ভূরুঙ্গামারীতে দুধকুমার নদের পানি বিপদসীমার কাছাকাছি, নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা

ভারত থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলার দুধকুমার নদের পানি ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় নদটির পানি ৬৭ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমার মাত্র ১১ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। কুড়িগ্রাম পাউবো সূত্রে জানা গেছে, রোববার সন্ধ্যা ৬টায় দুধকুমার নদের পানি পাটেশ্বরী পয়েন্টে ২৯.৪৯ মিটার রেকর্ড করা হয়েছে, যা গতকাল একই সময়ে ছিল ২৮.৮২ মিটার। এই নদে পানির বিপদসীমা নির্ধারণ করা হয়েছে ২৯.৬০ মিটার। এতে করে নদী অববাহিকার চর ও ডুবোচরে পানি ঢুকে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা করছেন নদী পাড়ের বাসিন্দারা। একই সাথে ভাঙন আতঙ্কে দিন পার করছেন তারা।দুধকুমার নদী পাড়ের বাসিন্দা মাইদুল, ফরিদুল ও রিয়াজুল জানিয়েছেন, যে হারে নদীর পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে তাতে দু-এক দিনের মধ্যে চরাঞ্চল পানিতে তলিয়ে যাবে। তারা বন্যার আশঙ্কায় আছেন এবং ভাঙন আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন।কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রাকিবুল হাসান জানিয়েছেন, আগামী ৭২ ঘণ্টায় জেলার নদ-নদীর পানি আরও বৃদ্ধি পেতে পারে। এতে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার পাশাপাশি স্বল্পমেয়াদি বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে।উপজেলা নির্বাহী অ

ভূরুঙ্গামারীতে দুধকুমার নদের পানি বিপদসীমার কাছাকাছি, নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা

ভারত থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলার দুধকুমার নদের পানি ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় নদটির পানি ৬৭ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমার মাত্র ১১ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

কুড়িগ্রাম পাউবো সূত্রে জানা গেছে, রোববার সন্ধ্যা ৬টায় দুধকুমার নদের পানি পাটেশ্বরী পয়েন্টে ২৯.৪৯ মিটার রেকর্ড করা হয়েছে, যা গতকাল একই সময়ে ছিল ২৮.৮২ মিটার। এই নদে পানির বিপদসীমা নির্ধারণ করা হয়েছে ২৯.৬০ মিটার। এতে করে নদী অববাহিকার চর ও ডুবোচরে পানি ঢুকে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা করছেন নদী পাড়ের বাসিন্দারা। একই সাথে ভাঙন আতঙ্কে দিন পার করছেন তারা।

দুধকুমার নদী পাড়ের বাসিন্দা মাইদুল, ফরিদুল ও রিয়াজুল জানিয়েছেন, যে হারে নদীর পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে তাতে দু-এক দিনের মধ্যে চরাঞ্চল পানিতে তলিয়ে যাবে। তারা বন্যার আশঙ্কায় আছেন এবং ভাঙন আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন।

কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রাকিবুল হাসান জানিয়েছেন, আগামী ৭২ ঘণ্টায় জেলার নদ-নদীর পানি আরও বৃদ্ধি পেতে পারে। এতে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার পাশাপাশি স্বল্পমেয়াদি বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার অমৃত দেবনাথ জানিয়েছেন, বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় আজ বিকেলে জরুরি মিটিং করে একটি কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যানদের সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখতে বলা হয়েছে। জনসাধারণকে সতর্ক করার জন্য মাইকিংয়ের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। এছাড়াও শুকনো খাবার ও মেডিকেল টিম প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow