ভোলা–চরফ্যাশন রুটে বাস ধর্মঘট, ভোগান্তিতে যাত্রীরা

ভোলার চরফ্যাশনে বাস মালিক সমিতির ডিপো থেকে বাস সরিয়ে দেওয়া, কাউন্টার ভাঙচুর ও সুপারভাইজারকে হেনস্তার প্রতিবাদে ভোলা–চরফ্যাশন রুটে বাস ধর্মঘট শুরু করেছেন বাস শ্রমিকরা। সোমবার সকালে ভোলা বীর শ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামাল বাসস্ট্যান্ড এলাকায় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন তারা। হঠাৎ এ ধর্মঘটের কারণে ঈদকে সামনে রেখে ভোলা জেলার সাত উপজেলার শত শত যাত্রী চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। বাস শ্রমিকদের অভিযোগ, সোমবার সকাল ১০টার দিকে চরফ্যাশনের টিবি স্কুল এলাকায় সিএনজি চালিত অটোরিকশার চালকরা একটি বাস আটকে চালক ও হেলপারকে মারধর করেন। একই সঙ্গে চরফ্যাশন বাজারে বাস মালিক সমিতির ডিপো থেকে বাস বের করে দেওয়া হয় এবং কাউন্টার ভাঙচুর করা হয়। এ সময় সুপারভাইজারকেও হেনস্তা করা হয়েছে। এ ঘটনার বিচার ও বাস শ্রমিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত অনির্দিষ্টকালের জন্য ধর্মঘট চলবে বলে জানিয়েছেন শ্রমিক নেতারা। ভোলা বাস মালিক সমিতির ডিপো কর্মকর্তা অসিম দত্ত জানান, সিএনজি চালকদের কিছু নেতা জোরপূর্বক বাস ডিপো থেকে বাস বের করে দেন এবং কাউন্টার ভাঙচুর করেন। এর প্রতিবাদেই শ্রমিকরা ধর্মঘট শুরু করেছেন। তবে অভিযোগ অস্বীকার করে ভোলা জেলা সিএ

ভোলা–চরফ্যাশন রুটে বাস ধর্মঘট, ভোগান্তিতে যাত্রীরা

ভোলার চরফ্যাশনে বাস মালিক সমিতির ডিপো থেকে বাস সরিয়ে দেওয়া, কাউন্টার ভাঙচুর ও সুপারভাইজারকে হেনস্তার প্রতিবাদে ভোলা–চরফ্যাশন রুটে বাস ধর্মঘট শুরু করেছেন বাস শ্রমিকরা।

সোমবার সকালে ভোলা বীর শ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামাল বাসস্ট্যান্ড এলাকায় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন তারা। হঠাৎ এ ধর্মঘটের কারণে ঈদকে সামনে রেখে ভোলা জেলার সাত উপজেলার শত শত যাত্রী চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। বাস শ্রমিকদের অভিযোগ, সোমবার সকাল ১০টার দিকে চরফ্যাশনের টিবি স্কুল এলাকায় সিএনজি চালিত অটোরিকশার চালকরা একটি বাস আটকে চালক ও হেলপারকে মারধর করেন। একই সঙ্গে চরফ্যাশন বাজারে বাস মালিক সমিতির ডিপো থেকে বাস বের করে দেওয়া হয় এবং কাউন্টার ভাঙচুর করা হয়।

এ সময় সুপারভাইজারকেও হেনস্তা করা হয়েছে। এ ঘটনার বিচার ও বাস শ্রমিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত অনির্দিষ্টকালের জন্য ধর্মঘট চলবে বলে জানিয়েছেন শ্রমিক নেতারা।

ভোলা বাস মালিক সমিতির ডিপো কর্মকর্তা অসিম দত্ত জানান, সিএনজি চালকদের কিছু নেতা জোরপূর্বক বাস ডিপো থেকে বাস বের করে দেন এবং কাউন্টার ভাঙচুর করেন। এর প্রতিবাদেই শ্রমিকরা ধর্মঘট শুরু করেছেন। তবে অভিযোগ অস্বীকার করে ভোলা জেলা সিএনজি ও হালকা যান মালিক সমিতির সভাপতি মো. মাকসুদুর রহমান বলেন, সিএনজির কেউ বাস শ্রমিকদের মারধর করেনি এবং ডিপো থেকেও বাস বের করে দেওয়া হয়নি।

উপজেলা প্রশাসনের নির্দেশনা অনুযায়ী বাস সরানো হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন। ভোলা শহর ও যানবাহন শাখার পুলিশ পরিদর্শক মো. আবদুল গণি জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে শ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলে সড়ক অবরোধ তুলে দেয়। বর্তমানে অন্যান্য যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow