ভোটের কালি উঠছে না, হাস্যরসে যা বললেন সিইসি

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্যবহৃত অমোচনীয় কালির মান নিয়ে নিজের মজার অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন। ভোট দেওয়ার বেশ কয়েকদিন পার হলেও আঙুলের কালি না ওঠায় হাস্যরসে তিনি বলেন, ‘কালি তো উঠছে না। ভয় হচ্ছে সামনের লোকাল গভর্নমেন্ট (স্থানীয় সরকার) নির্বাচনে এই কালি নিয়ে ভোট দিতে গেলে আবার ধরা খাই কি না!’ সোমবার (১৬ মার্চ) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে আয়োজিত নারী দিবস উপলক্ষে এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সিইসি জানান, নির্বাচনের পর তার এক সাবেক সহকর্মী ফেসবুকে তাকে উদ্দেশ্য করে পোস্ট দিয়েছেন। সেখানে তিনি লিখেছিলেন ‘মাননীয় প্রধান নির্বাচন কমিশনার, আপনি কি কালি লাগিয়েছেন? এই কালি তো উঠছে না।’ এ প্রসঙ্গে নাসির উদ্দিন বলেন, আমি নিজেও চেক করে দেখেছি, আমার হাতের কালি এখনো আছে। আমি জানি না স্টিভ লিজ (সরবরাহকারী) কী ম্যাজিক করেছেন। দেশের ইতিহাসে এবারই আমরা সেরা মানের কালি দিয়েছি। সাধারণত ভোট দেওয়ার পর ঘষা দিলে কালি চলে যায়, কিন্তু এবারের কালি অবিশ্বাস্য রকম টেকসই। কালির মান যেমন টেকসই ছিল, নির্বাচনও তেমনি সুন্দর হ

ভোটের কালি উঠছে না, হাস্যরসে যা বললেন সিইসি

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্যবহৃত অমোচনীয় কালির মান নিয়ে নিজের মজার অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন। ভোট দেওয়ার বেশ কয়েকদিন পার হলেও আঙুলের কালি না ওঠায় হাস্যরসে তিনি বলেন, ‘কালি তো উঠছে না। ভয় হচ্ছে সামনের লোকাল গভর্নমেন্ট (স্থানীয় সরকার) নির্বাচনে এই কালি নিয়ে ভোট দিতে গেলে আবার ধরা খাই কি না!’

সোমবার (১৬ মার্চ) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে আয়োজিত নারী দিবস উপলক্ষে এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সিইসি জানান, নির্বাচনের পর তার এক সাবেক সহকর্মী ফেসবুকে তাকে উদ্দেশ্য করে পোস্ট দিয়েছেন। সেখানে তিনি লিখেছিলেন ‘মাননীয় প্রধান নির্বাচন কমিশনার, আপনি কি কালি লাগিয়েছেন? এই কালি তো উঠছে না।’

এ প্রসঙ্গে নাসির উদ্দিন বলেন, আমি নিজেও চেক করে দেখেছি, আমার হাতের কালি এখনো আছে। আমি জানি না স্টিভ লিজ (সরবরাহকারী) কী ম্যাজিক করেছেন। দেশের ইতিহাসে এবারই আমরা সেরা মানের কালি দিয়েছি। সাধারণত ভোট দেওয়ার পর ঘষা দিলে কালি চলে যায়, কিন্তু এবারের কালি অবিশ্বাস্য রকম টেকসই।

কালির মান যেমন টেকসই ছিল, নির্বাচনও তেমনি সুন্দর হয়েছে বলে দাবি করেন সিইসি। তিনি বলেন, আমি শত শত মানুষকে জিজ্ঞেস করেছি, কেউ বলেনি যে ভোট দিতে পারিনি। বিশেষ করে নারী ও মাইনরিটি কমিউনিটির (সংখ্যালঘু) ভোটারদের কাছে আমি ব্যক্তিগতভাবে জানতে চেয়েছি তারা কোনো বাধা পেয়েছেন কি না। সবাই বলেছেন তারা সপরিবারে নির্বিঘ্নে ভোট দিয়েছেন।

সিইসি আবারও ‘সংখ্যালঘু’ শব্দটির ব্যবহারে নিজের আপত্তির কথা জানান। তিনি বলেন, আমরা সবাই বাংলাদেশি। এখানে মাইনরিটি কিসের? আমরা তো এক জাতি। রিলিজিয়াস অর্থে হয়তো বিভাজন করা হয়, কিন্তু আমি ব্যক্তিগতভাবে বিশ্বাস করি সবাই সমান এবং সবার সমান অধিকার।

এমওএস/এমআইএইচএস/

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow