ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পে ১০ হাজারের বেশি প্রাণহানির আশঙ্কা
ভেনেজুয়েলায় আঘাত হানা পরপর দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্পের পর ব্যাপক প্রাণহানির আশঙ্কা প্রকাশ করেছে মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস)। সংস্থাটির প্রাথমিক মূল্যায়নে বলা হয়েছে, মৃতের সংখ্যা ১০ হাজার থেকে ১ লাখের মধ্যে হতে পারে।
তবে এখন পর্যন্ত দেশটির কর্তৃপক্ষ কোনো আনুষ্ঠানিক হতাহত বা আহতের সংখ্যা প্রকাশ করেনি। খবর আল-জাজিরার।
ইউএসজিএসের তথ্য অনুযায়ী, প্রথমে ৭.১ মাত্রার একটি ভূমিকম্প আঘাত হানে, যার উৎপত্তিস্থল ছিল ক্যারিবীয় উপকূলবর্তী মোরন এলাকার পশ্চিমে। মাত্র এক মিনিট পর আরও শক্তিশালী ৭.৫ মাত্রার দ্বিতীয় ভূমিকম্প আঘাত হানে।
ভূমিকম্পের ফলে রাজধানী কারাকাসসহ বিভিন্ন এলাকায় ভবন ধসে পড়ার খবর পাওয়া গেছে। আতঙ্কিত মানুষ ঘরবাড়ি ছেড়ে খোলা স্থানে আশ্রয় নিয়েছে।
উদ্ধারকারী দল ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় কাজ শুরু করেছে। তবে যোগাযোগ ব্যবস্থা ও অবকাঠামোর ক্ষতির কারণে ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ চিত্র এখনও স্পষ্ট নয়।
কর্তৃপক্ষ পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং হতাহত ও ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত তথ্য সংগ্রহের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।
ভেনেজুয়েলায় আঘাত হানা পরপর দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্পের পর ব্যাপক প্রাণহানির আশঙ্কা প্রকাশ করেছে মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস)। সংস্থাটির প্রাথমিক মূল্যায়নে বলা হয়েছে, মৃতের সংখ্যা ১০ হাজার থেকে ১ লাখের মধ্যে হতে পারে।
তবে এখন পর্যন্ত দেশটির কর্তৃপক্ষ কোনো আনুষ্ঠানিক হতাহত বা আহতের সংখ্যা প্রকাশ করেনি। খবর আল-জাজিরার।
ইউএসজিএসের তথ্য অনুযায়ী, প্রথমে ৭.১ মাত্রার একটি ভূমিকম্প আঘাত হানে, যার উৎপত্তিস্থল ছিল ক্যারিবীয় উপকূলবর্তী মোরন এলাকার পশ্চিমে। মাত্র এক মিনিট পর আরও শক্তিশালী ৭.৫ মাত্রার দ্বিতীয় ভূমিকম্প আঘাত হানে।
ভূমিকম্পের ফলে রাজধানী কারাকাসসহ বিভিন্ন এলাকায় ভবন ধসে পড়ার খবর পাওয়া গেছে। আতঙ্কিত মানুষ ঘরবাড়ি ছেড়ে খোলা স্থানে আশ্রয় নিয়েছে।
উদ্ধারকারী দল ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় কাজ শুরু করেছে। তবে যোগাযোগ ব্যবস্থা ও অবকাঠামোর ক্ষতির কারণে ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ চিত্র এখনও স্পষ্ট নয়।
কর্তৃপক্ষ পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং হতাহত ও ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত তথ্য সংগ্রহের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।