ভূরুঙ্গামারীতে ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীর আন্ধারীঝাড় ইউনিয়নের ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তার অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন জানিয়ে বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। গত ৫ এপ্রিল আমিনুল ইসলাম নামের এক ভুক্তভোগী এই অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, আন্ধারীঝাড় ইউনিয়নের ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা রোকনুজ্জামান তালুকদার নামজারি/খারিজ সংক্রান্ত বিষয়ে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির সাথে জড়িত। একটি নামজারির আবেদন করার পর তাকে ঘুষ প্রদান না করায় তিনি আবেদনটি নামঞ্জুর করেন। নামজারির বিষয়টি নিয়ে যোগাযোগ করা হলে ২০ হাজার টাকা দাবি করে বলেন টাকা ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দিলে আবেদন পার করে দেয়া হবে। পরে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র/দলিলসহ ৫ হাজার টাকা দিয়ে বাকি টাকা পরে দেয়ার আশ্বাস দিলে তিনি নিজে আবেদন করে নামজারি মঞ্জুর করে দেন। কিন্তু একটি মূল দলিল রেখে দেন। ইতিপূর্বে অভিযোকারীর মায়ের একটি জমির নামজারি করতে তিনি ৬ হাজার টাকা নেন। দীর্ঘদিন ঘোরানোর পর কাজটি সম্পন্ন করেন। এছাড়া উক্ত জমির খাজনা ২০২১ সাল পর্যন্ত পরিশোধিত থাকা সত্ত্বেও তিনি ৩৫ বছরের বকেয়া দেখিয়ে দাখিলা প্রদান করেন। অভিযোগে উল্লেখ্য

ভূরুঙ্গামারীতে ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীর আন্ধারীঝাড় ইউনিয়নের ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তার অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন জানিয়ে বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। গত ৫ এপ্রিল আমিনুল ইসলাম নামের এক ভুক্তভোগী এই অভিযোগ দায়ের করেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, আন্ধারীঝাড় ইউনিয়নের ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা রোকনুজ্জামান তালুকদার নামজারি/খারিজ সংক্রান্ত বিষয়ে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির সাথে জড়িত। একটি নামজারির আবেদন করার পর তাকে ঘুষ প্রদান না করায় তিনি আবেদনটি নামঞ্জুর করেন। নামজারির বিষয়টি নিয়ে যোগাযোগ করা হলে ২০ হাজার টাকা দাবি করে বলেন টাকা ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দিলে আবেদন পার করে দেয়া হবে। পরে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র/দলিলসহ ৫ হাজার টাকা দিয়ে বাকি টাকা পরে দেয়ার আশ্বাস দিলে তিনি নিজে আবেদন করে নামজারি মঞ্জুর করে দেন। কিন্তু একটি মূল দলিল রেখে দেন। ইতিপূর্বে অভিযোকারীর মায়ের একটি জমির নামজারি করতে তিনি ৬ হাজার টাকা নেন। দীর্ঘদিন ঘোরানোর পর কাজটি সম্পন্ন করেন। এছাড়া উক্ত জমির খাজনা ২০২১ সাল পর্যন্ত পরিশোধিত থাকা সত্ত্বেও তিনি ৩৫ বছরের বকেয়া দেখিয়ে দাখিলা প্রদান করেন।

অভিযোগে উল্লেখ্য করা হয় ওই কর্মকর্তার সাথে হওয়া কথোপকথনের কলরেকর্ডসহ প্রয়োজনীয় প্রমাণাদি অভিযোগকারীর নিকট সংরক্ষিত আছে। সরেজমিনে গিয়ে একাধিক ভূক্তভোগীর সঙ্গে কথা হয়। নাম প্রকাশ না করার শর্তে তারা জানান , ইউনিয়নের ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা রোকনুজ্জামান তালুকদার বিভিন্ন সময় হয়রানি সহ খারাপ আচরণ করে থাকেন। এবং তিনি টাকা ছাড়া কোন কাজ করেন না। ভূমি সেবা গ্রহণে হয়রানির শিকার ভুক্তভোগীদের দাবি সুষ্ঠু তদন্ত পূর্বক দূর্নীতিপরায়ন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করে অনিয়ম বন্ধ করা হোক।

এবিষয়ে ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা রোকনুজ্জামান তালুকদার বলেন, অভিযোগ কারি আমার জামাই। আমি কি তার কাছে টাকা চাইতে পারি? তাদের এইসব দাবি মিথ‍্যা। তবে তিনি জমির খাজনা ২০২১ সাল পর্যন্ত পরিশোধিত থাকা সত্ত্বেও ৩৫ বছরের বকেয়া দেখিয়ে দাখিলা কিভাবে আদায় করলেন এমন প্রশ্নের সদউত্তর দিতে পারেনেনি। অভিযোগের বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহাদাৎ হোসেনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, অভিযোগটি দেখে আপনাকে জানাবো।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow