি তাকে ৭২ হাজার ১০০ টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

রায়ের সময় আসামি পলাতক থাকায় আদালত তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।

মামলার নথি সূত্রে জানা যায়, রাউজানের ডাবুয়া গ্রামের ভূমিহীনদের মধ্যে ঋণ বিতরণের জন্য ৭০ হাজার টাকা গ্রহণ করেন লোটন। চুক্তি অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ে অর্থফেরত দেওয়ার কথা থাকলেও তিনি তা না দিয়ে আত্মসাৎ করেন।

এছাড়া ভূমি মন্ত্রণালয়ের অধীনে চট্টগ্রামের ১০টি আদর্শ গ্রামের ভূমিহীনদের মধ্যে ঋণ বিতরণের জন্য র‌্যাডলের মাধ্যমে ১২ লাখ ৫০০ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। এর একটি অংশ আত্মসাৎ করার অভিযোগ আনা হয় তার বিরুদ্ধে।

এ ঘটনায় দুর্নীতি দমন ব্যুরোর এক কর্মকর্তা রাউজান থানায় মামলা করেন। তদন্ত শেষে ২০১০ সালে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়। ২০১৭ সালের মার্চে অভিযোগ গঠনের পর বিচার শুরু হয়।

এমআরএএইচ/জেএইচ 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow