ভোটে জয়ী হলে এলাকার মানুষের কাছে জবাবদিহি থাকার প্রতিশ্রুতি রবিনের

ঢাকা-৪ আসনের বিএনপির প্রার্থী তানভীর আহমেদ রবিন বলেছেন, ভোটে জয়ী হলে এলাকার মানুষের কাছে সরাসরি জবাবদিহির মধ্যে থাকবো। এলাকাবাসী যখন চাইবেন, তখন আমাকে প্রশ্ন করতে পারবেন, শাসন করতে পারবেন, পরামর্শ দিতে পারবেন। তিনি জানান, জনগণের দেওয়া ভোট তার কাছে একটি আমানত, এই আমানতের কোনো খেয়ানত তিনি করবেন না। সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর কদমতলী থানাধীন ৫৯ নম্বর ওয়ার্ড মোহাম্মদবাগ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠন আয়োজিত নির্বাচন পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন। রবিন  বলেন, এলাকার মানুষ দীর্ঘদিন ধরে কর্মসংস্থান সংকটে ভুগছে। চাকরি না পেয়ে এলাকার মেধাবী তরুণ ও যুবকদের দূরদূরান্তে যেতে হচ্ছে। অনেকেই হতাশাগ্রস্ত হয়ে পড়ছে, কেউ কেউ মাদকাসক্ত হচ্ছে এবং কেউ কেউ সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ছে।  তিনি আরও বলেন, এলাকায় শিশু-কিশোরদের জন্য পাঠাগার নেই, খেলাধুলার জন্য পর্যাপ্ত মাঠ নেই, পরিবার নিয়ে সময় কাটানোর মতো কোনো মনোরম পরিবেশও নেই। বুড়িগঙ্গা নদীর তীর কিংবা এলাকার খাল-বিলগুলো মানুষের জন্য উপযোগী করে গড়ে তোলা হয়নি। তার অভিযোগ, অপরিকল্পিত উন্নয়নের কারণে এলাকাবাসী এসব সুযোগ থেকে বঞ্চিত। নাগরিক সেবার প্রসঙ্গে তানভীর আহমেদ রব

ভোটে জয়ী হলে এলাকার মানুষের কাছে জবাবদিহি থাকার প্রতিশ্রুতি রবিনের

ঢাকা-৪ আসনের বিএনপির প্রার্থী তানভীর আহমেদ রবিন বলেছেন, ভোটে জয়ী হলে এলাকার মানুষের কাছে সরাসরি জবাবদিহির মধ্যে থাকবো। এলাকাবাসী যখন চাইবেন, তখন আমাকে প্রশ্ন করতে পারবেন, শাসন করতে পারবেন, পরামর্শ দিতে পারবেন।

তিনি জানান, জনগণের দেওয়া ভোট তার কাছে একটি আমানত, এই আমানতের কোনো খেয়ানত তিনি করবেন না।

সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর কদমতলী থানাধীন ৫৯ নম্বর ওয়ার্ড মোহাম্মদবাগ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠন আয়োজিত নির্বাচন পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন।

রবিন  বলেন, এলাকার মানুষ দীর্ঘদিন ধরে কর্মসংস্থান সংকটে ভুগছে। চাকরি না পেয়ে এলাকার মেধাবী তরুণ ও যুবকদের দূরদূরান্তে যেতে হচ্ছে। অনেকেই হতাশাগ্রস্ত হয়ে পড়ছে, কেউ কেউ মাদকাসক্ত হচ্ছে এবং কেউ কেউ সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ছে। 

তিনি আরও বলেন, এলাকায় শিশু-কিশোরদের জন্য পাঠাগার নেই, খেলাধুলার জন্য পর্যাপ্ত মাঠ নেই, পরিবার নিয়ে সময় কাটানোর মতো কোনো মনোরম পরিবেশও নেই। বুড়িগঙ্গা নদীর তীর কিংবা এলাকার খাল-বিলগুলো মানুষের জন্য উপযোগী করে গড়ে তোলা হয়নি। তার অভিযোগ, অপরিকল্পিত উন্নয়নের কারণে এলাকাবাসী এসব সুযোগ থেকে বঞ্চিত।

নাগরিক সেবার প্রসঙ্গে তানভীর আহমেদ রবিন বলেন, দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের আওতায় বসবাস করলেও এলাকাবাসী নিয়মিত হোল্ডিং ট্যাক্সসহ গ্যাস, বিদ্যুৎ ও ওয়াসার বিল পরিশোধ করছে। কিন্তু সেবার ক্ষেত্রে তারা চরমভাবে বঞ্চিত।

তিনি বলেন, স্বাস্থ্যকেন্দ্র থাকলেও এলাকার মানুষ প্রয়োজনীয় প্রাথমিক সেবা পাচ্ছে না। কমিউনিটি সেন্টার, খেলার মাঠ বা সামাজিক অনুষ্ঠান আয়োজনের মতো কোনো সিটি করপোরেশনের অবকাঠামো নেই।

তিনি আরও বলেন, ঢাকার আসন গুলোর মধ্যে ঢাকা–৪ আসন অর্থনৈতিক ও নাগরিক সুবিধার দিক থেকে সবচেয়ে পিছিয়ে রয়েছে। 

তানভীর আহমেদ রবিন বলেন, অতীতে দলীয়করণের কারণে এলাকার সামাজিক সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্ববোধ ভেঙে পড়েছে। এলাকার মুরুব্বিদের মর্যাদা ক্ষুণ্ন করা হয়েছে, তাদের বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে রাখা হয়েছে। একই সঙ্গে আলেম সমাজকে হয়রানি ও অপমান করা হয়েছে ।

গ্যাস ও পানির সংকটের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, এলাকায় এক সপ্তাহ থেকে শুরু করে ১০ দিনের বেশি সময় ধরে গ্যাস নেই। ১৯৯১ সালে বিএনপি সরকারের সময় এই এলাকায় গ্যাস লাইন ও পানির পাম্প স্থাপন করা হয়েছিল। কিন্তু গত ১৮ বছরে নতুন করে উল্লেখযোগ্য কোনো পানির পাম্প স্থাপন করা হয়নি।

এলাকার শিল্পকারখানার প্রসঙ্গে তানভীর আহমেদ রবিন বলেন, একসময় এখানে ৪২টি ডাই ইন্ডাস্ট্রি চালু ছিল, বর্তমানে তা কমে ১৮টিতে দাঁড়িয়েছে। সরকারি হয়রানি ও নীতিগত সমস্যার কারণে অনেক শিল্পকারখানা বন্ধ হয়ে গেছে। নির্বাচিত হলে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও মালিকদের সঙ্গে আলোচনা করে এসব শিল্পকারখানা পুনরায় চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে।

বিএনপির পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, খেলাধুলা, কর্মসংস্থান, পরিবেশ ও ধর্মীয় মূল্যবোধ এই খাতগুলোতে বাস্তবভিত্তিক পরিকল্পনা রয়েছে। এলাকার উন্নয়নে তিনি ২০টি অঙ্গীকার করেছেন, যা এলাকার মানুষের প্রত্যাশা ও চাহিদার প্রতিফলন।

নির্বাচন প্রসঙ্গে তানভীর আহমেদ রবিন বলেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন প্রত্যাশা করছে দেশবাসী। তিনি ভোটারদের গুজবে কান না দিয়ে পরিবার-পরিজন ও প্রতিবেশীদের সঙ্গে নিয়ে উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগের আহ্বান জানান।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow