ভোট দিলেন সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঝিনাইদহ-১ (শৈলকুপা) আসনে ধানের শীষের প্রার্থী সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল অ্যাডভোকেট মো. আসাদুজ্জামান সাধারণ ভোটারদের সঙ্গে লাইনে দাঁড়িয়ে ভোট প্রদান করেছেন। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৭টার দিকে উপজেলার বারইপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভোট দেন তিনি। এ সময় কোনো বিশেষ সুবিধা গ্রহণ না করে সাধারণ মানুষের কাতারেই লাইনে দাঁড়ান। পরে ৭টা ৪০ মিনিটের দিকে ভোট প্রদান করেন। নির্বাচনের পরিবেশ নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, আজকের ভোটের দিনে সবার আগে স্মরণ করছি সাড়ে ৪ হাজার সহযোদ্ধাকে। যারা এ ভোট আদায়ের জন্য ক্রসফায়ারের শিকার হয়েছেন। এছাড়া সাতশ’র বেশি সহযোদ্ধা যারা গুমের শিকার এবং জুলাই বিপ্লবে যারা আহত হয়েছে এবং বিজয়ী হয়েছেন। গত নির্বাচনের থেকে এবারের নির্বাচনের পার্থক্যের প্রশ্নে অ্যাডভোকেট মো. আসাদুজ্জামান বলেন, এবারের নির্বাচনে প্রার্থীরা নির্ভয়ে নিঃসংকোচ চিত্রে প্রচারণা করতে পেরেছেন। ভোটাররা নিঃসংকোচ চিত্রে ভোট দিতে পারছেন। কারোর ভোট রাতে হয়ে যায়নি এবং মৃত মানুষ কবর থেকে উঠে এসে ভোট দিয়ে যেতে পারেনি। জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী বলেও জানান তিনি।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঝিনাইদহ-১ (শৈলকুপা) আসনে ধানের শীষের প্রার্থী সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল অ্যাডভোকেট মো. আসাদুজ্জামান সাধারণ ভোটারদের সঙ্গে লাইনে দাঁড়িয়ে ভোট প্রদান করেছেন।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৭টার দিকে উপজেলার বারইপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভোট দেন তিনি।
এ সময় কোনো বিশেষ সুবিধা গ্রহণ না করে সাধারণ মানুষের কাতারেই লাইনে দাঁড়ান। পরে ৭টা ৪০ মিনিটের দিকে ভোট প্রদান করেন।
নির্বাচনের পরিবেশ নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, আজকের ভোটের দিনে সবার আগে স্মরণ করছি সাড়ে ৪ হাজার সহযোদ্ধাকে। যারা এ ভোট আদায়ের জন্য ক্রসফায়ারের শিকার হয়েছেন। এছাড়া সাতশ’র বেশি সহযোদ্ধা যারা গুমের শিকার এবং জুলাই বিপ্লবে যারা আহত হয়েছে এবং বিজয়ী হয়েছেন।
গত নির্বাচনের থেকে এবারের নির্বাচনের পার্থক্যের প্রশ্নে অ্যাডভোকেট মো. আসাদুজ্জামান বলেন, এবারের নির্বাচনে প্রার্থীরা নির্ভয়ে নিঃসংকোচ চিত্রে প্রচারণা করতে পেরেছেন। ভোটাররা নিঃসংকোচ চিত্রে ভোট দিতে পারছেন। কারোর ভোট রাতে হয়ে যায়নি এবং মৃত মানুষ কবর থেকে উঠে এসে ভোট দিয়ে যেতে পারেনি। জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী বলেও জানান তিনি।
রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক আব্দুল্লাহ আল মাসউদ বলেন, ভোটগ্রহণ নিরাপদ ও সুষ্ঠু করার জন্য জেলার ভোটকেন্দ্রগুলোতে প্রায় ১১ হাজার আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন আছে। এর মধ্যে রয়েছেন ৭ হাজার ৬৪৪ জন আনসার সদস্য, ১ হাজার ৬৪৪ জন পুলিশ সদস্য, ১ হাজার ২৯ জন সেনাবাহিনীর সদস্য, র্যাবের ৪৮ জন সদস্য, বিজিবির ২২২ জন সদস্য। এছাড়া ১২ জন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, ১৬ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটসহ একাধিক ভ্রাম্যমাণ স্ট্রাইকিং ফোর্স দায়িত্ব পালন করছেন।
What's Your Reaction?